...
...
Next Story

WB 300 Madrassa to be Closed: ডিসেম্বরে আরও প্রায় ৩০০ মাদ্রাসায় তালা, পড়ুয়া-পরিকাঠামো খতিয়ে দেখে সিদ্ধান্ত রাজ্যের

প্রশাসনের বক্তব্য, মাঝপথে কোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিলে সেখানে থাকা অল্প কয়েক জন পড়ুয়ার পড়াশোনা ব্যাহত হতে পারে। তাই চলতি শিক্ষাবর্ষ শেষ না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করার পরিকল্পনা হয়েছে। যে প্রতিষ্ঠানগুলিতে হাতেগোনা ছাত্রছাত্রী রয়েছে, তাঁদের শিক্ষাবর্ষ শেষ করার সুযোগ দেওয়া হবে।

Published on: Sep 24, 2026, 09:52:53 IST
Advertisement

মাদ্রাসা নিয়ে আরও কড়া পদক্ষেপের পথে রাজ্য সরকার। পড়ুয়া প্রায় নেই, কোথাও আবার ন্যূনতম পরিকাঠামোটুকুও গড়ে ওঠেনি—এমন প্রায় ২৫০টি সরকারি স্বীকৃত বেসরকারি মাদ্রাসার ভবিষ্যৎ নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে সরকার। প্রশাসনিক সূত্রের খবর, চলতি শিক্ষাবর্ষ শেষ হওয়ার পর ডিসেম্বরের মধ্যে ওই প্রতিষ্ঠানগুলিতে নতুন করে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। পাশাপাশি ইতিমধ্যেই কারণ দর্শানোর নোটিস পাওয়া প্রায় ১০০টি মাদ্রাসার জবাবও খতিয়ে দেখা হবে। সেই তালিকা থেকেও আরও বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান বন্ধের মুখে পড়তে পারে।

মাদ্রাসা নিয়ে আরও কড়া পদক্ষেপের পথে রাজ্য সরকার
মাদ্রাসা নিয়ে আরও কড়া পদক্ষেপের পথে রাজ্য সরকার

প্রশাসনের বক্তব্য, মাঝপথে কোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিলে সেখানে থাকা অল্প কয়েক জন পড়ুয়ার পড়াশোনা ব্যাহত হতে পারে। তাই চলতি শিক্ষাবর্ষ শেষ না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করার পরিকল্পনা হয়েছে। সরকারি সূত্রে জানানো হয়েছে, যে প্রতিষ্ঠানগুলিতে হাতেগোনা ছাত্রছাত্রী রয়েছে, তাঁদের শিক্ষাবর্ষ শেষ করার সুযোগ দেওয়া হবে। এর পর নতুন করে ভর্তি বন্ধ করে ধাপে ধাপে ওই প্রতিষ্ঠানগুলির কার্যক্রম গুটিয়ে ফেলার প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে।

এর আগে অনুমোদনহীন এবং প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো না থাকা ২৫২টি মাদ্রাসার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে রাজ্য। গত কয়েক দিনের প্রশাসনিক পদক্ষেপে ওই প্রতিষ্ঠানগুলিকে বন্ধের নোটিস দেওয়া হয়েছে। আরও প্রায় ১০০টি মাদ্রাসাকে পাঠানো হয়েছে শোকজ নোটিস। রাজ্যজুড়ে চালানো সমীক্ষায় প্রতিষ্ঠানগুলির অনুমোদন, পরিকাঠামো, পরিচালন ব্যবস্থা, শিক্ষক-শিক্ষিকার সংখ্যা এবং পড়ুয়াদের উপস্থিতির মতো একাধিক বিষয় খতিয়ে দেখা হয়েছিল।

সরকারি ভাবে জানানো হয়েছে, আইন মেনে এবং প্রয়োজনীয় অনুমোদন নিয়ে যে মাদ্রাসাগুলি চলছে, সেগুলি বন্ধ করার প্রশ্ন নেই। আপত্তি মূলত সেই সব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে, যাদের অনুমোদন বা প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো নিয়ে সমস্যা রয়েছে। মাদ্রাসা শিক্ষা দফতরের মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডুর বক্তব্য, পড়ুয়াদের আধুনিক ও মূলধারার শিক্ষার সঙ্গে যুক্ত করাই সরকারের লক্ষ্য।

নবান্ন সূত্রে আরও জানা যাচ্ছে, রাজ্যে মাদ্রাসাগুলির অবস্থা নিয়ে ফের সমীক্ষা হতে পারে। আগের সমীক্ষায় যে তথ্য পাওয়া গিয়েছে, তা নতুন করে যাচাই করার পাশাপাশি বিভিন্ন জেলার পরিস্থিতিও খতিয়ে দেখা হবে। অর্থাৎ এক দফায় বিষয়টির নিষ্পত্তি নয়, পরবর্তী সময়েও মাদ্রাসাগুলির অনুমোদন, পড়ুয়া সংখ্যা এবং পরিকাঠামো পরীক্ষা চলবে।

ফলে বছর শেষ হওয়ার আগেই রাজ্যের মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থায় আরও বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। এক দিকে ২৫২টি অনুমোদনহীন মাদ্রাসার বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই ব্যবস্থা হয়েছে, অন্য দিকে পড়ুয়াহীন বা অচল হয়ে পড়া আরও প্রায় ২৫০টি প্রতিষ্ঠানের উপর নজর রয়েছে। শোকজ পাওয়া মাদ্রাসাগুলির জবাবের উপর নির্ভর করছে পরবর্তী পদক্ষেপ।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks