রাজ্য সরকারের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা 'সারপ্রাইজ'। আজ অবসরপ্রাপ্ত রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে বকেয়া ডিএয়ের (ডিয়ারনেস অ্যালোওয়েন্স) কিছুটা অংশ জমা পড়েছে বলে জানালেন কনফেডারেশন অফ স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজের সাধারণ সম্পাদক মলয় মুখোপাধ্যায়। তিনি বলেন, 'ব্যাঙ্কে অনেকেই ডিএ এরিয়ারের মেসেজ পাচ্ছেন। আমরা খোঁজ নিয়ে দেখলাম, ২০০৮ সালের ১ এপ্রিল থেকে ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত যে বকেয়া ডিএ, তা সরকার আজ হঠারই ট্রেজারিগুলিতে জমা পড়েছে। ট্রেজারি তা ব্যাঙ্কে রিলিজ করছে। তাই অনেকের মেসেজ ঢুকছে। বলাবাহুল্য, নির্দিষ্ট শতাংশ বা কোন হিসাবে তা দেওয়া হলো সেটা কিন্তু আমরা এখনো আমরা জানতে পারিনি।'
কতদিনের বকেয়া DA প্রদান করা হল?
অবসরপ্রাপ্ত রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে বকেয়া ডিএয়ের (ডিয়ারনেস অ্যালোওয়েন্স) আংশিক টাকা ঢুকল বলে দাবি করা হল। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে এএফপি)
{{^htLoading}} {{/htLoading}}
যদিও রাজ্য সরকারের তরফে আপাতত সরকারিভাবে তরফে জানানো হয়নি যে বকেয়া ডিএয়ের কোনও টাকা প্রদান করা হয়েছে কিনা। বিষয়টি ব্যাখ্যা করে কনফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক বলেছেন, ‘হঠাৎ করে পেনশনারদের ট্রেজারি অথবা ব্যাঙ্ক মারফত মেসেজ পাচ্ছেন, তাঁদের একটা বড় অঙ্কের টাকা অ্যাকাউন্টে ঢুকে গিয়েছে। কিন্তু এরিয়ার কথাটা কিন্তু বলা নেই। আমরা খোঁজ নিয়ে জানলাম ২০০৮ সালের ১ এপ্রিল থেকে ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ডিএ এরিয়ারের যে টাকা, তা অর্থ দফতরের তরফে রিলিজ করা হয়েছে। তাই ট্রেজারি থেকে মেসেজ এসেছে।’
আর সেই টাকা শুধুমাত্র পেনশনভোগীরা পেয়েছেন নাকি কর্মরত রাজ্য সরকারি কর্মচারী ও শিক্ষকরাও পেয়েছেন, তাও স্পষ্ট নয়। নাম গোপন রাখার সূত্রে কলকাতার একটি স্কুলের শিক্ষিকা জানিয়েছেন, আজ বেতন ঢুকেছে অ্যাকাউন্টে। তবে একই বেতন এসেছে।
{{/usCountry}}
{{#usCountry}}
আর সেই টাকা শুধুমাত্র পেনশনভোগীরা পেয়েছেন নাকি কর্মরত রাজ্য সরকারি কর্মচারী ও শিক্ষকরাও পেয়েছেন, তাও স্পষ্ট নয়। নাম গোপন রাখার সূত্রে কলকাতার একটি স্কুলের শিক্ষিকা জানিয়েছেন, আজ বেতন ঢুকেছে অ্যাকাউন্টে। তবে একই বেতন এসেছে।
অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা:
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা:
নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা:
অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।