সুপ্রিম কোর্টে বকেয়া মহার্ঘ ভাতা (ডিয়ারনেস অ্যালোওয়েন্স বা ডিএ) মামলায় সরকারের সব রাস্তা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এমনই দাবি করলেন রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের সংগঠন কনফেডারেশন অফ স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজের সাধারণ সম্পাদক মলয় মুখোপাধ্যায়। উত্তর দিনাজপুরের জেলা সম্মেলনের মঞ্চ থেকে কনফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক দাবি করেছেন, তাঁদের আইনজীবী বলেছেন যে ‘(পঞ্চম বেতন কমিশনের আওতায় বকেয়া ডিএ মামলায়) সরকারের রাস্তা বন্ধ। শুনানি শেষ হয়ে গিয়েছে। এবার রায়টা বেরোবে। (সুপ্রিম কোর্টের) রায়টা বেরনোর পরে পরবর্তী পদক্ষেপ করা হবে।’
‘বেশিদিন সময় লাগবে না…’, ডিএ মামলা নিয়ে হুঁশিয়ারি

এমনিতে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের একাংশ আশা করেছিলেন যে ২০২৫ সালের মধ্যেই ডিএ মামলার রায়দান হয়ে যাবে। যদিও এখনও রায়দান করা হয়নি। সেই আবহে কনফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক জানিয়েছেন, তাঁদের বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য বলেছেন যে ‘ডিএ মামলার রায় তোমাদের পক্ষে যাবে বলে আমার বিশেষ ধারণা আছে। এখন এই সরকার দেবে কি দেবে না, সেটা বলতে পারব না। না দিলে আমরা আদালত অবমাননার জোরদার মামলা করব। ছাড়া হবে না। নির্দিষ্ট সময় যে দেওয়া হবে, তার মধ্যে (রাজ্য সরকার ডিএ না দিলে) আমরা আদালত অবমাননার মামলা দাখিল করব। বেশিদিন সময় লাগবে না।’
'ডিএ মামলায় রিভিউ করে সরকারের কোনও লাভ হবে না'
পুরো বিষয়টি ব্যাখ্যা করে উত্তর দিনাজপুরের জেলা সম্মেলনের মঞ্চ থেকে কনফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক দাবি করেছেন, তাঁদের আইনজীবী জানিয়েছেন যে ডিএ মামলার রায়ের পরে সরকার রিভিউ করতে পারে। কিন্তু রিভিউয়ে কোনও লাভ হবে না বলে জানিয়েছেন কনফেডারেশনের আইনজীবী।
বকেয়া ডিএ মামলা ও সেই মামলার ইতিবৃত্ত
২০১৬ সাল থেকে পঞ্চম বেতন কমিশনের আওতায় বকেয়া ডিএ মামলা চলছে। প্রাথমিকভাবে স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রাইবুনালে (স্যাট) মামলা দায়ের করা হয়েছিল। স্যাট হয়ে সেই মামলা পৌঁছেছিল কলকাতা হাইকোর্টে। ফের স্যাট হয়ে হাইকোর্টে গিয়েছিল। হাইকোর্টে জিতে যান রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা। হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল যে তিন মাসের মধ্যে বকেয়া মহার্ঘ ভাতা মিটিয়ে দিতে হবে। তবে সেই পথে হাঁটেনি পশ্চিমবঙ্গ সরকার। ২০২২ সালের নভেম্বরে সুপ্রিম কোর্টে স্পেশাল লিভ পিটিশন দাখিল করে। তারপর ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে ডিএ মামলার শুনানি শেষ হয়ে যায়। তবে এখনও রায়দান হয়নি।
{{/usCountry}}২০১৬ সাল থেকে পঞ্চম বেতন কমিশনের আওতায় বকেয়া ডিএ মামলা চলছে। প্রাথমিকভাবে স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রাইবুনালে (স্যাট) মামলা দায়ের করা হয়েছিল। স্যাট হয়ে সেই মামলা পৌঁছেছিল কলকাতা হাইকোর্টে। ফের স্যাট হয়ে হাইকোর্টে গিয়েছিল। হাইকোর্টে জিতে যান রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা। হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল যে তিন মাসের মধ্যে বকেয়া মহার্ঘ ভাতা মিটিয়ে দিতে হবে। তবে সেই পথে হাঁটেনি পশ্চিমবঙ্গ সরকার। ২০২২ সালের নভেম্বরে সুপ্রিম কোর্টে স্পেশাল লিভ পিটিশন দাখিল করে। তারপর ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে ডিএ মামলার শুনানি শেষ হয়ে যায়। তবে এখনও রায়দান হয়নি।
{{/usCountry}}