...
...
Next Story

Trinamool Congress: ভোটের আগে ১৩৫ দাগি অপরাধীকে ধরল পুলিশ, ৮০০ কর্মীর গ্রেফতারির শঙ্কায় আদালতে গেল তৃণমূল

Trinamool Congress Update: হাইকোর্টের দ্বারস্থ হল তৃণমূল কংগ্রেস। শাসকদলের বক্তব্য, নির্বাচনের আগে ৮০০ তৃণমূল কর্মীকে গ্রেফতার করা হতে পারে। সোমবার প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থসারথি সেনের বেঞ্চে মামলা দায়েরের অনুমতি দিয়েছে।

Published on: Apr 20, 2026, 13:27:40 IST
Advertisement

Trinamool Congress Update: নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ভাবে অনুষ্ঠিত করার জন্য এলাকার 'দাগি অপরাধীদের' ধরার নির্দেশ দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। সেই মতো নির্বাচনের তিনদিন আগে চার জেলাতেই শতাধিক দাগিকে ধরেছে পুলিশ। এরই মাঝে এবার হাইকোর্টের দ্বারস্থ হল তৃণমূল কংগ্রেস। শাসকদলের বক্তব্য, নির্বাচনের আগে ৮০০ তৃণমূল কর্মীকে গ্রেফতার করা হতে পারে। সোমবার প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থসারথি সেনের বেঞ্চে মামলা দায়েরের অনুমতি দিয়েছে।

তৃণমূলের বক্তব্য, নির্বাচনের আগে ৮০০ তৃণমূল কর্মীকে গ্রেফতার করা হতে পারে।
তৃণমূলের বক্তব্য, নির্বাচনের আগে ৮০০ তৃণমূল কর্মীকে গ্রেফতার করা হতে পারে।

রিপোর্ট অনুযায়ী, ভোটের আগে কোচবিহার, মালদহ, মুর্শিদাবাদ ও দক্ষিণ ২৪ পরগণার থেকে ১৩৫ জন দাগি অপরাধীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এর আগে তৃণমূল সুপ্রিমো অভিযোগ করেছিলেন, তৃণমূলের অনেককে গ্রেফতার করে নাকি নির্বাচনে 'ষড়যন্ত্র' করা হচ্ছে। তৃণমূলের অভিযোগ, বিজেপির অঙ্গুলিহেলনে কমিশন তৃণমূলের কর্মীদের গ্রেফতারের নির্দেশ দিয়েছে পুলিশকে। এই আবহে কমিশনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করার সিদ্ধান্ত নিল ঘাসফুল শিবির।

এই আবহে আজ উচ্চ আদালতে তৃণমূল নেতা তথা আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, পুলিশকে নাকি ৮০০ তৃণমূল কর্মীর নাম দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এই আবহে কল্যাণের আবেদন, অবিলম্বে আদালত এই বিষয়ে হস্তক্ষেপ করুক। এমনিতে এবারে নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ভাবে করতে কমিশন আগেভাগে প্রস্তুতি নিয়েছিল। আদর্শ আচরণবিধি কার্যকর হওয়ার পরপরই রাজ্যের পুলিশ প্রশাসনে রদবদল করা হয়। এরপর থেকেও ওসি থেকে শুরু করে উচ্চ পদে থাকা আধিকারিদের বদলি করেছে নির্বাচন কমিশন। এদিকে ভোটের আগে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় অপরাধীদের ধরতে না পারায় কমিশনের ভর্ৎসনার মুখেও পড়তে হয়েছে পুলিশকে। এই সবের মাঝেই ভোটের মুখে জেলায় জেলায় দাগিদের ধরতে তৎপরতা বাড়িয়েছে পুলিশ। তারই মধ্যে নিজেদের দলের ৮০০ কর্মীর গ্রেফতার শঙ্কায় উচ্চ আদালতে রাজ্যের শাসকদল।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe