অশোকনগরে পুরনো একাধিক অভিযোগের ভিত্তিতে দুই তৃণমূল নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ধৃতদের নাম মনি গাজি এবং শেখ ইনজামুল ওরফে রনি নামেও পরিচিত। পুলিশের দাবি, তাঁদের বিরুদ্ধে তোলাবাজি, শ্লীলতাহানি এবং সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার মতো একাধিক অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরেই জমা পড়েছিল। সেই অভিযোগগুলির তদন্তে নেমেই সোমবার রাতে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।

জানা গিয়েছে, হাবড়া ২ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ দপ্তরের কর্মাধ্যক্ষ শেখ ইনজামুল ওরফে রনি। ভোটের সময় অশোকনগর থানার ওসির গায়ে হাত তোলার অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধে। এদিকে মনি গাজি হলেন গুমা-২ পঞ্চায়েতের প্রধান জেসমিন গাজির স্বামী। এলাকার দাপুটে নেতা হিসেবে পরিচিত তিনি। বড় বামুনিয়া ও গুমা এলাকায় তোলাবাজি, শ্লীলতাহানি এবং পুলিশকে হেনস্থার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছিল তাঁর বিরুদ্ধে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অশোকনগর এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই ওই দুই নেতার বিরুদ্ধে স্থানীয়দের একাংশের মধ্যে ক্ষোভ ছিল। অভিযোগ, বিভিন্ন সময়ে তাঁরা এলাকায় প্রভাব খাটিয়ে নানা বেআইনি কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। বিশেষ করে পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার ঘটনাতেও তাঁদের নাম উঠে আসে। এছাড়াও তোলাবাজি এবং এক মহিলাকে শ্লীলতাহানির অভিযোগও তদন্তকারীদের নজরে আসে। এরপরই পুলিশ পুরনো মামলাগুলি নতুন করে খতিয়ে দেখা শুরু করে।
সোমবার পুলিশ অভিযান চালিয়ে দুই অভিযুক্তকে আটক করে। পরে তাঁদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়। ধৃতদের বিরুদ্ধে একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে বলে খবর। মঙ্গলবার তাঁদের আদালতে তোলা হতে পারে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। ঘটনার পর এলাকায় রাজনৈতিক মহলেও চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বিরোধীরা এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শাসকদলকে নিশানা করতে শুরু করেছে। যদিও এই বিষয়ে তৃণমূলের তরফে এখনও বিস্তারিত কোনও প্রতিক্রিয়া সামনে আসেনি।
{{/usCountry}}সোমবার পুলিশ অভিযান চালিয়ে দুই অভিযুক্তকে আটক করে। পরে তাঁদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়। ধৃতদের বিরুদ্ধে একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে বলে খবর। মঙ্গলবার তাঁদের আদালতে তোলা হতে পারে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। ঘটনার পর এলাকায় রাজনৈতিক মহলেও চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বিরোধীরা এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শাসকদলকে নিশানা করতে শুরু করেছে। যদিও এই বিষয়ে তৃণমূলের তরফে এখনও বিস্তারিত কোনও প্রতিক্রিয়া সামনে আসেনি।
{{/usCountry}}