সদ্য কালীঘাট তৃণমূল শিবির থেকে বেরিয়ে আসার ঘোষণা করেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। আর তিনিই এবার ঋতব্রত পন্থী তৃণমূলের জাতীয় কর্মসমিতির সদস্য। সদ্য জুন মাসে ঋতব্রত পন্থী তৃণমূল কংগ্রেস শিবির তৈরি হয়। তার জাতীয় কতর্মসমিতির বৈঠক ছিল আজ ১০ জুলাই। শুক্রবার তপসিয়ার এক হোটেলে দীর্ঘ বৈঠকের পর ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেন, তাঁর নেতৃ্ত্বাধীন তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি হিসেবে বিপ্লব মিত্র। এছাড়াও দলের একাধিক পদে কারা কারা থাকবেন, তাঁদের নাম ঘোষণা করেন ঋতব্রত।

কিছুদিন আগেই, কালীঘাট তৃণমূল ছেড়েছেন চন্দ্রিমা। তিনি ছেড়ে যাওয়ার পর দলের রাজ্য সভাপতি হিসেবে নিজের নাম ঘোষণা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফলত, কালীঘাট তৃণমূলে যেমন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্য সভাপতি, তার পাল্টা হিসাবে ঋতব্রত শিবির বিপ্লব মিত্রকে ঘোষণা করল, তাদের তৃণমূলের রাজ্যসভাপতি হিসাবে। এছাড়াও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন জানান, দলের কার্যকরী সভাপতি হলেন কসবার বিধায়ক জাভেদ খান। মহিলা সংগঠনের সভানেত্রী হয়েছেন সাবিনা ইয়াসমিন, কার্যকরী সভানেত্রী শিউলি সাহা। স্নেহাশিস চক্রবর্তী, জাতীয় কর্মসমিতির সাধারণ সম্পাদক পদে এসেছেন। দলের ছাত্র সংগঠনের নেতা নেত্রীদের নামও ঘোষণা করেছে ঋতব্রতপন্থী তৃণমূল। টিএমসিপি-র নতুন সভাপতি ছাত্রনেতা সুদীপ রাহা, চেয়ারম্যান হয়েছেন অভিষেক-বিরোধী নেতা বলে পরিচিত কোহিনূর মজুমদার। যুব সংগঠনের সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে আনিসুর রহমান বিদেশকে। তপশিলি জাতি-উপজাতি শাখার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে খড়গ্রামের প্রাক্তন, অভিজ্ঞ বিধায়ক আশিস মার্জিতকে।
সামনেই ২১ জুলাই। সেদিন ঋতব্রতপন্থী তৃণমূল কোন কর্মসূচি গ্রহণ করবে, তা নিয়েও মুখ খোলে শিবির। ঋতব্রত বলেন, ‘২১ জুলাই তো আমাদের বরাবরের শহিদ তর্পণ অনুষ্ঠান। তা প্রতি বছরের মতো এবছর আমরা পালন করব।' ঋতব্রত বলেন,' ভিক্টোরিয়া হাউসে না হোক, আমরা বিকল্প জায়গার নাম বলে প্রশাসনের অনুমতি চেয়েছি। এখনও লিখিত কোনও অনুমতি আমাদের হাতে আসেনি। তা শিগগিরই পেয়ে যাব বলে আশা করছি।’ প্রসঙ্গক্রমে আসে অনুব্রত মণ্ডলের বিষয়টিও। সেই প্রসঙ্গে ঋতব্রত বলেন,'কেষ্টদার সঙ্গে নিয়মিত কথা হয়। রেজ়াল্ট বেরনোর পরে ৩০ বার কথা হয়েছে। কেষ্টদার সঙ্গে সম্পর্ক ব্যক্তিগত।'