...
...
Next Story

Tulu Mondal: অফিস সিল-মেয়ের পেট্রোল পাম্পে তালা! দুবাইয়ে গা-ঢাকা টুলুর, ৮টি পাথর খাদান বন্ধের নোটিস

Tulu Mondal: জানা গিয়েছে, শনিবার রাতে মিনার মণ্ডলকে সঙ্গে নিয়ে টুলু মণ্ডলের মহম্মদ বাজারের সোঁতশালে এলাকার পাথর ব্যবসার মূল অফিসে হানা দিয়েছিলেন পুলিশ আধিকারিকরা। অফিসের ভেতরে ঢুকে দীর্ঘক্ষণ তল্লাশি চালান তাঁরা।

Published on: Aug 2, 2026, 19:22:12 IST
Advertisement

Tulu Mondal: কোটি কোটি টাকা নগদ এবং বিপুল পরিমাণ সোনার গয়না দেখে রাজ্যবাসীর চোখ কপালে উঠেছিল। তখনই সামনে আসে পাথর ব্যবসায়ী টুলু মণ্ডলের নাম। একে একে গ্রেফতার হচ্ছেন শাগরেদরা। কিন্তু খোঁজ নেই টুলু মণ্ডল ওরফে নাজিবুদ্দিন মণ্ডলের। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আগেই জানিয়ে দিয়েছিলেন, টুলু বিদেশে চলে গেছে। এবার জানা যাচ্ছে, , বর্তমানে দুবাইতে মেয়ে জামাইয়ের বাড়িতে রয়েছেন তিনি। সেখানেই নাকি আরামে দিন কাটাচ্ছেন টুলু মণ্ডল। এদিকে পঞ্চায়েত সমিতি সূত্রে খবর, টুলু মণ্ডলের পার্কিংয়ের জমির মধ্যে রয়েছে সরকারি খাস জমিও। তবে তার পরিমাণ কতটা জানা যায়নি। তার পাথরের ব্যবসা কোনও ট্রেড লাইসেন্সও নেই বলেও অভিযোগ উঠেছে। সবটাই খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

টুলু মণ্ডলের অফিসে পুলিশের হানা

অফিস সিল-মেয়ের পেট্রোল পাম্পে তালা! দুবাইয়ে গা-ঢাকা টুলু মণ্ডলের
অফিস সিল-মেয়ের পেট্রোল পাম্পে তালা! দুবাইয়ে গা-ঢাকা টুলু মণ্ডলের

জানা গিয়েছে, শনিবার রাতে মিনার মণ্ডলকে সঙ্গে নিয়ে টুলুর মহম্মদ বাজারের সোঁতশালে এলাকার পাথর ব্যবসার মূল অফিসে হানা দিয়েছিলেন পুলিশ আধিকারিকরা। অফিসের ভেতরে ঢুকে দীর্ঘক্ষণ তল্লাশি চালান তাঁরা। এরপর কিছু ফাইল সেখান থেকে বের করে নিয়ে অফিসটি সিল করে দেন তদন্তকারীরা। কী পাওয়া গিয়েছে তা জানা যায়নি। এই দিকে এই ব্যবসার ট্রেড লাইসেন্স টুলুর কাছে রয়েছে কিনা, সেই প্রশ্ন উঠেছে। পঞ্চায়েত সমিতি সূত্রে জানা গিয়েছে, লাইসেন্স আছে কিনা, তা জানা যায়নি। থাকতেও পারে। আবার না থাকতেও পারে বলে জানিয়েছে সমিতির সূত্র। সমিতিরই এক সূত্র জানাচ্ছে, 'আসলে ট্রেড লাইসেন্স আছে কিনা, তা জানার পরিস্থিতিই ছিল না। টুলু নিজেই সব কন্ট্রোল করতেন।' আরও জানা গিয়েছে, পাথর খাদান ব্যবসা ও ব্যবহৃত পার্কিং এরিয়ার রয়েছে কিছু জমি সরকারি খাস জমি। তার পরিমাণ জানা নেই। মাপ-জোঁক শুরু হলে তা স্পষ্ট হবে।

মেয়ের নামে পেট্রোল পাম্প

পাথর খাদান নিয়ে এবার সক্রিয় হলো রাজ্য প্রশাসন। বিশেষ করে এবার নজর দেওয়া হলো বীরভূমে। কারণ এখানেই টুলু মণ্ডলের বিশাল বেআইনি সম্পত্তির হদিশ পেয়েছে পুলিশ। সাড়ে ২৮ কোটি টাকা নগদ থেকে শুরু করে ১৫ কেজি সোনা উদ্ধার হয়েছে। বীরভূমে পাথর ব্যবসায়ী টুলু মণ্ডলের বিশাল সাম্রাজ্যের হদিশ পেয়েছে পুলিশ-প্রশাসন। এখন কোথায়, কত সম্পত্তি আছে টুলু মণ্ডলের তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। কারণ, টুলু মণ্ডলের পাথর খাদানও অবৈধ ছিল। তাই সেসব তদন্তের সঙ্গেই বীরভূম জেলার অবৈধ খাদানগুলির দিকে কড়া নজর দিয়েছে প্রশাসন। একের পর এক পাথর খাদান বন্ধ করার নোটিস জারি করা হয়েছে। বীরভূম জেলা প্রশাসন আটটি অবৈধ পাথর খাদান বন্ধের নোটিস জারি করেছে।

মহম্মদবাজার ব্লকের ভূমি ও ভূমি সংস্কার আধিকারিক আনন্দ বিশ্বাসের নেতৃত্বে দেওয়ানগঞ্জ মৌজায় সরেজমিনে তদন্ত করতে গিয়েছিলেন। টুলুর আত্মীয় আপেল মোর্তাজার পাথর খাদান রয়েছে সেখানে। বন্ধের নোটিস টাঙিয়ে দেওয়া হয়েছে। শেখ করিবুল, মনোজ টুডু, সারতাজ মোল্লা, শুভধন টুডু, সুনীল সোরেন জেলার ব্যবসায়ী মহলেও টুলু পরিচিত বলে খবর। ওইসব ব্যক্তিদের খাদানগুলিও বন্ধ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে প্রাথমিক খবর। গত মাসেও মহম্মদবাজার এলাকায় ন’টি খাদানে একই ধরনের নোটিস জারি করা হয়েছিল। অবৈধ খাদান বন্ধের জন্য অভিযানও চালানো হবে বলে প্রশাসন সূত্রে বলা হয়েছে। শনিবার মহম্মদবাজারে টুলু মণ্ডলের একটি পার্কিং এলাকা থেকে প্রায় ১৬ লক্ষ সিএফটি (কিউবিক ফুট) পাথর বাজেয়াপ্ত করে ব্লক ভূমি ও ভূমি সংস্কার দফতর। প্রশাসনের দাবি, ওই পাথর বেআইনিভাবে মজুত করা হয়েছিল। একই সঙ্গে টুলু মণ্ডলের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত একাধিক পাথর ব্যবসায়ীর আটটি অবৈধ খাদান বন্ধ করার নোটিশও জারি করা হয়েছে। টুলু মণ্ডলের ভাগ্নে আপেল মোর্তাজার বাড়িতে হানা দিয়েছিল পুলিশ। হানার পরেই তার পাথর খাদানে বন্ধেরও নোটিস টাঙানো হয়েছে।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe