Tarapith hotel fire: শ্রাবণ মাসের শেষ সোমবারে তারাপীঠে পুজো দিতে গিয়ে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! সোমবার ভোরে তারাপীঠ থানার ঠিক পাশেই একটি হোটেলে বিধ্বংসী আগুন লাগার ঘটনায় অন্তত সাতজন পুণ্যার্থীর দগ্ধ হয়ে মৃত্যুর খবর মিলেছে (Tarapith hotel fire)। এই ঘটনায় গুরুতর জখম হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন। তাঁদের দ্রুত উদ্ধার করে রামপুরহাট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে এই ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যেই সামনে এসেছে এক পরিবারের প্রাণে বেঁচে যাওয়ার শিউরে ওঠা কাহিনী।

হোটেলের মধ্যে থাকা ওই পর্যটক জানিয়েছেন, রাতের অন্ধকার কেটে তখন সবে মাত্র ভোরের আলো সবে ফুটতে শুরু করেছে। আচমকা বিকট শব্দ হতে থাকে। তাঁদের রুম ততক্ষণে ধোঁয়ায় ভরে গেছে। পালানোর চেষ্টায় দরজা খুলতেই দেখতে পান আগুনের লেলিহান শিখা যেন তেড়ে আসছে তাঁদের দিকে। দুটো ছোট ছোট বাচ্চা, স্ত্রীকে নিয়ে কী করবেন বুঝে উঠতে না পেরে বাথরুমে ঢুকে দরজা আটকে দেন তিনি। তারাপীঠে বেড়াতে আসা পর্যটক তপজ্যোতি মণ্ডলের কথায়, '৪৫ মিনিটের মধ্যে মনে হচ্ছিল সব শেষ। রুমের দরজা খুলে যখন বেরোতে যাচ্ছিলাম, দেখি রিসেপশনের সামনে থেকে আগুনের লেলিহান শিখা এগিয়ে আসছে। বাধ্য হয়ে বাথরুমে ঢুকে পড়েছিলাম দুটো বাচ্চা, স্ত্রীকে নিয়ে। দরজা আটকে রেখেছিলাম যাতে কোনওভাবে ধোঁয়া ভিতরে না ঢোকে। তারপর জল চালিয়ে দিয়ে...জানলা ভেঙে নিশ্বাস নেওয়ার চেষ্টা করছিলাম। ৪৫ মিনিট পর পুলিশ গিয়ে আমাদের উদ্ধার করে।' তবে ধোঁয়ায় দমবন্ধ পরিস্থিতিতে অসুস্থ হয়ে পড়েন তপজ্যোতি মণ্ডলের বৃদ্ধা মা। দুই বোনও হোটেল আটকে অসুস্থ হয়ে পড়েন।
জানা গেছে, হোটেলের মধ্যেই ঘুমন্ত অবস্থাতেই অনেকে ঝলসে গিয়েছেন। অনেকে পালানোর চেষ্টা করতে গিয়ে পুড়ে গেছেন। পুলিশ গিয়ে পিছনের সিঁড়ি দিয়ে বহু পর্যটককে নামিয়ে এনেছেন। মালদহের বাসিন্দা এমন এক পর্যটককে হোটেল রুম থেকে বাঁচানো গেলেও, রাস্তায় দাঁড়িয়ে তিনি হাঁ করে তাকিয়ে আছেন সেদিকেই। মা-ভাই-ভাইয়ের বৌ, কাউকে খুঁজে না পেয়ে উদ্ভ্রান্তের মতো ঘুরছেন বলে জানিয়েছেন তিনি। ইতিমধ্যে প্রশাসনের তরফে গোটা হোটেল চত্বর ঘিরে ফেলা হয়েছে। তার মধ্যেই এক ভয়ংকর ছবি দেখা গেল হোটেলের মেইন গেটের সামনে। কাঁধ পর্যন্ত ঝলসে যাওয়া এক ব্যক্তি রাস্তায় বসে রয়েছেন। মুখ-মাথা দেখলে চেনার উপায় নেই! তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায় দমকল-পুলিশ। এদিকে, ওই হোটেলের মালিককে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ। হোটেলটিতে উত্তর ২৪ পরগনা ছাড়াও মালদহ, আলিপুরদুয়ার-সহ বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পুণ্যার্থীরা উঠেছিলেন। তবে মৃতদের সঠিক পরিচয় ও নাম এখনও পর্যন্ত সম্পূর্ণভাবে জানা যায়নি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে উদ্ধারকাজ ও তদন্ত জারি রয়েছে। তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন দমকলমন্ত্রী কৌশিক চৌধুরি। ঘটনার জেরে গোটা তারাপীঠ জুড়ে তীব্র শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
{{/usCountry}}জানা গেছে, হোটেলের মধ্যেই ঘুমন্ত অবস্থাতেই অনেকে ঝলসে গিয়েছেন। অনেকে পালানোর চেষ্টা করতে গিয়ে পুড়ে গেছেন। পুলিশ গিয়ে পিছনের সিঁড়ি দিয়ে বহু পর্যটককে নামিয়ে এনেছেন। মালদহের বাসিন্দা এমন এক পর্যটককে হোটেল রুম থেকে বাঁচানো গেলেও, রাস্তায় দাঁড়িয়ে তিনি হাঁ করে তাকিয়ে আছেন সেদিকেই। মা-ভাই-ভাইয়ের বৌ, কাউকে খুঁজে না পেয়ে উদ্ভ্রান্তের মতো ঘুরছেন বলে জানিয়েছেন তিনি। ইতিমধ্যে প্রশাসনের তরফে গোটা হোটেল চত্বর ঘিরে ফেলা হয়েছে। তার মধ্যেই এক ভয়ংকর ছবি দেখা গেল হোটেলের মেইন গেটের সামনে। কাঁধ পর্যন্ত ঝলসে যাওয়া এক ব্যক্তি রাস্তায় বসে রয়েছেন। মুখ-মাথা দেখলে চেনার উপায় নেই! তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায় দমকল-পুলিশ। এদিকে, ওই হোটেলের মালিককে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ। হোটেলটিতে উত্তর ২৪ পরগনা ছাড়াও মালদহ, আলিপুরদুয়ার-সহ বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পুণ্যার্থীরা উঠেছিলেন। তবে মৃতদের সঠিক পরিচয় ও নাম এখনও পর্যন্ত সম্পূর্ণভাবে জানা যায়নি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে উদ্ধারকাজ ও তদন্ত জারি রয়েছে। তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন দমকলমন্ত্রী কৌশিক চৌধুরি। ঘটনার জেরে গোটা তারাপীঠ জুড়ে তীব্র শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
{{/usCountry}}