বৃহস্পতিবার বকেয়া মহার্ঘ ভাতার (ডিয়ারনেস অ্যালোওয়েন্স বা ডিএ) মামলার রায়দান করা হবে। সুপ্রিম কোর্টের তরফে যে কজলিস্ট প্রকাশ করা হয়েছে, তাতে জানানো হয়েছে, আগামিকাল সকাল ১০ টা ৩০ মিনিটে পঞ্চম বেতন কমিশনের আওতায় বকেয়া ডিএ মামলার রায়দান করবে শীর্ষ আদালতের বিচারপতি সঞ্জয় কারোল এবং বিচারপতি প্রশান্তকুমার মিশ্রের ডিভিশন বেঞ্চ। ডিএ মামলার রায়দানের জন্য সেই বিশেষ বেঞ্চ গঠন করা হয়েছে। ডিএয়ের রায়দানের পরে ১১ নম্বর আদালতকক্ষের নিয়মিত বেঞ্চ অন্যান্য মামলা শুনবে বলে সুপ্রিম কোর্টের তরফে জানানো হয়েছে।
একইদিনে ৩ সুখবর পাবেন রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা?

আর সেই পরিস্থিতিতে রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা আশায় বুক বাঁধছেন যে একইদিনে তিন সুখবর মিলবে। প্রথমত, পঞ্চম বেতন কমিশনের আওতায় বকেয়া ডিএ মামলায় জয় আসবে। দ্বিতীয়ত, রাজ্য বাজেটে (ভোট অন অ্যাকাউন্ট) ষষ্ঠ বেতন কমিশনের আওতায় ডিএ ঘোষণা করা হবে। তৃতীয়ত, সপ্তম বেতন কমিশনের ঘোষণা করা হবে রাজ্য বাজেটে। যদিও শেষ দুটি বিষয় নিয়ে রাজ্য সরকারের তরফে সরকারিভাবে কিছু জানানো হয়নি।
‘আমরা চাই কর্মচারীরা তাঁদের অধিকার ফিরে পাক’, আশায় সরকারি কর্মীরা
বিষয়টি নিয়ে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের সংগঠন শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক কিংকর অধিকারী বলেন, ‘আগামিকাল (৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০ টায় বহু প্রতীক্ষিত ডিএ মামলার রায় ঘোষণা করবে সুপ্রিম কোর্ট। আমরা চাই কর্মচারীরা তাঁদের অধিকার ফিরে পাক। রাজ্য সরকার বাজেটে সমস্ত বকেয়া মহার্ঘ ভাতা মিটিয়ে দেওয়ার ঘোষণা করুক এবং নতুন পে কমিশন (বেতন কমিশন) গঠন করুক।’
এমনিতে বকেয়া ডিএ মামলার রায়ের জন্য প্রায় চার-পাঁচ মাস ধরে অপেক্ষা করছেন রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা। গত সেপ্টেম্বরে ডিএ মামলার শুনানি শেষ হয়ে গিয়েছিল। তবে পঞ্চম বেতন কমিশনের আওতায় বকেয়া ডিএ নিয়ে আইনি লড়াই চলছে সেই ২০১৬ সাল থেকে। স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রাইবুনালে (স্যাট) দায়ের হয়েছিল মামলা। সেখানে হেরে গিয়েছিলেন রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা। তারপর তাঁরা কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেছিলেন। সেখান থেকে তাঁদের জয়যাত্রা শুরু হয়েছিল।
সেই ২০১৬ সাল থেকে ডিএ মামলার আইনি লড়াই চলছে
{{/usCountry}}এমনিতে বকেয়া ডিএ মামলার রায়ের জন্য প্রায় চার-পাঁচ মাস ধরে অপেক্ষা করছেন রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা। গত সেপ্টেম্বরে ডিএ মামলার শুনানি শেষ হয়ে গিয়েছিল। তবে পঞ্চম বেতন কমিশনের আওতায় বকেয়া ডিএ নিয়ে আইনি লড়াই চলছে সেই ২০১৬ সাল থেকে। স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রাইবুনালে (স্যাট) দায়ের হয়েছিল মামলা। সেখানে হেরে গিয়েছিলেন রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা। তারপর তাঁরা কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেছিলেন। সেখান থেকে তাঁদের জয়যাত্রা শুরু হয়েছিল।
সেই ২০১৬ সাল থেকে ডিএ মামলার আইনি লড়াই চলছে
{{/usCountry}}সেই রেশ ধরে ২০২২ সালে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছিল যে তিন মাসের মধ্যে রাজ্য সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ মিটিয়ে দিতে হবে। যদিও সেই রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে ফের মামলা করেছিল রাজ্য সরকার। কিন্তু তাতেও লাভ হয়নি। সেই পরিস্থিতিতে ২০২২ সালেই সুপ্রিম কোর্টে স্পেশাল লিভ পিটিশন (এসএলপি) দাখিল করেছিল। অবশেষে সেই মামলার রায়দান করা হবে।