WB Underground Power Line: ঘূর্ণিঝড়েও কারেন্ট থাকবে! বারুইপুর, চন্দননগর-সহ ৪ শহরে কাজ শেষ, আসানসোল-শিলিগুড়িতে কবে?
WB Underground Electricity Line: বারুইপুর, চন্দননগর-সহ চার শহরে মাটির তলা দিয়ে বিদ্যুতের তার নিয়ে যাওয়ার কাজ শেষ হয়ে গিয়েছে। বড় কাজ করল পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থা। কবে আসানসোল এবং শিলিগুড়িতে কাজ শেষ হতে চলেছে?
WB Underground Power Line: একটু ঝড়-বৃষ্টি হলেই কারেন্ট চলে যাওয়ার দিন শেষ হয়ে গেল। কারণ চন্দননগর, বারুইপুর, খড়্গপুর এবং রাজারহাটে মাটির তলা দিয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ করার জন্য যে কাজ ছিল, তা শেষ করে ফেলল পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থা। তাছাড়াও অনেকটা কাজ এগিয়ে গিয়েছে আসানসোল এবং শিলিগুড়িতে। আসানসোলে ৮০ শতাংশ কাজ সম্পূর্ণ হয়ে গিয়েছে। শিলিগুড়িতে সম্পূর্ণ হয়ে গিয়েছে ৫০ শতাংশ কাজ। সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থার আধিকারিকরা আশা করছেন যে সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী নভেম্বরের মধ্যেই ওই দুই শহরে কাজ শেষ হয়ে যাবে।

মাটির তলা দিয়ে বিদ্যুতের তার যাওয়ার ফলে কী লাভ হবে?
সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, মাটির তলা দিয়ে বিদ্যুতের তার গেলে ঝড়, প্রবল বৃষ্টি বা ঘূর্ণিঝড়ের মতো পরিস্থিতিতেও বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার সম্ভাবনা কমবে। মাটির উপর দিয়ে তার নিয়ে গেলে এরকম পরিস্থিতিতে দ্রুত কারেন্ট চলে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। কমবে বিদ্যুতের তারের সংস্পর্শে এসে বিপদের আশঙ্কা। যা হয়েছিল আমফানের সময়ও। কিন্তু মাটির তলা দিয়ে তার নিয়ে গেলে সেই সম্ভাবনা অনেকটাই কমে যায়। বিশ্বব্যাঙ্কের অর্থায়নে হওয়া সেই প্রকল্পের ফলে চন্দননগর, বারুইপুর, খড়্গপুর এবং রাজারহাটের প্রায় ২০ লাখ মানুষ উপকৃত হবেন বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।
আগেই সেটা হয়েছে কোন কোন শহরে?
ইতিমধ্যে দিঘায় সেই কাজ সম্পন্ন করেছে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থা। জাতীয় ঘূর্ণিঝড় ঝুঁকি প্রশমন প্রকল্পের আওতায় দিঘায় সেই কাজ সম্পন্ন করা হয়েছিল। তাছাড়াও রাজ্য সরকারের টাকায় কোচবিহার, বোলপুর, নবদ্বীপ, কৃষ্ণনগর এবং চুঁচুড়ায় মাটির তলা দিয়ে বিদ্যুতের তার নিয়ে যাওয়ার কাজ শেষ হয়ে গিয়েছে।
আরও পড়ুন: Metro service: এবার কি কিছু জেলাতেও মেট্রো পরিষেবা? 'সিটি মেট্রো সার্ভিস' নিয়ে কোন ইঙ্গিত রিপোর্টে!
২,৮০০ কোটি টাকা বরাদ্দ
তাছাড়াও ২০২১ সালের নভেম্বর-ডিসেম্বরে ২,৮০০ কোটি টাকা প্রকল্পের অনুমতি পেয়েছিল পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থা। তার মধ্যে ৭০ শতাংশ অর্থ দিয়েছিল বিশ্বব্যাঙ্ক এবং এশিয়ার ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেসমেন্ট ব্যাঙ্ক। আর ২,৮০০ কোটি টাকার মধ্যে ৭০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে মাটির উপরের তারকে মাটির নীচে নিয়ে যাওয়ার জন্য।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


