Trinamool Congress Update: নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ভাবে অনুষ্ঠিত করার জন্য এলাকার 'দাগি অপরাধীদের' ধরার নির্দেশ দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। সেই মতো নির্বাচনের তিনদিন আগে চার জেলাতেই শতাধিক দাগিকে ধরেছে পুলিশ। এরই মাঝে এবার হাইকোর্টের দ্বারস্থ হল তৃণমূল কংগ্রেস। শাসকদলের বক্তব্য, নির্বাচনের আগে ৮০০ তৃণমূল কর্মীকে গ্রেফতার করা হতে পারে। সোমবার প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থসারথি সেনের বেঞ্চে মামলা দায়েরের অনুমতি দিয়েছে।

রিপোর্ট অনুযায়ী, ভোটের আগে কোচবিহার, মালদহ, মুর্শিদাবাদ ও দক্ষিণ ২৪ পরগণার থেকে ১৩৫ জন দাগি অপরাধীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এর আগে তৃণমূল সুপ্রিমো অভিযোগ করেছিলেন, তৃণমূলের অনেককে গ্রেফতার করে নাকি নির্বাচনে 'ষড়যন্ত্র' করা হচ্ছে। তৃণমূলের অভিযোগ, বিজেপির অঙ্গুলিহেলনে কমিশন তৃণমূলের কর্মীদের গ্রেফতারের নির্দেশ দিয়েছে পুলিশকে। এই আবহে কমিশনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করার সিদ্ধান্ত নিল ঘাসফুল শিবির।
এই আবহে আজ উচ্চ আদালতে তৃণমূল নেতা তথা আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, পুলিশকে নাকি ৮০০ তৃণমূল কর্মীর নাম দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এই আবহে কল্যাণের আবেদন, অবিলম্বে আদালত এই বিষয়ে হস্তক্ষেপ করুক। এমনিতে এবারে নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ভাবে করতে কমিশন আগেভাগে প্রস্তুতি নিয়েছিল। আদর্শ আচরণবিধি কার্যকর হওয়ার পরপরই রাজ্যের পুলিশ প্রশাসনে রদবদল করা হয়। এরপর থেকেও ওসি থেকে শুরু করে উচ্চ পদে থাকা আধিকারিদের বদলি করেছে নির্বাচন কমিশন। এদিকে ভোটের আগে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় অপরাধীদের ধরতে না পারায় কমিশনের ভর্ৎসনার মুখেও পড়তে হয়েছে পুলিশকে। এই সবের মাঝেই ভোটের মুখে জেলায় জেলায় দাগিদের ধরতে তৎপরতা বাড়িয়েছে পুলিশ। তারই মধ্যে নিজেদের দলের ৮০০ কর্মীর গ্রেফতার শঙ্কায় উচ্চ আদালতে রাজ্যের শাসকদল।