...
...
Next Story

7th Pay Commission: বকেয়া DA নিয়ে আলোচনা হয়নি, তবে রাজ্য সরকারি কর্মীদের সপ্তম বেতন কমিশন নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত ক্যাবিনেটে

WB 7th Pay Commission: গত সোমবার নতুন সরকার গঠনের পর প্রথম মন্ত্রিসভা বৈঠক হয়েছিল নবান্নে। সেই বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, পরবর্তী বৈঠকে ডিএ এবং বেতন কমিশনের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে। সেই ঘোষণার পর থেকেই সরকারি কর্মীদের মধ্যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।

Published on: May 18, 2026, 13:48:47 IST
Advertisement

WB 7th Pay Commission: মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রিসভার দ্বিতীয় বৈঠক হল সোমবার। সেই বৈঠকে রাজ্যের সরকারি কর্মীদের মহার্ঘভাতা বা ডিএ সংক্রান্ত বিষয়টি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য হিসেবে উঠে আসতে পারে বলে মনে করা হয়েছিল। তবে বৈঠক শেষে মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল বকেয়া ডিএ নিয়ে কোনও ঘোষণা করেননি। যদিও সপ্তম বেতন কমিশন গঠন করার বি।য়ে নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে আজকের মন্ত্রিসভায়। এদিকে আজকের বৈঠকে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার এবং সরকারি বাসে মহিলাদের বিনামূল্যে ভ্রমণের পক্ষেও নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

ক্যাবিনেট বৈঠক শেষে মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল বকেয়া ডিএ নিয়ে কোনও ঘোষণা করেননি।
ক্যাবিনেট বৈঠক শেষে মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল বকেয়া ডিএ নিয়ে কোনও ঘোষণা করেননি।

গত সোমবার নতুন সরকার গঠনের পর প্রথম মন্ত্রিসভা বৈঠক হয়েছিল নবান্নে। সেই বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, পরবর্তী বৈঠকে ডিএ এবং বেতন কমিশনের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে। সেই ঘোষণার পর থেকেই সরকারি কর্মীদের মধ্যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। এর আগে সম্প্রতি ‘বেঙ্গল টিচার্স অ্যান্ড এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশন’ মুখ্যমন্ত্রীর কাছে ইমেল পাঠিয়ে ডিএ বৃদ্ধির দাবি জানিয়েছে। সংগঠনের বক্তব্য, বর্তমানে শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীরা ১৮ শতাংশ হারে ডিএ পেলেও কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের তুলনায় এখনও ৪২ শতাংশ কম ভাতা পাচ্ছেন। তাই অন্তত ১২ শতাংশ ডিএ বৃদ্ধি করে তা ৩০ শতাংশে উন্নীত করার আবেদন জানানো হয়েছে। বকেয়া ডিএ নিয়ে আগের সরকারের আমলে বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। হাই কোর্ট ও পরে সুপ্রিম কোর্টেও মামলা হয়। সরকারি কর্মীদের অভিযোগ ছিল, ইচ্ছাকৃতভাবেই ডিএ আটকে রাখা হয়েছিল। পরে আদালত বকেয়া ডিএ প্রদানের পক্ষেই রায় দেয়।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe