WB Govt fine against spitting-littering: রাস্তায় থুতু, প্যাকেট বা নোংরা ফেললেই জরিমানা! কবে থেকে চালু? ডেডলাইন রাজ্যের
WB Govt fine against spitting-littering: রাস্তায় থুতু, প্যাকেট বা নোংরা ফেললেই জরিমানা! কবে থেকে চালু হবে? ডেডলাইন বেঁধে দিল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যেই এই বিষয়ে চূড়ান্ত সময়সীমা বা ডেডলাইন ঘোষণা করে দেওয়া হয়েছে।
WB Govt fine against spitting-littering: পশ্চিমবঙ্গকে পরিচ্ছন্ন ও দূষণমুক্ত রাখার লক্ষ্যে এক বড়সড় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে চলেছে সরকার। এবার থেকে প্রকাশ্য রাস্তায় যেখানে-সেখানে থুতু ফেলা বা ময়লা-আবর্জনা ছড়ানোর অভ্যেসে রাশ টানতে কড়া আইনি পদক্ষেপ করা হচ্ছে। আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে রাজ্যজুড়ে যত্রতত্র নোংরা বা থুতু ফেললে নাগরিকদের সরাসরি জরিমানা বা ফাইন করা হবে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যেই এই বিষয়ে চূড়ান্ত সময়সীমা বা ডেডলাইন ঘোষণা করে দেওয়া হয়েছে।

‘স্বচ্ছ অ্যাপ’ প্রকাশ করা হচ্ছে
সেই লক্ষ্যে আগামী শনিবার একটি বিশেষ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম আত্মপ্রকাশ করতে চলেছে, যার নাম ‘স্বচ্ছ অ্যাপ’। তবে রাজ্য সরকার শুরুতেই নাগরিকদের উপর আর্থিক জরিমানার বোঝা চাপাতে চাইছে না। সাধারণ মানুষের অসচেতন অভ্যাস বদলানোর জন্য এবং তাঁদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে প্রশাসন তিন মাসের একটি বিশেষ সময়সীমা ধার্য করেছে।
রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল এই প্রকল্পের বিস্তারিত রূপরেখা সাধারণ মানুষের সামনে এনেছেন। তিনি জানিয়েছেন, আগামী তিন মাস রাজ্যজুড়ে ব্যাপক সচেতনতা প্রচার চালানো হবে। এই সময়সীমার মধ্যে যদি কেউ রাস্তায় প্লাস্টিক, চিপসের প্যাকেট বা আবর্জনা ফেলেন অথবা থুতু ফেলেন, তবে প্রশাসন তাঁদের বুঝিয়ে সতর্ক করবে। আইনভঙ্গকারীদের সচেতন করা এবং অভ্যেস শোধরানোর সুযোগ দিতেই এই নরম মনোভাব নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু এই তিন মাসের সচেতনতা পর্ব শেষ হওয়া মাত্রই ১ সেপ্টেম্বর থেকে আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশ এবং পুর প্রশাসন সরাসরি আর্থিক জরিমানা করার প্রক্রিয়া শুরু করবে।
১০টি পুরসভায় প্রথম ট্রায়াল রান
নয়া এই ব্যবস্থার কার্যকারিতা খতিয়ে দেখতে প্রাথমিকভাবে রাজ্যের ১০টি পুরসভাকে বেছে নেওয়া হয়েছে। এই ১০টি পুর এলাকায় পাইলট প্রজেক্ট বা পরীক্ষামূলকভাবে ‘স্বচ্ছ অ্যাপ’-এর কাজ শুরু হবে। বিশেষ বিষয় হল, যে সমস্ত পুরসভাগুলিতে বর্তমানে নির্বাচিত বোর্ডের পরিবর্তে পুর-প্রশাসক বসানো রয়েছে, সেখানেও এই অ্যাপের পরিষেবা সমানভাবে সক্রিয় ও কার্যকর থাকবে। পাইলট প্রজেক্টের সাফল্যের ওপর ভিত্তি করে পরবর্তীকালে গোটা রাজ্যেই এই ডিজিটাল নজরদারি ব্যবস্থা সম্প্রসারণ করা হবে।
প্রতি ১০০ মিটারে বসবে ডাস্টবিন
শুধুমাত্র আইন প্রয়োগ বা জরিমানা করাই নয়, শহরকে পরিষ্কার রাখার জন্য প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো তৈরিতেও বিশেষ জোর দিচ্ছে রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন দফতর। মন্ত্রী জানিয়েছেন, সামগ্রিকভাবে পুরো পশ্চিমবঙ্গে প্রতি ১০০ মিটার দূরত্ব অন্তর একটি করে ডাস্টবিন বা আবর্জনার পাত্র বসানো হবে। এর ফলে পথচলতি মানুষ খুব সহজেই তাঁদের হাতের নোংরা নির্দিষ্ট স্থানে ফেলতে পারবেন।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


