...
...
Next Story

Narendra Modi: 'তৃণমূল চায় না অনুপ্রবেশ বন্ধ করতে', মথুরাপুর থেকে ঘাসফুল শিবিরকে তোপ মোদীর

Narendra Modi: আজ মথুরাপুরে মৎস্যজীবীদের উদ্দেশে ভাষণ দেওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী দাবি করেন, তৃণমূল অনুপ্রবেশকারীদের মদত দিচ্ছে। এদিকে তাঁর আরও দাবি, অনুপ্রবেশকারীরা এসে পশ্চিমবঙ্গবাসীর অধিকার ছিনিয়ে নিচ্ছে।

Updated on: Apr 23, 2026, 16:14:36 IST
Advertisement

Narendra Modi: মথুরাপুরের জনসভা থেকে অনুপ্রবেশকারী ইস্যুতে তৃণমূলকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আজ মথুরাপুরে মৎস্যজীবীদের উদ্দেশে ভাষণ দেওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী দাবি করেন, তৃণমূল অনুপ্রবেশকারীদের মদত দিচ্ছে। এদিকে তাঁর আরও দাবি, অনুপ্রবেশকারীরা এসে পশ্চিমবঙ্গবাসীর অধিকার ছিনিয়ে নিচ্ছে। এছাড়া তৃণমূল 'লুটের রাজনীতি' করছে বলেও অভিযোগ করেন প্রধানমন্ত্রী। এই আবহে ভোটারদের উদ্দেশ্যে মোদীর বার্তা, 'সুরক্ষিত, সমৃদ্ধ, বিকশিত পশ্চিমবঙ্গের জন্য ভোট দিন। বিজেপি প্রার্থীদের জেতান।'

মথুরাপুরের জনসভা থেকে অনুপ্রবেশকারী ইস্যুতে তৃণমূলকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। (ANI Video Grab)
মথুরাপুরের জনসভা থেকে অনুপ্রবেশকারী ইস্যুতে তৃণমূলকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। (ANI Video Grab)

আজ নিজের ভাষণে প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, 'এখানে দুর্নীতি ছাড়া কোনও কাজ হয় না। সব কাজে টাকা দিতে হয়। চাকরি কে পাবে, সেটাও ঘুষ খেয়ে ওরা ঠিক করে। যদি কাউকে জমি কিনতে হয়, তাতে মস্তান দাদাকে টাকা দিতে হয়। এই সিন্ডিকেটের মেয়াদ শেষ হয়ে এসেছে। কাটমানির খেলা আর চলবে না। মাফিয়াদের মেলা চলবে না। মৎস্যজীবীরাও এখানে সমস্যায়। চারদিকে লুট চলছে। তৃণমূল সরকার তাতে মদত দিচ্ছে। এখানকার শিশুদের ভবিষ্যৎও অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।'

এদিকে মৎস্যজীবীদের উদ্দেশ্যে মোদী বলেন, 'বিজেপি সরকারই কেন্দ্রে প্রথম মৎস্যপালনের আলাদা মন্ত্রক বানিয়েছে। সমুদ্রে যান যে মৎস্যজীবীরা, তাঁদের সুরক্ষার জন্য আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। মৎস্যজীবীদের স্বার্থকে গুরুত্ব দেবে আমাদের সরকার। তাঁদের আয় বাড়বে।' এছাড়া অনুপ্রবেশ ইস্যুতে তিনি বলেন, 'তৃণমূল এখানকার সমুদ্রকে অসুরক্ষিত করে রেখেছে। অনুপ্রবেশকারীরা স্থানীয় মৎস্যজীবীদের অধিকার কেড়ে নিচ্ছিল। কাদের মদতে তারা ঢুকছে? তৃণমূলের মদতে। ওরা অনুপ্রবেশ বন্ধ করতে চায় না। যখনই অনুপ্রবেশের বিরুদ্ধে আমরা কথা বলি, তখনই ওরা প্রতিবাদ করে। কিন্তু আমরা এখানে ক্ষমতায় এলে অনুপ্রবেশকারীদের প্রতি কোনও নমনীয়তা দেখানো হবে না।'

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe