Mamata Banerjee: ভোটের ফলাফলের পরে কালীঘাটে ডাকা প্রথম সাংবাদিক সম্মেলন শেষ করে যখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘর ছাড়ছিলেন, তখন সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেছিলেন, আমি রাস্তায় ছিলাম, আমি রাস্তায় থাকব, আমি রাস্তার লোক। তবে বিগত প্রায় এই একমাসে তাঁকে পথে নামতে দেখা যায়নি। বরং তিনি জানিয়েছেন, সাংবাদিকদের মুখোমুখি না হয়ে তিনি এবার থেকে ফেসবুক লাইভ করবেন। মাঝে আবার আদালতে গিয়েছিলেন সওয়াল করতে। তবে সেখানে তাঁকে শুনতে হয়েছিল 'চোর' স্লোগান। তবে এবার তিনি শেষ পর্যন্ত পথে নামছেন। ভোট-পরবর্তী পরিস্থিতিতে রাজ্যে বিভিন্ন জায়গায় তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের উপর হামলার অভিযোগ তুলে আন্দোলনের পথে নামতে চলেছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আগামী সপ্তাহে কলকাতায় অবস্থান বিক্ষোভ কর্মসূচির জন্য ইতিমধ্যেই পুলিশের কাছে অনুমতি চাওয়া হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।

তৃণমূলের অভিযোগ, বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকে একাধিক জেলায় তাদের কর্মী-সমর্থকরা আক্রান্ত হচ্ছেন। কোথাও বাড়িঘরে ভাঙচুর, কোথাও আবার রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হতে হচ্ছে বলে দাবি দলের। এই পরিস্থিতির প্রতিবাদ জানাতেই বৃহত্তর গণআন্দোলনের পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দলের শীর্ষ নেতৃত্বের মতে, গণতান্ত্রিক উপায়ে প্রতিবাদ জানানোই তাদের লক্ষ্য এবং সেই কারণেই প্রশাসনের নির্ধারিত নিয়ম মেনেই অবস্থান কর্মসূচির আয়োজন করা হচ্ছে।
রিপোর্ট অনুযায়ী, আগামী ২ জুন এই অবস্থান বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। কর্মসূচিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেও উপস্থিত থাকতে পারেন বলে জানা গিয়েছে। তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কর্মী-সমর্থকরা এই কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। ফলে তা রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
দলের তরফে অভিযোগ করা হয়েছে, ভোটের পর বিরোধী রাজনৈতিক শক্তির মদতে তৃণমূলের বহু কর্মী ও সমর্থককে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হচ্ছে। অনেক পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে বলেও দাবি করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যবাসীর দৃষ্টি আকর্ষণ করতেই অবস্থান বিক্ষোভের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে দলের বক্তব্য।
এদিকে, এই কর্মসূচির জন্য পুলিশের অনুমতি মেলে কি না, সেদিকেও নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের। অনুমতি মিললে আগামী সপ্তাহে কলকাতার রাজনৈতিক অঙ্গনে বড়সড় জমায়েতের সাক্ষী থাকতে পারে শহর। তৃণমূলের দাবি, এই আন্দোলনের মাধ্যমে ভোট-পরবর্তী হিংসার অভিযোগ সামনে তুলে ধরা হবে এবং আক্রান্ত কর্মীদের পাশে থাকার বার্তাও দেওয়া হবে।
{{/usCountry}}এদিকে, এই কর্মসূচির জন্য পুলিশের অনুমতি মেলে কি না, সেদিকেও নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের। অনুমতি মিললে আগামী সপ্তাহে কলকাতার রাজনৈতিক অঙ্গনে বড়সড় জমায়েতের সাক্ষী থাকতে পারে শহর। তৃণমূলের দাবি, এই আন্দোলনের মাধ্যমে ভোট-পরবর্তী হিংসার অভিযোগ সামনে তুলে ধরা হবে এবং আক্রান্ত কর্মীদের পাশে থাকার বার্তাও দেওয়া হবে।
{{/usCountry}}