নির্বাচনের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হতেই বিভিন্ন জায়গায় প্রকাশ্যে চলে এসেছে তৃণমূলের অন্তর্দ্বন্দ্ব। এই আবহে এবার ঝামেলা দেখা গেল দক্ষিণ কলকাতায়। যাবপুর আসনের তৃণমূল প্রার্থী তথা কলকাতা পুরসভার মেয়র পারিষদ দেবব্রত মজুমদারের বিরুদ্ধে নাকি গলা চড়িয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দলেরই তিন কাউন্সিলর। দেবব্রত মজুমদার নিজে ৯৬ ওয়ার্ডের কাউন্সিলর। তিনি যাদবপুরের বিদায়ী বিধায়কও বটে। আবার ভোটের টিকিট পেয়ে তিনি এলাকার তৃণমূল নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন। সেখানে তৃণমূলের তিন কাউন্সিলরের সঙ্গে নাকি তাঁর বাগবিতণ্ডা হয়।

রিপোর্ট অনুযায়ী, কলকাতা পুরনিগমের ১০৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাঁপুই পাড়ায় দলীয় কার্যালয়ে বৈঠক চলাকালীন এই ঝামেলা হয়। বৈঠকের সময় ২০২৬ সালের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত হতে চলা পুরভোট নিয়ে দলীয় কাউন্সিলরদের বার্তা দেন দেবব্রত। আর সেই বার্তা শুনেই তেলে বেগুনে জ্বলে ওঠেন তিন তৃণমূল কাউন্সিলর। জানা গিয়েছে, দেবব্রত মজুমদার বলেন, অভিষেকের নির্দেশ অনুযায়ী, 'এ বারের নির্বাচনে কাউন্সিলরদের কাজের পারফরম্যান্স খতিয়ে দেখা হবে। আর সেই ভিত্তিতেই মূল্যায়ন করা হবে।' দেবব্রত বোঝাতে চান, কাজের নিরিখেই পুরভোটে টিকিট দেওয়া হবে কাউন্সিলরদের।
আর এই শুনে চিৎকার করে ওঠেন বৈঠকে উপস্থিত থাাকা দলেরই তিন কাউন্সিলর। ক্ষোভ প্রকাশ করে কাউন্সিলররা নাকি বলেন, 'আমাদের অবিশ্বাস করা হচ্ছে। এইভাবে অপমান করার কোনও মানে হয় না। আমরা এর শেষ দেখে ছাড়ব। যাদবপুরের ধমকের চমকের রাজনীতি চলবে না। এটা যেন প্রার্থী ভালো করে বুঝে নেন।' এরই সঙ্গে আসন্ন বিধানসভা ভোটের সময় নিষ্ক্রিয় থাকার হুমকিও দেন তাঁরা। এর জবাবে নাকি দেবব্রত মজুমদার আবার সেই তিন কাউন্সিলরের উদ্দেশে পালটা টিপ্পনি করেন, 'এই কারণেই কি বিধায়ক হওয়ার জন্য সিভি পাঠিয়েছিলেন আপনারা?' এতে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
এরপর ১০১ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্ত সেই তিন কাউন্সিলরের উদ্দেশে নাকি বলেন, '২০২৪ সালে যখন কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম কলকাতার কাউন্সিলরদের নিয়ে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে এই একই বার্তা দিয়েছিলেন, তখন কেন এই কাউন্সিলররা মুখ বন্ধ করেছিলেন? অভিষেকের বার্তা প্রত্যেককে শুনতে হবে। এটা নির্দেশ দলের।' এদিকে জানা গিয়েছে, ঝামেলার বিষয়টি তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের কানে পৌঁছেছে। এই পরিস্থিতিতে ভোটের সময় সেই তিন কাউন্সিলরের কাজের ওপর নজর থাকবে দলের। এভাবে প্রার্থীর সঙ্গে বচসায় জড়ানোয় কাউন্সিলদের ওপর ক্ষুব্ধ নেতৃত্ব।
{{/usCountry}}এরপর ১০১ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্ত সেই তিন কাউন্সিলরের উদ্দেশে নাকি বলেন, '২০২৪ সালে যখন কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম কলকাতার কাউন্সিলরদের নিয়ে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে এই একই বার্তা দিয়েছিলেন, তখন কেন এই কাউন্সিলররা মুখ বন্ধ করেছিলেন? অভিষেকের বার্তা প্রত্যেককে শুনতে হবে। এটা নির্দেশ দলের।' এদিকে জানা গিয়েছে, ঝামেলার বিষয়টি তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের কানে পৌঁছেছে। এই পরিস্থিতিতে ভোটের সময় সেই তিন কাউন্সিলরের কাজের ওপর নজর থাকবে দলের। এভাবে প্রার্থীর সঙ্গে বচসায় জড়ানোয় কাউন্সিলদের ওপর ক্ষুব্ধ নেতৃত্ব।
{{/usCountry}}