...
...
Next Story

WBCS Officers: WBCS-র ক্ষেত্রে ‘ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত’ রাজ্যের! অফিসারদের সামনে প্রোমোশনের সুযোগ

পশ্চিমবঙ্গ সিভিল সার্ভিস (WBCS) অফিসারদের ক্ষেত্রে ‘ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত’ নিল রাজ্য সরকার! অফিসারদের সামনে প্রোমোশনের সুযোগ খুলে দেওয়া হল। মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেই ঘোষণা করেছেন নবান্নের সাংবাদিক বৈঠক থেকে।

Published on: Feb 17, 2026, 18:09:08 IST
Advertisement

WBCS অফিসারদের জন্য ‘ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত’ নিল রাজ্য সরকার। মঙ্গলবার রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকের পরে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, WBCS অফিসাররা দু'বছর বিডিও (ব্লক ডেভেলপমেন্ট অফিসার) হিসেবে দায়িত্ব পালন করার পরেই মহকুমা শাসক হয়ে যেতে পারবেন। সেইসঙ্গে গ্রুপ ‘এ’ অফিসারদেরও পদোন্নতির দরজা খুলে দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি দাবি করেছেন, প্রশাসনিক কাজের জন্য WBCS এবং আইন-শৃঙ্খলার কাজের জন্য WBPS-র মধ্যে সাম্য আনা হচ্ছে।

WBCS এক্সজিকিউটিভ অফিসারদের জন্য বড় সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে নির্বাচন কমিশন)
WBCS এক্সজিকিউটিভ অফিসারদের জন্য বড় সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে নির্বাচন কমিশন)

আর মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী সেই ঘোষণা করেছেন নবান্নের সাংবাদিক বৈঠক থেকে। তিনি বলেন, ‘একটা ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টে নির্বাচন কমিশনের তরফে বলা হচ্ছিল না যে তোমাদের এসডিএ কম। কারণ আমাদের জেলা কম। মাত্র ২৩টি জেলা। ফলে সাব-ডিভিশন কম। আসতে-আসতে তো জেলা বাড়বে। পুলিশ জেলা যেমন বেড়ে অনেকগুলো হয়েছে। এমনি জেলা আছে ২৩টি।’

WBCS এক্সজিকিউটিভ অফিসারদের নিয়ে কী সিদ্ধান্ত?

রাজ্য মন্ত্রিসভার সেই সিদ্ধান্তের কথা ব্যাখ্যা করেন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'আমরা আজ ক্যাবিনেটে পাশ করেছি যে WBCS এক্সজিকিউটিভ যাঁরা আছেন, তাঁরা দু'বছর প্রবেশনার থাকবেন এবং তিন বছর বিডিও করেই এসডিও হয়ে যাবেন।' সেইসঙ্গে তিনি বলেন, ‘অন্যান্য যে ক্যাডার আছে এবং অন্যান্য যে ডিপার্টমেন্ট আছে, সেগুলিকে নিয়ে একটি কমিটি করেছি। ইতিমধ্যে ৪৬টি ডিপার্টমেন্ট চিহ্নিত করা হয়েছে। আরও করব। যাতে এই সমপর্যায়ে থাকা গ্রুপ এ অফিসারদের প্রোমোশন হয়, (সেটা দেখা হবে)। ওঁরা কখনও ভালোভাবে প্রোমোশন পান না। একটি জায়গায় শুরু করেন। একটি জায়গায় শেষ হয়ে যায়। সুতরাং তাঁদের প্রোমোশনের জন্য তাঁরাও এই সুবিধা পাবেন।’

'WBCS এবং WBPS-র মধ্যে সাম্য'

তারইমধ্যে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সমীক্ষায় (এসআইআর) বেনিয়মের অভিযোগে নির্বাচন কমিশন যে সাত অতিরিক্ত ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসারকে (এইআরও) সাসপেন্ড করেছে, তাঁদের চাকরি যাচ্ছে না। তাঁদের শুধুমাত্র ভোটের কাজ থেকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। তাঁরা জেলায় কাজ করবেন। তাঁদের পাশে আছে রাজ্য সরকার। এমনকী পদোন্নতির সুযোগ থাকছে বলে আশ্বস্ত করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি দাবি করেছেন, ওই সাত অফিসারকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হয়নি।

 
ABOUT THE AUTHOR
Ayan Das

অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe