...
...
Next Story

Trinamool Congress Latest Update: মমতার সঙ্গ ছেড়ে বিদ্রোহী আরও ৩? ঋতব্রত শিবিরের ৪ বিধায়ক নিয়ে পালটা দাবি কালীঘাটের

ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়-ঘনিষ্ঠ শিবির দাবি করে, আরও তিন জন ‘মমতাপন্থী’ বা ‘কালীঘাটপন্থী’ বিধায়ক তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। তাদের দাবি, এর ফলে তাঁদের সমর্থনকারী বিধায়কের সংখ্যা ৬৫ থেকে বেড়ে ৬৮-তে পৌঁছেছে।

Published on: Jun 30, 2026, 08:51:00 IST
Advertisement

ওবিসি সংশোধনী বিল থেকে গুন্ডাদমন বিল—গুরুত্বপূর্ণ আইন পাসকে ঘিরে দিনভর উত্তপ্ত ছিল বিধানসভা। বিরোধীদের হইচই, প্রতিবাদ ও রাজনৈতিক তরজার মধ্যেও শাসকদল তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে চলল অন্য লড়াই। কে কতজন বিধায়কের সমর্থন পাচ্ছে, তা নিয়ে দিনভর পাল্টাপাল্টি দাবি-দাওয়ায় সরগরম হয়ে ওঠে দুই শিবির।

কুণাল ঘোষের বক্তব্য, ঋতব্রত শিবিরের চার জন বিধায়ক তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন এবং সেই কারণেই তাঁরা বিলের ভোটাভুটিতে অংশ নেননি।
কুণাল ঘোষের বক্তব্য, ঋতব্রত শিবিরের চার জন বিধায়ক তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন এবং সেই কারণেই তাঁরা বিলের ভোটাভুটিতে অংশ নেননি।

অধিবেশন শুরুর পর প্রথমে ওবিসি সংশোধনী বিল পেশ হয়। সেই সময় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়-ঘনিষ্ঠ শিবির দাবি করে, আরও তিন জন ‘মমতাপন্থী’ বা ‘কালীঘাটপন্থী’ বিধায়ক তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। তাদের দাবি, এর ফলে তাঁদের সমর্থনকারী বিধায়কের সংখ্যা ৬৫ থেকে বেড়ে ৬৮-তে পৌঁছেছে। যদিও ওই তিন বিধায়কের পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি এবং তাঁদের তরফেও কোনও মন্তব্য সামনে আসেনি।

দুপুর গড়িয়ে বিকেলে ছবিটা বদলে যায়। গুন্ডাদমন বিলের ভোটাভুটিকে সামনে রেখে পাল্টা দাবি করেন কুণাল ঘোষ। তাঁর বক্তব্য, ঋতব্রত শিবিরের চার জন বিধায়ক তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন এবং সেই কারণেই তাঁরা বিলের ভোটাভুটিতে অংশ নেননি।

গুন্ডাদমন বিলের ভোটাভুটিতে বিলের পক্ষে পড়ে ১৭৬টি ভোট। বিরোধিতা করেন ৪১ জন বিধায়ক। অন্যদিকে ২০ জন ভোটদান থেকে বিরত থাকেন, যাঁদের কালীঘাটপন্থী শিবিরের সদস্য বলে দাবি করা হয়। তবে ঋতব্রত শিবিরের মোট বিধায়ক সংখ্যা ৪৫ বলে দাবি করা হলেও বিপক্ষে ভোট পড়ে ৪১টি। এই চার ভোটের ব্যবধানকেই হাতিয়ার করে কুণাল ঘোষ দাবি করেন, ওই চার জনই তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করে ভোটদান থেকে বিরত থেকেছেন।

এদিকে বিধানসভায় বিরোধীদের প্রবল আপত্তি সত্ত্বেও সরকার ওবিসি সংশোধনী বিল এবং গুন্ডাদমন বিল-সহ গুরুত্বপূর্ণ আইন পাস করিয়ে নিতে সক্ষম হয়। সংখ্যার নিরিখে বিরোধীদের পক্ষে বিল রুখে দেওয়া সম্ভব ছিল না। তবে দিনের শেষে আইন প্রণয়নের চেয়ে বেশি আলোচনায় উঠে আসে তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ সমীকরণ।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe