তৃণমূলের যোগদানের ২৪ ঘণ্টা যেতে না যেতেই ফের বিজেপিতে ফিরলেন দিনহাটার মণ্ডল সভাপতি। বিজেপিতে ফিরে এসে দিনহাটার ৩ নম্বর মণ্ডল বিজেপির সভাপতি কমল মণ্ডল অভিযোগ করলেন, তৃণমূলের লোকজন বন্দুক ধরে ভয় দেখিয়ে তাঁকে তৃণমূলে যোগদান করিয়েছিল। উল্লেখ্য, গত ২৩ ফেব্রুয়ারি তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন বিজেপি নেতা কমল। এরপর ২৪ ফেব্রুয়ারি তিনি ফিরে আসেন গেরুয়া শিবিরে। পার্টি অফিসে বসে তিনি সাংবাদিকদের দেখান ক্রেপ ব্যান্ডেজ বাঁধা হাত। দাবি করেন, তাঁকে ভয় দেখিয়েছিল তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা।

২৪ ফেব্রুয়ারি বিজেপির অফিসে যান কমল মণ্ডল। এই কমলবাবু বিজেপির জেলা কমিটির সদস্য ছিলেন। এই আবহে বিধানসভা ভোটের আগে তৃণমূলে তাঁর যোগদান জেলার রাজনীতিতে বেশ উল্লেখযোগ্য বলে ধরে নেওয়া হয়েছিল। প্রসঙ্গত, গত লোকসভা ভোটে কোচবিহার আসনটি বিজেপির থেকে ছিনিয়ে নিয়েছিল তৃণমূল। তাও উত্তরবঙ্গে সার্বিক ভাবে বিজেপির থেকে পিছিয়ে তৃণমূল। তবে রাজবংশী ভোট এবার নিজেদের দিকে টানতে মরিয়া ঘাসফুল শিবির। এই আবহে বিজেপির 'বিদ্রোহী' রাজ্যসভা সাংসদ অনন্ত মহারাজকে বঙ্গবিভূষণ সম্মানে সম্মানিত করছে মমতার সরকার। এরই সঙ্গে রয়েছে দলবদলের খেলা। তবে কমল মণ্ডল একদিনের মাথায় বিজেপিতে ফিরে এসে তৃণমূলের বিরুদ্ধে কার্যত বিস্ফোরণ ঘটালেন।
কমল মণ্ডলের অভিযোগ, তাঁকে বন্দুক দেখিয়ে তৃণমূল অফিসে নিয়ে যাওয়া হয় এবং তাঁর হাতে তৃণমূলের পতাকা তুলে দেওয়া হয়। এদিকে কমল মণ্ডলের এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তৃণমূলের দিনহাটা ২ নম্বর ব্লক সভাপতি দীপক ভট্টাচার্য। তাঁর দাবি, কমলবাবু নাকি নিজেই স্থানীয় তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে দেখা করে যোগদানের ইচ্ছে প্রকাশ করেছিলেন। তবে কমল মণ্ডলের দাবি, তিনি এখনও বিজেপিতেই আছেন। এই দাবি, পালটা দাবি আবহে কোচবিহার জেলায় রাজনৈতিক মহল সরগরম।