TMC Lok Sabha Party Split: তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে নতুন করে ভাঙনের জল্পনা ঘিরে রাজনৈতিক মহলে চর্চা তুঙ্গে। বিধানসভায় দলের একাংশ আলাদা অবস্থান নেওয়ার পর এবার লোকসভাতেও একই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হচ্ছে। এই জল্পনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। রিপোর্টের দাবি, সোমবার লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কাছে একটি চিঠি জমা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন কয়েকজন বিক্ষুব্ধ তৃণমূল সাংসদ। ওই দিনই দিল্লিতে ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকে উপস্থিত থাকার কথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দলের লোকসভার নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, সেই দিনই লোকসভায় দলের অভ্যন্তরীণ মতবিরোধ প্রকাশ্যে আসতে পারে।

২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল ২৯টি আসনে জয়ী হয়েছিল। তবে বসিরহাটের সাংসদ শেখ হাজি নুরুল ইসলামের মৃত্যুর পর বর্তমানে লোকসভায় দলের সাংসদ সংখ্যা ২৮। দলত্যাগ বিরোধী আইনের জটিলতা এড়াতে দলের দুই-তৃতীয়াংশ সাংসদকে একত্রিত করার চেষ্টা চলছে বলেও সূত্রের দাবি। দিল্লিতে একাধিক সাংসদের উপস্থিতির খবর সামনে এসেছে। সূত্র অনুযায়ী, পার্থ ভৌমিক, অসিত মাল, ইউসুফ পাঠান এবং জগদীশচন্দ্র বর্মা বসুনিয়ার নাম বিক্ষুব্ধ শিবিরের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে। পাশাপাশি কয়েকজন সেলিব্রিটি সাংসদও এই তৎপরতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিচ্ছেন বলে জানা গিয়েছে।
এদিকে কাকলি ঘোষ দস্তিদার ইতিমধ্যেই প্রকাশ্যে নিজের অবস্থান জানিয়েছেন। রাজ্যসভার সাংসদ সুখেন্দুশেখর রায়ও বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছেন। সূত্রের দাবি, বিক্ষুব্ধ সাংসদদের সংখ্যা শেষ পর্যন্ত ১৮-তে পৌঁছতে পারে। স্পিকারের কাছে যাওয়ার আগে তাঁরা বৈঠকও করতে পারেন। তবে এই জল্পনা নিয়ে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, লোকসভার সাংসদদের পক্ষ থেকে তাঁর সঙ্গে কেউ যোগাযোগ করেননি। অন্যদিকে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যও দাবি করেছেন, তৃণমূলের কোনও নেতার সঙ্গে তাঁদের দলের কোনও যোগাযোগ হয়নি। ফলে সোমবারের ঘটনাপ্রবাহের দিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।