...
...
Next Story

Abhishek vote chori allegation: EVM নয়, ভোটচুরি হচ্ছে ভোটার তালিকায়, বাকিরা ধরতে পারেনি বলেই BJP জিতেছে, হুংকার অভিষেকের

ইভিএম নয়, আসল ভোটচুরি হচ্ছে ভোটার তালিকায়। আর সেই বিষয়টা বাকিরা ধরতে পারেনি বলেই বিজেপি জিতে যাচ্ছে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে সেটা হবে না। হুংকার দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

Published on: Dec 31, 2025, 15:17:40 IST
Advertisement

ইভিএম নয়, আসল ভোটচুরি হচ্ছে ভোটার তালিকায়। আর সেই বিষয়টা বাকিরা ধরতে পারেনি বলেই অন্যান্য রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি জিতে যাচ্ছে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে সেটা হবে না। ভোটচুরির বিষয়টা হাতেনাতে ধরে ফেলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। এমনই দাবি করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার দিল্লিতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারদের সঙ্গে সাক্ষাতের পরে সাংবাদিক বৈঠকে ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল সাংসদ বলেন, ‘এসব ভুল কংগ্রেস করেছে। দিল্লিতে আপ (আম আদমি পার্টি) ধরতে পারেনি। বিহারে আরজেডি-কংগ্রেস ধরতে পারেনি। সেজন্য বিজেপির স্ট্রাইক রেট ছিল ৮০ শতাংশ। ভোটচুরি ইভিএমে হচ্ছে না। ভোটার তালিকায় চুরি হচ্ছে। এখানে হচ্ছে। এই বিষয়টা কোনও রাজনৈতিক দলই ধরতে পারছে না। যদি ধরতে পারত, তাহলে বিজেপি জিতত না।’

টিভিতে জ্ঞান দিয়ে কিছু হবে না, খোঁচা অভিষেকের

দিল্লিতে আক্রমণাত্মক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। (ছবি সৌজন্যে, ফেসবুক Abhishek Banerjee)
দিল্লিতে আক্রমণাত্মক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। (ছবি সৌজন্যে, ফেসবুক Abhishek Banerjee)

সেইসঙ্গে বিরোধীদের পরামর্শ দিয়ে অভিষেক বলেন যে তৃণমূলের মতো অন্যান্য দলগুলিকে লড়তে হবে। শুধু অভিযোগ করলেই হবে না। মাঠে নেমে লড়াই করতে হবে। তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা মাঠে নেমে লড়াই করেছেন। শুধু টিভিতে জ্ঞান দিয়ে বা সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে কোনও লাভ হবে না। তৃণমূল লড়াই করেছে বলেই ভোটচুরির বিষয়টা ধরতে পেরেছে বলে দাবি করেন অভিষেক।

সফটওয়্যারের মাধ্যমে কারচুপি, দাবি অভিষেকের

তিনি দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গে খসড়া ভোটার তালিকা প্রায় ৫৮ লাখ নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু ঘণ্টাখানেকে কোন জাদুবলে ডিসক্রিপ্যান্সি তালিকায় ১.৩ লাখ ভোটারের নাম খুঁজে পেল কমিশন? মুখ্য নির্বাচন কমিশনারদের হাতে তো কোনও জাদুকাঠি নেই? আর সেই পুরো কারচুপি সফটওয়্যারের মাধ্যমে করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক।

হোয়্যাটসঅ্যাপে চলছে কমিশন, তোপ অভিষেকের

তারইমধ্যে অভিষেক জানিয়েছেন যে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে আড়াই ঘণ্টার বৈঠকে ১০টি বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। কিন্তু দুই থেকে তিনটি বিষয় ছাড়া কোনও ব্যাপারে স্পষ্ট উত্তর দিতে পারেনি। পাশাপাশি এসআইআরের শুনানিতে কেন বিএল২ থাকবে না, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়। আর যদি বিএলএ২-কে থাকতে না দেওয়া হয়, তাহলে সার্কুলার জারি করতে বলেছে তৃণমূলের প্রতিনিধি দল।

 
ABOUT THE AUTHOR
Ayan Das

অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe