পয়লা এপ্রিল থেকেই মিলবে বেকার ভাতা। দিনকয়েক আগে রাজ্য বাজেটে ঘোষণা করা হয়েছিল যে আগামী ১৫ অগস্ট থেকে 'যুবসাথী' প্রকল্প চালু করা হবে। তবে মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, নয়া অর্থবর্ষের (২০২৬-২৭ সাল) প্রথম দিন থেকেই 'যুবসাথী' প্রকল্প চালু করা হচ্ছে। অর্থাৎ সাড়ে চার মাস আগে থেকেই 'যুবসাথী' প্রকল্পের আওতায় বেকার ভাতা হিসেবে মাসিক ১,৫০০ টাকা দেওয়া হবে বলে ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। কীভাবে সেই ভাতা পাওয়া যাবে, কীভাবে আবেদন করতে হবে, তাও মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন নবান্নের সাংবাদিক বৈঠক থেকে।
কীভাবে যুবসাথী প্রকল্পের জন্য আবেদন করতে হবে?

মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, যুবসাথী প্রকল্পের আওতায় অনলাইনে আবেদনের বিষয় থাকছে না আপাতত। অফলাইনেই আবেদন করতে হবে। সেজন্য সংবাদমাধ্যমে বিজ্ঞাপন দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানিয়েছেন, বিভিন্ন সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন দেওয়া হবে। প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রেই একটি শিবির তৈরি করবে রাজ্য সরকার। সেখানে গিয়ে যুবসাথী প্রকল্পের আবেদন করতে পারবেন।
কতদিন যুবসাথী প্রকল্পের শিবির চলবে?
মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ছুটির দিনগুলো বাদ দিয়ে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রাজ্যের প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রে বিশেষ শিবির (মোট ২৯৪টি শিবির) চলবে। সকাল ১০ টা থেকে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত শিবির খোলা থাকবে। যাঁরা আবেদন জমা দেবেন, তাঁরা রশিদ পাবেন। আবেদনপত্রের ডিজিটালাইজেশন করা হবে।
আর কী কারণে অনলাইনে আবেদনের বিষয়টি এখনই চালু করা হচ্ছে, তার ব্যাখ্যাও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানিয়েছেন, হাতে সময় কম আছে। অনলাইনে আবেদন করলে বেকার ভাতা দিতে সময় বেশি লাগত। দ্রুত যাতে বেকার ভাতা দেওয়া যায়, সেজন্যই এখন ‘একটু কষ্ট করে’ সশরীরে শিবিরে গিয়ে আবেদন করে যাওয়ার আর্জি জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
কারা যুবসাথী প্রকল্পের জন্য আবেদন করতে পারবেন?
১) মাধ্যমিক বা দশম শ্রেণি উত্তীর্ণরা আবেদন করতে পারবেন। বয়স হতে হবে ২১ থেকে ৪০-র মধ্যে।
{{/usCountry}}১) মাধ্যমিক বা দশম শ্রেণি উত্তীর্ণরা আবেদন করতে পারবেন। বয়স হতে হবে ২১ থেকে ৪০-র মধ্যে।
{{/usCountry}}২) প্রাথমিকভাবে পাঁচ বছরের জন্য মাসিক ১,৫০০ টাকা ভাতা মিলবে। পাঁচ বছর ভাতা দেওয়ার অর্থ হল যে ৬০ মাস টাকা দেওয়া হবে। অর্থাৎ মোট ৯০,০০০ টাকা মিলবে।
৩) মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, আবেদনকারীরা যে কোনও স্কলারশিপ পেতে পারেন - সে ঐক্যশ্রী হোক, মেধাশ্রী হোক, স্মার্টকার্ড হোক বা শিক্ষাশ্রী হোক বা স্বামী বিবেকানন্দ মেরিট স্কলারশিপ হোক। সেগুলির কোনও প্রভাব পড়বে না। কিন্তু অন্য কোনও প্রকল্পে টাকা না পেলে যুবসাথীর আওতায় মাসিক ১,৫০০ টাকা মিলবে।