তৃণমূল কংগ্রেসের অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয় ঘিরে বিতর্ক আরও জোরালো হল। ভবনের মালিক মনোতোষ সাহা অভিযোগ করেছেন, চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও তাঁর বহুতল খালি করছে না তৃণমূল। এই অভিযোগ নিয়ে তিনি পুলিশের দ্বারস্থ হওয়ার কথা জানানোর এক দিনের মধ্যেই প্রগতি ময়দান থানায় হাজির হন তৃণমূলের প্রতিনিধিরা। সোমবার থানায় যান তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এবং বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ। তাঁদের সঙ্গে ছিল বাড়ি ভাড়া সংক্রান্ত বিভিন্ন নথিপত্র। সেগুলি থানায় জমা দেওয়ার পাশাপাশি একটি লিখিত আবেদনও করা হয়।

তৃণমূলের তরফে জানানো হয়েছে, মেট্রোপলিটনের ওই বহুতলটি দল দীর্ঘদিন ধরে অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার করছে। বর্তমানে কার্যালয় স্থানান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। সেই কারণে পুলিশ বা প্রশাসন যাতে এই মুহূর্তে কোনও হস্তক্ষেপ না করে, সেই আবেদন জানানো হয়েছে। দলের আশঙ্কা, প্রশাসনিক পদক্ষেপ হলে অপ্রয়োজনীয় উত্তেজনা সৃষ্টি হতে পারে। উল্লেখ্য, ইএম বাইপাস সংলগ্ন উত্তর পঞ্চান্ন গ্রামে তৃণমূলের স্থায়ী সদর দফতর ছিল। নতুন করে সেই কার্যালয় নির্মাণের কাজ শুরু হওয়ায় ২০২১ সালে মেট্রোপলিটনের এই ভবনে অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয় গড়ে তোলা হয়।
অন্যদিকে, ভবনের মালিক মনোতোষ সাহার দাবি, ২০২৫ সালেই তৃণমূলের সঙ্গে তাঁর চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে। কিন্তু এক বছর পেরিয়ে গেলেও দল ভবনটি খালি করেনি। তাঁর অভিযোগ, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পরও তিনি তৃণমূল নেতৃত্বকে একাধিকবার বাড়ি ছাড়ার অনুরোধ জানিয়েছেন, কিন্তু তাতে কোনও সাড়া মেলেনি। সেই কারণেই তিনি পুলিশের দ্বারস্থ হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
প্রসঙ্গত, মনোতোষ সাহার সংস্থা দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূলের বিভিন্ন কর্মসূচিতে মাইক ও ডেকরেটার্স সামগ্রী সরবরাহের দায়িত্ব সামলাত। তাঁর সংস্থা সরকারি অনুষ্ঠানেও কাজের বরাত পেত। সেই সূত্রেই তিনি দলকে নিজের ভবন ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছিলেন বলে দাবি। তবে তাঁর অভিযোগ, একাধিক কর্মসূচির বাবদ বকেয়া অর্থ এখনও পাননি। বারবার দাবি জানিয়েও সেই টাকা মেলেনি বলেই অভিযোগ করেছেন তিনি। এই পরিস্থিতিতে ভবন খালি করা এবং চুক্তি সংক্রান্ত বিরোধ কোন দিকে গড়ায়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।
{{/usCountry}}প্রসঙ্গত, মনোতোষ সাহার সংস্থা দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূলের বিভিন্ন কর্মসূচিতে মাইক ও ডেকরেটার্স সামগ্রী সরবরাহের দায়িত্ব সামলাত। তাঁর সংস্থা সরকারি অনুষ্ঠানেও কাজের বরাত পেত। সেই সূত্রেই তিনি দলকে নিজের ভবন ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছিলেন বলে দাবি। তবে তাঁর অভিযোগ, একাধিক কর্মসূচির বাবদ বকেয়া অর্থ এখনও পাননি। বারবার দাবি জানিয়েও সেই টাকা মেলেনি বলেই অভিযোগ করেছেন তিনি। এই পরিস্থিতিতে ভবন খালি করা এবং চুক্তি সংক্রান্ত বিরোধ কোন দিকে গড়ায়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।
{{/usCountry}}