WB 5th Pay Commission DA Arrear Rule: এখন ২ দফায় ৪৮ মাসের বকেয়া DA দেবে রাজ্য! কারা নগদ টাকা পাবেন? কাদের সেটা হবে না?

রাজ্যের তরফে দাবি করা হয়েছে যে আর্থিক টানাপোড়েন সত্ত্বেও পঞ্চম বেতন কমিশনের আওতায় রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা মিটিয়ে দেওয়া হবে।

Published on: Mar 16, 2026, 21:18:19 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

অবশেষে বকেয়া মহার্ঘ ভাতা (ডিয়ারনেস অ্যালোওয়েন্স বা ডিএ) মিটিয়ে দেওয়ার সরকারি বিজ্ঞপ্তি জারি করল নবান্ন। তবে প্রাথমিকভাবে পঞ্চম বেতন কমিশনের আওতায় যে বকেয়া ডিএ মেটানো হবে, সেটা ২০১৬ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বরের মধ্যেকার সময়ের হবে (৪৮ মাস)। দু'দফায় সেই বকেয়া ডিএ পাবেন রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের অ্যাকাউন্টে। তবে সরাসরি নগদ টাকা ঢুকবে শুধু গ্রুপ ‘ডি’ কর্মীদের অ্যাকাউন্টে। বাকিদের টাকা জেনারেল প্রভিডেন্ট ফান্ড অ্যাকাউন্টে জমা পড়বে বলে রাজ্য সরকারের তরফে জানানো হয়েছে।

বকেয়া ডিএ মেটানো নিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করল রাজ্য সরকার। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে পিটিআই)
বকেয়া ডিএ মেটানো নিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করল রাজ্য সরকার। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে পিটিআই)

বকেয়া DA সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিতে কী বলা হল?

সোমবার (বিজ্ঞপ্তিতে অবশ্য ১৩ মার্চ তারিখ দেওয়া আছে) রাজ্য অর্থ দফতরের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, একাধিক দফায় ২০০৮ সালের এপ্রিল থেকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বকেয়া ডিএ প্রদান করা হবে। সেই রেশ ধরে প্রথম দফায় কীভাবে বকেয়া ডিএ মেটানো হবে, তা নিয়ে কয়েকটি নিয়ম ঘোষণা করা হয়েছে নবান্নের তরফে।

১) ২০১৬ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বকেয়া ডিএয়ের হিসাব করা হবে সর্বভারতীয় মূল্যসূচক অনুযায়ী। যা দু'টি দফায় প্রদান করা হবে। প্রথম দফায় বকেয়া ডিএ দেওয়া হবে মার্চে। আর দ্বিতীয় দফায় দেওয়া হবে আগামী সেপ্টেম্বরে।

২) ২০০৮ সালের এপ্রিল থেকে ২০১৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত যে বকেয়া ডিএ কীভাবে মিটিয়ে দেওয়া হবে, তা পরবর্তীতে জানানো হবে।

৩) গ্রুপ এ, গ্রুপ বি এবং গ্রুপ সি কর্মীদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা দেওয়া হবে জেনারেল প্রভিডেন্ট ফান্ড অ্যাকাউন্টে। আর গ্রুপ ডি কর্মীদের বকেয়া ডিএ সরাসরি তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঢুকে যাবে।

রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের জন্য বকেয়া DA সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি

পেনশনভোগীদের জন্য বকেয়া DA সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি

রাজ্য সরকারের তরফে প্রাক্তন রাজ্য সরকারি কর্মচারী তথা পেনশনভোগীদের বকেয়া ডিএ নিয়ে পৃথক বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। তাঁদেরও প্রাথমিকভাবে ২০১৬ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বকেয়া ডিএ দেওয়া হবে। টাকা দেওয়া হবে দুটি সমান কিস্তিতে। প্রথম কিস্তির টাকা দেওয়া হবে মার্চে। দ্বিতীয় কিস্তির টাকা ঢুকবে সেপ্টেম্বরে। যাঁরা বর্তমানে পেনশনভোগী, তাঁদের অ্যাকাউন্টে সরাসরি নগদ টাকা ঢুকবে।

  • Ayan Das
    ABOUT THE AUTHOR
    Ayan Das

    অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More