...
...
Next Story

TMC Vs BJP Post Poll Violence: ভোট শেষ হতে না হতেই বৃষ্টিস্নাত কলকাতায় মার খেল তৃণমূল, মাথা ফাটল প্রাক্তন কাউন্সিলরের

Behala Post Poll Violence: ১২৯ নম্বর ওয়ার্ডের রবীন্দ্রনগর রামকৃষ্ণ পল্লিতে তৃণমূল কর্মীদের বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় বেহালা পশ্চিমের তৃণমূল প্রার্থী রত্না চট্টোপাধ্যায় প্রশ্ন তোলেন, 'এরা (বিজেপি) কখনও ক্ষমতায় এলে বাংলায় আমরা বাঁচতে পারব?'

Published on: Apr 30, 2026 07:22 AM IST
Advertisement

Behala Post Poll Violence: নির্বাচন মোটের ওপর নির্বিঘ্নেই কেটে গেছে। বহু বছর পরে বাংলায় এমন কোনও ভোট হল যেখানে রাজনৈতিক হিংসায় প্রাণ হারাতে হয়নি কাউকে। তবে ভোট শেষ হতে না হতেই কলকাতার বেহালায় রক্ত ঝরল। অভিযোগ, বিজেপি কর্মীদের হাতে মার খেতে হল তৃণমূলকে। ঘটনাটি ঘটেছে ১২৯ নম্বর ওয়ার্ডের রবীন্দ্রনগর রামকৃষ্ণ পল্লিতে। ইট, বাঁশ দিয়ে তৃণমূল কর্মীদের বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় বেহালা পশ্চিমের তৃণমূল প্রার্থী রত্না চট্টোপাধ্যায় প্রশ্ন তোলেন, 'এরা কখনও ক্ষমতায় এলে বাংলায় আমরা বাঁচতে পারব?'

হামলার ঘটনায় জখম হয়েছেন ১২৯ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর ও রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেসের সাংগঠনিক সম্পাদক অঞ্জন দাস
হামলার ঘটনায় জখম হয়েছেন ১২৯ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর ও রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেসের সাংগঠনিক সম্পাদক অঞ্জন দাস

জানা গিয়েছে, এই ঘটনায় জখম হয়েছেন ১২৯ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর ও রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেসের সাংগঠনিক সম্পাদক অঞ্জন দাস। বিজেপি কর্মীদের হামলায় নাকি তাঁর মাথা ফেটেছে। এছাড়া আরও বেশ কয়েকজন তৃণমূল কর্মী-সমর্থক আহত হয়েছেন এই হামলায়। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাঁকে এসএসকেএম হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। বাকিদের চিকিৎসা চলছে বিদ্যাসাগর হাসপাতালে। তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, ভোটগ্রহণ শেষে তাদের দলের কর্মীদের পার্টি অফিসে ঢুকে মারধর করা হয়েছিল।

এই হিংসা প্রসঙ্গে রত্না বলেন, 'আজকে সারাদিন কোথাও কোনও গন্ডগোল হয়নি। শুধু ১২৭ নম্বর ওয়ার্ডে ছোট একটা ঘটনা ঘটেছিল। আমরা আমাদের ছেলেদের বলে দিয়েছিলাম, ওরা প্ররোচনা দেবে, তাতে যেন কেউ পা না দেয়। তবে ভোট শেষে বিজেপির ছেলেরা আমাদের একটা ছেলেকে মারছিল। অঞ্জনদা সেটা শুনে যান। অঞ্জনদা কিছু বলার আগেই মারধর শুরু করে। অঞ্জনদা-সহ পাঁচজনকে বেধড়ক মেরেছে। লাঠি, ইট দিয়ে মেরেছে। একজনের মাথায় একাধিক স্টিচ পড়েছে। হাত ভেঙে দিয়েছে। একজনের অবস্থা গুরুতর। আমরা থানাকে জানিয়েছি। দু-একজনকে গ্রেফতার করেছে। সবাইকে গ্রেফতার না করা পর্যন্ত ছাড়ব না। এরা কখনও ক্ষমতায় এলে বাংলায় আমরা বাঁচতে পারব?'

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe