স্বাধীনতা দিবসের আগে চাঞ্চল্য ফেলে দিয়ে উত্তর ২৪ পরগনার হাবড়া থেকে পাকিস্তানি গুপ্তচর সন্দেহে ওয়াহাব আলম ওরফে রানা রউফকে এদিন গ্রেফতার করে রাজ্য পুলিশের এসটিএফ। শুধু রানাই নয়, তাঁর শাগরেদ ইজাজকেও পাকড়াও করেছে পুলিশ। আর তাঁদের জেরা করেই একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে আসে।
নেপাল থেকে বিহার রুটে কলকাতায় রানা.. আইএসআই যোগ?

রানা ও ইজাজকে গ্রেফতারির পর জেরায় একাধিক তথ্য হাতে পেয়েছেন তদন্তকারীরা। এসটিএফ সূত্রের খবর, নেপালের কাঠমান্ডু থেকে বিহারের রক্সৌলের রাস্তা ধরে কলকাতায় আসেন রানা। তাঁকে তপসিয়া থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতারির সময় নিজের নাম ওয়াহাব আলম বলে জানায় রানা। এরপর এসটিএফের কর্তাদের নিজের আধার ও ভোটার কার্ডও দেখায় রানা। সূত্রের খবর, সেই কার্ড যাচাই করে দেখা যায়, ওই ভোটার কার্ডের নাম ২০২৬ সালের এসআইআর প্রক্রিয়ায় বাতিল হয়ে গিয়েছে। এরপর রানার পাকিস্তানি পাসপোর্ট নম্বর হাতে পেয়ে যায় পুলিশ। সেখান থেকেই তাঁর আসল নাম, ঠিকানা রাজ্য পুলিশের হাতে চলে আসে। এখানেই শেষ নয়। তদন্তে অনুমান করা হচ্ছে, রানা বাংলাদেশ যাওয়ার জন্যই কলকাতায় আসেন। সেখানে তাঁর কোনও সন্ত্রাসী পরিকল্পনা ছিল না কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। সূত্রের খবর, রানাকে জেরা করে একাধিক আইএসআই এজেন্টের নাম পেয়েছে পুলিশ, এই নামগুলির মধ্যে জনৈক জেডির নাম মেলে। এদিকে, গ্রেফতারির সময় রানার নোটবুকে কিছু ফোন নম্বর পায় পুলিশ। সেখানে নেপাল, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা এবং বাংলাদেশের নম্বরও রয়েছে।
প্রতিবেশীদের গুডবুকে ইজাজ?
রানাকে জেরা করেই তপসিয়ার ইজাজের খবর পায় পুলিশ। জানা যাচ্ছে, ধৃত ইজাজ ২০ থেকে ২৫ বছর ধরে এলাকার বাসিন্দা। প্রতিবেশীদের চোখে ইজাজ রয়েছেন ভদ্র মানুষ হিসাবে। জানা যাচ্ছে, ইজাজের সম্ভবত কাঠমান্ডুতে যাতায়াত ছিল। ইজাজের মেয়েও সেই কথা স্বীকার করে নিয়েছে বলে খবর। ইজাজের মেয়ে জানিয়েছেন, তাঁর বাবা তপসিয়ায় জুতো তৈরির কাজ করতেন। ইজাজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ মানতে রাজি নয় তাঁর পরিবার। আপাতত এই দুই ধৃতকে ঘিরে পুলিশি তদন্ত জোরদার হচ্ছে।
{{/usCountry}}রানাকে জেরা করেই তপসিয়ার ইজাজের খবর পায় পুলিশ। জানা যাচ্ছে, ধৃত ইজাজ ২০ থেকে ২৫ বছর ধরে এলাকার বাসিন্দা। প্রতিবেশীদের চোখে ইজাজ রয়েছেন ভদ্র মানুষ হিসাবে। জানা যাচ্ছে, ইজাজের সম্ভবত কাঠমান্ডুতে যাতায়াত ছিল। ইজাজের মেয়েও সেই কথা স্বীকার করে নিয়েছে বলে খবর। ইজাজের মেয়ে জানিয়েছেন, তাঁর বাবা তপসিয়ায় জুতো তৈরির কাজ করতেন। ইজাজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ মানতে রাজি নয় তাঁর পরিবার। আপাতত এই দুই ধৃতকে ঘিরে পুলিশি তদন্ত জোরদার হচ্ছে।
{{/usCountry}}