ইভিএম বদলের ভয় থেকে শুরু করে কারচুপির আশঙ্কা। এরই সঙ্গে তৃণমূল কর্মীদের চাঙ্গা রাখার তাগিদ। সব মিলিয়ে গণনার আগে তৃণমূলের অন্দরে জোর প্রস্তুতি চলছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর আগেই এক ভিডিয়ো বার্তায় বলেছিলেন, তিনি প্রেস কনফারেন্স করে না বলা পর্যন্ত যাতে কাউন্টিং টেবিল ছেড়ে কেউ না যায়। আর এবার গণনার জন্য বিশেষ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করল ঘাসফুল শিবির। মূলত সাংসদ এবং বর্ষীয়ান নেতাদের এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

রিপোর্ট অনুযায়ী, উত্তর ২৪ পরগনার কাউন্টিং অবজার্ভার করা হয়েছে সৌগত রায়, পার্থ ভৌমিককে, দমদম ও ব্যারাকপুরের জন্য আলাদা ভাবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে প্রাক্তন আইপিএস তথা তৃণমূলের রাজ্যসভা সদস্য রাজীব কুমারকে। কলকাতা উত্তরের দায়িত্বে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, বিবেক গুপ্ত, কুণাল ঘোষ, স্বপন সমাদ্দার। দক্ষিণ কলকাতার দায়িত্বে অরূপ বিশ্বাস, ফিরহাদ হাকিম। পূর্ব মেদিনীপুরের দায়িত্বে সায়নী ঘোষ, ঋজু দত্ত। পশ্চিম মেদিনীপুরের দায়িত্বে জুন মালিয়া, দেব। হুগলিতে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। হাওড়ায় পুলক রায়, অরূপ রায়, কৈলাস মিশ্র। আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়ির দায়িত্বে সামিরুল ইসলাম। দক্ষিণ দিনাজপুরে জয়প্রকাশ মজুমদার, মালদায় দোলা সেন।
উল্লেখ্য, ভোটের গণনা হবে রাজ্যের ৭৭টি কেন্দ্রে। এই আবহে শেষ ভোট গোণা পর্যন্ত গণনাকেন্দ্রে দলীয় এজেন্টদের থাকতে নির্দেশ দিয়েছে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, বিজেপি নাকি কমিশনের সঙ্গে মিলে কারচুপি করতে পারে গণনায়। তাঁর কথায়, তৃণমূলের প্রাপ্ত ভোট বিজেপির বলে কম্পিউটারে এন্ট্রি কা হতে পারে। এই আবহে সবাইকে নজর রাখতে বলা হয়েছে।
এদিকে কাউন্টিং সুপারভাইজার হিসেবে শুধুমাত্র কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের কেন নিয়োগ করা হবে, কমিশনের এই নির্দেশিকার বিরুদ্ধে প্রশ্ন তুলে আদালতে যায় তৃণমূল। প্রথমে হাইকোর্টে এই সংক্রান্ত মামলা করা হলে তা খারিজ হয়ে যায়। সুপ্রিম কোর্টেও এই মামলায় ধাক্কা খায় তৃণমূল। এই মামলায় সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, 'কাউন্টিং সুপারভাইজার এবং কাউন্টিং অ্যাসিস্ট্যান্ট কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী হতে পারেন, আবার রাজ্য সরকারি কর্মীও হতে পারেন। সুতরাং, যখন এই বিকল্পটি নিয়মেই রয়েছে, তখন কমিশন সিদ্ধান্ত নিতেই পারে দু’জনই কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মী থাকবেন। এতে কোনও নিয়ম ভঙ্গ হচ্ছে না।' তৃণমূলের আইনজীবী কপিল সিব্বল এরপর বলেন, 'না না এমনটা হতে পারে না।' বিচারপতি তখন পালটা প্রশ্ন করেন, 'কেন হতে পারে না?' যদিও পরে মুখ রক্ষা করতে তৃণমূলের তরফ থেকে দাবি করা হয়, সুপ্রিম কোর্ট তাদের আবেদন খারিজ করে দেয়নি।
{{/usCountry}}এদিকে কাউন্টিং সুপারভাইজার হিসেবে শুধুমাত্র কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের কেন নিয়োগ করা হবে, কমিশনের এই নির্দেশিকার বিরুদ্ধে প্রশ্ন তুলে আদালতে যায় তৃণমূল। প্রথমে হাইকোর্টে এই সংক্রান্ত মামলা করা হলে তা খারিজ হয়ে যায়। সুপ্রিম কোর্টেও এই মামলায় ধাক্কা খায় তৃণমূল। এই মামলায় সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, 'কাউন্টিং সুপারভাইজার এবং কাউন্টিং অ্যাসিস্ট্যান্ট কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী হতে পারেন, আবার রাজ্য সরকারি কর্মীও হতে পারেন। সুতরাং, যখন এই বিকল্পটি নিয়মেই রয়েছে, তখন কমিশন সিদ্ধান্ত নিতেই পারে দু’জনই কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মী থাকবেন। এতে কোনও নিয়ম ভঙ্গ হচ্ছে না।' তৃণমূলের আইনজীবী কপিল সিব্বল এরপর বলেন, 'না না এমনটা হতে পারে না।' বিচারপতি তখন পালটা প্রশ্ন করেন, 'কেন হতে পারে না?' যদিও পরে মুখ রক্ষা করতে তৃণমূলের তরফ থেকে দাবি করা হয়, সুপ্রিম কোর্ট তাদের আবেদন খারিজ করে দেয়নি।
{{/usCountry}}