...
...
Next Story

চলছে সই সংগ্রহ! মধ্যরাতে বড় পদক্ষেপ TMC-র, ভোটের আগেই জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট?

বেশ কিছুদিন আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট আনা হবে। পরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন সেই প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনাও চলছে।

Published on: Mar 10, 2026, 16:49:49 IST
Advertisement

একদিকে শহরে দফায় দফায় বৈঠক করছেন দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। অন্যদিকে, ধর্মতলার মেট্রো চ্যানেলে ধর্নায় বসে রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই আবহেই বড় পদক্ষেপের পথে তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে। গত কয়েক মাসে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে একাধিকবার সরব হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সুর চড়িয়ছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। আর এবার সেই জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব আনার প্রক্রিয়া শুরু করে দিল তৃণমূল কংগ্রেস।

ভোটের আগেই জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট? (PTI)
ভোটের আগেই জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট? (PTI)

বেশ কিছুদিন আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট আনা হবে। পরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন সেই প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনাও চলছে। এরপর থেকেই শুরু হয় জল্পনা। এমন একজন সাংবিধানিক পদাধিকারীর বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট আনার প্রক্রিয়া খুব একটা সহজ নয়। কার্যত এক বিচারপতির বিরুদ্ধে যে প্রক্রিয়ায় ইমপিচমেন্ট আনতে হয়, মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের ক্ষেত্রেও তাই। তবে এবার সেই প্রক্রিয়া শুরু করে দিল বঙ্গের শাসকদল তৃণমূল। সোমবার মধ্যরাতে তৃণমূলের তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে ইমপিচমেন্ট আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্বে বিরোধী দলের সাংসদদের থেকে স্বাক্ষর সংগ্রহ শুরু করেছে। কৌশলগতভাবে আপাতত ১০০ জন বিরোধী সাংসদের স্বাক্ষর-সহ লোকসভায় জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব আনতে চাইছে বিরোধী শিবির। স্বাক্ষর সংগ্রহে নেতৃত্ব দিচ্ছে তৃণমূল।

নিয়ম অনুযায়ী, সাংবিধানিক পদাসীন কোনও ব্যক্তির বিরুদ্ধে সংসদের যে কোনও কক্ষে ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব আনা যায়। তবে, লোকসভায় কমপক্ষে ১০০ জন এবং রাজ্যসভায় কমপক্ষে ৫০ জন সাংসদকে এই প্রস্তাবে স্বাক্ষর করতে হবে। প্রস্তাব গৃহীত হলে প্রস্তাব পাস করাতে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার সমর্থন প্রয়োজন। লোকসভা এবং রাজ্যসভা মিলিয়ে তৃণমূলের সাংসদ সংখ্যা ৪১ (মৌসম বেনজির নূর ইস্তফা দেওয়ার পরে) জন। সেক্ষেত্রে তৃণমূল অন্যান্য রাজনৈতিক দলের দ্বারস্থ হচ্ছেন বলেই সূত্রের খবর। ইন্ডিয়া জোটের অন্যান্য দলগুলির কাছে সই চাওয়া হতে পারে। তাঁরা সই করলে সর্বভারতীয় স্তরে বিজেপি বিরোধিতার রাজনীতিতে তৃণমূলের উচ্চতা প্রতিষ্ঠিত হবে। আর না-করলে সংশ্লিষ্ট দলগুলির বিজেপি-বিরোধিতার ‘সদিচ্ছা’ নিয়ে প্রশ্ন তোলার অবকাশ থাকবে তৃণমূলের।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe