কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের থেকে প্রাপ্ত মহার্ঘ ভাতার (ডিয়ারনেস অ্যালোওয়েন্স বা ডিএ) হার অনেকটাই কম। সুপ্রিম কোর্টে পঞ্চম বেতন কমিশনের বকেয়া মহার্ঘ ভাতার মামলার রায়দান এখনও হয়নি। তা নিয়ে কিছুটা উদ্বেগে আছেন পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সরকারি এবং পেনশনভোগীদের একাংশ। আপাতত তাঁরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন রাজ্য বাজেটের। এবার পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ করা হবে না। তিন মাসের জন্য বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভোট-অন-অ্যাকাউন্ট পেশ করা হবে। কিন্তু গত কয়েক বছরের ট্রেন্ড বজায় রেখে এবারও ডিএয়ের ঘোষণা করা হবে বলে আশায় রয়েছেন রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের একাংশ। বর্তমান পরিস্থিতিতে তাঁরা এক কিস্তির (তিন শতাংশ বা চার শতাংশ) পরিবর্তে একলপ্তে দুই বা তিন কিস্তির ডিএ প্রদানের দাবি তুলেছেন।
বাজেটের দিকে তাকিয়ে রাজ্য সরকারি কর্মীরা

বিষয়টি নিয়ে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের সংগঠন কনফেডারেশন অফ স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজের সাধারণ সম্পাদক মলয় মুখোপাধ্যায় বলেন, 'অধিকাংশ রাজ্য সরকার ১৯ কিস্তি বা ৫৮ শতাংশ হারে মহার্ঘ ভাতা দিচ্ছে। তাদের (নয়া) বেতন কমিশন গঠন হয়ে গিয়েছে। সেখানে আমরা ১৮ শতাংশ ডিএ'তে পড়ে আছি। যদি এই ষষ্ঠ বেতন কমিশনের ডিএও আমাদের রাজ্যের সরকার দু'তিন কিস্তি একসঙ্গে দেয়, তাহলেও তো কিছুটা সুরাহা হয়। আগামী ৫ তারিখ বাজেট - আমরা সেদিকেও তাকিয়ে আছি। (কিন্তু) জানি না কী হবে।'
সপ্তম বেতন কমিশনও গঠন করা হবে?
যদিও বিষয়টি নিয়ে রাজ্য সরকারের তরফে সরকারিভাবে কিছু জানানো হয়নি। সেই পরিস্থিতিতে সরকারি কর্মচারী এবং পেনশনভোগীদের মধ্যে জল্পনা তৈরি হয়েছে যে বাজেটের সময় নয়া বেতন কমিশনেরও ঘোষণা করে দেওয়া হতে পারে। কারণ সামনেই বিধানসভা নির্বাচন আছে। আর এখন সপ্তম বেতন কমিশন গঠন করলেও রিপোর্ট বা সুপারিশ জমা পড়তে-পড়তে ভোট কেটে যাবে।
ষষ্ঠ বেতন কমিশনের ইতিহাস, উদ্বেগে রাজ্য সরকারি কর্মীরা
সেই রেশ ধরে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের সংগঠন কনফেডারেশনের (পঞ্চম বেতন কমিশনের আওতাধীন বকেয়া ডিএ নিয়ে প্রাথমিকভাবে মামলা করা সংগঠন) সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘অনেকে বলছেন যে (নয়া) বেতন কমিশন গঠন হয়ে যেতে পারে, যেহেতু ভোট (আছে)। এই চালাকি করে তো এই সরকার বিশেষ সুবিধা করতে পারবে না। কারণ আমরা জানি, ষষ্ঠ বেতন কমিশনের রিপোর্ট বেরিয়েছিল তিন বছর পরে। সেখানেও ডিএ ছাড়া বেতন কমিশন কার্যকর করা হয়েছিল। ফলে এই সরকারকে তো আমরা ভরসা করতে পারছি না।’
{{/usCountry}}সেই রেশ ধরে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের সংগঠন কনফেডারেশনের (পঞ্চম বেতন কমিশনের আওতাধীন বকেয়া ডিএ নিয়ে প্রাথমিকভাবে মামলা করা সংগঠন) সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘অনেকে বলছেন যে (নয়া) বেতন কমিশন গঠন হয়ে যেতে পারে, যেহেতু ভোট (আছে)। এই চালাকি করে তো এই সরকার বিশেষ সুবিধা করতে পারবে না। কারণ আমরা জানি, ষষ্ঠ বেতন কমিশনের রিপোর্ট বেরিয়েছিল তিন বছর পরে। সেখানেও ডিএ ছাড়া বেতন কমিশন কার্যকর করা হয়েছিল। ফলে এই সরকারকে তো আমরা ভরসা করতে পারছি না।’
{{/usCountry}}