Election Commission: রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন এই শুরু হল বলে। আর কয়েক ঘণ্টা পরই প্রথম দফায় ভোটগ্রহণ হবে রাজ্যে। এই আবহে প্রিসাইডিং অফিসারদের জন্য নয়া নির্দেশিকা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন। রিপোর্ট অনুযায়ী, ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার আগে ২০ মিনিট থেকে আধঘণ্টার একটি সংক্ষিপ্ত ট্রেনিং হবে। ট্রেনিংয়ের পর প্রিসাইডিং অফিসারদের মুচলেকা দিয়ে জানাতে হবে, তারা সব নথিপত্র বুঝে নিয়েছেন কি না, যা প্রশিক্ষণ দরকার ছিল তা পেয়েছেন কিনা।

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি প্রিসাইডিং অফিসার নিয়োগ ইস্যুতে হাইকোর্টের ভর্ৎসনার মুখে পড়তে হয়েছিল নির্বাচন কমিশনকে। সর্বোচ্চ আদালতের প্রশ্ন ছিল, অধ্যাপকদের কেন প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। পরে অধ্যাপকদের প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ বাতিল করা হয়। তবে আদালত জানায়, যারা ইতিমধ্যেই ভোটের প্রশিক্ষণ পেয়ে গিয়েছেন, তাঁরা চাইলে ভোটের কাজে নিযুক্ত থাকতে পারেন। আর সেই নির্দেশের কয়েকদিন পরই প্রিসাইডিং অফিসারদের নিয়ে নয়া নির্দেশিকা কমিশনের। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, প্রিসাইডিং অফিসারদের ডিউটি সংক্রান্ত নির্দেশ বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হবে সংক্ষিপ্ত প্রশিক্ষণের সময়। তারপর ব্রিফিং শেষে অফিসারদের একটি নির্দিষ্ট ফর্মে সই করতে হবে। এদিকে অধ্যাপকদের প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ করা যাবে না বলে কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেছে নির্বাচন কমিশন। সোমবার ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ কমিশন।
এদিকে মুচলেকা সংক্রান্ত নির্দেশিকার বিরুদ্ধে সরব হয়েছে বিএলও ঐক্যমঞ্চ। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক স্বপন মণ্ডল বলেন, 'এবার থেকে নতুন একটা বিষয় করা হয়েছে। ভোট শুরুর ঠিক আগে প্রিসাইডিং অফিসারদের ২০ মিনিট থেকে ২৫ মিনিট একটা ব্রিফ ট্রেনিং দেওয়া হবে। যাকে বলা হচ্ছে শেষ মুহূর্তের ট্রেনিং। এটা সম্পূর্ণভাবে নতুন চালু করছে। সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, অফিসাররা ট্রেনিংয়ের পর যখন চলে যাচ্ছেন, তখন তাঁদের একটা মুচলেকা দিতে হবে। আমরা বুঝতে পারছি না যে কেন এই মুচলেকা দিতে হবে। প্রিসাইডিং অফিসাররা যখন চলে যাবেন, তখন তো একটা সই তাঁরা করছেন। তারপরেও আবার মুচলেকা কেন?'