২৭ মার্চ গভীর রাত সাড়ে ১১টা নাগাদ এসআইআর-এ দ্বিতীয় সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকা প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন। আগেরবারের সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ হওয়ার পর দেখা গিয়েছিল, কতজন ভোটারের নাম বাদ গিয়েছে, তা নিয়ে স্পষ্ট কোনও জবাব দিতে পারছিল না নির্বাচন কমিশন। আর দ্বিতীয় দফায় সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট প্রকাশ হওয়ার সময় জানা গেল না কজনের নাম বাদ পড়েছে এই দফায়। তবে রিপোর্ট অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত ৩৭ লক্ষ নামের নিষ্পত্তি হয়েছে।

উল্লেখ্য, বাংলায় এসআইআরের 'চূড়ান্ত তালিকায়' ৬৩ লাখ লোকের নাম বাদ পড়েছিল। এছাড়া আরও প্রায় ৬০ লাখ ভোটারের নাম ছিল বিচারাধীন। এই আবহে বিচারাধীন ভোটারদের যোগ্যতা বিচার করতে বিচারপতিদের নিয়োগ করা হয়েছিল সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে। সেই মতো দুই দফায় আর্ধেকেরও বেশি বিচারাধীন নাম নিয়ে নিষ্পত্তি হয়েছে। তবে এর আগে একাধিক রিপোর্টে দাবি করা হয়েছিল, প্রথম সাপ্লিমেন্টারি তালিকা থেকে প্রায় ১০ লাখ ভোটারের নাম বাদ গিয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত ২৩ মার্চ প্রাথমিক ভাবে নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে জানানো হয়েছিল, রাত ৯টা নাগাদ প্রকাশিত হবে সাপ্লিমেন্টারি তালিকা। তবে পরে গিয়ে মধ্যরাতের কিছু আগে প্রকাশিত হয়েছিল সেই তালিকা। সেদিন রাত প্রায় পৌনে বারোটা নাগাদ প্রথম সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট আপলোড করা হয়েছে নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে। আর ২৭ মার্চেও মধ্যরাতের আধঘণ্টা আগে প্রকাশ করা হয় দ্বিতীয় সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট।
নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে গিয়েই নিজের নাম খুঁজতে পারেন ভোটাররা। এর জন্য voters.eci.gov.in ওয়েবসাইটে যেতে হবে। অথবা এই লিঙ্কে ক্লিক করে সরাসরি তালিকা ডাউনলোডের পেজে চলে যেতে পারেন - https://voters.eci.gov.in/download-eroll?stateCode=S25। এছাড়া জেলাশাসকের অফিসে গিয়ে তালিকা দেখতে পারেন। এছাড়া এসিডও ও এডিএম-এর অফিসে গিয়ে তালিকা দেখতে পারবেন। প্রত্যেক বুথে বুথেও তালিকা টাঙিয়ে দেওয়ার কথা।
{{/usCountry}}নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে গিয়েই নিজের নাম খুঁজতে পারেন ভোটাররা। এর জন্য voters.eci.gov.in ওয়েবসাইটে যেতে হবে। অথবা এই লিঙ্কে ক্লিক করে সরাসরি তালিকা ডাউনলোডের পেজে চলে যেতে পারেন - https://voters.eci.gov.in/download-eroll?stateCode=S25। এছাড়া জেলাশাসকের অফিসে গিয়ে তালিকা দেখতে পারেন। এছাড়া এসিডও ও এডিএম-এর অফিসে গিয়ে তালিকা দেখতে পারবেন। প্রত্যেক বুথে বুথেও তালিকা টাঙিয়ে দেওয়ার কথা।
{{/usCountry}}ওপরে উল্লেখিত লিঙ্কে গেলে রাজ্যের নাম, ভোটার তালিকা সংশোধনের বছর, রোলের ধরন, জেলা, বিধানসভা কেন্দ্র, ভাষা বেছে নিয়ে ক্যাপচা দেবেন। এরপর নীচে তালিকা আসবে। সেখান থেকে নিজের বুথের পাশে ক্লিক করে বেছে নিতে হবে এবং তা ডাউনলোড বোতামে টিপতে হবে। তারপরই সংশ্লিষ্ট পিডিএফ ডাউনলোড হয়ে যাবে। আপনার নাম তালিকায় আছে কি না, তা দেখতে অ্যাডজুডিকেশন সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট নম্বর ২ বিকল্পটি বেছে নেবেন 'রোলের ধরন' (রোল টাইপ) থেকে। আর যদি সেই তালিকায় আপনার নাম না থাকে, তাহলে রোলের ধরন থেকে অ্যাডজুডিকেশন ডিলিটেড লিস্ট নম্বর ২-তে গিয়ে নাম খুঁজতে পারেন। নাম বাদ দেওয়া হলে আপিল করা যাবে অবসরপ্রাপ্ত বিচারক-বিচারপতিদের নিয়ে গঠিত ট্রাইবুনালে। এই ধরনের নিষ্পত্তির জন্যে মোট ১৯টি ট্রাইবুনাল গঠন করা হয়েছে। অনলাইন ও অফলাইন, দুই মাধ্যমেই আবেদন করা যাবে সেখানে। অনলাইনে হলে ইসিআই নেট অ্যাপ বা নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট থেকে যথাযোগ্য নথিপত্র দিয়ে আপিল করা যাবে বলে জানা গিয়েছে। আর নয়ত জেলাশাসক, অতিরিক্ত জেলাশাসক বা মহকুমাশাসকের দফতরে আবেদন করা যাবে। ২৩ মার্চ প্রকাশিত তালিকায় যাদের নাম ডিলিটেড তালিকায় আছে, তারা ৬ এপ্রিল পর্যন্ত আবদেন করতে পারবেন। আর ২৭ মার্চের তালিকায় যাদের নাম মোছা হয়েছে, তাঁরা ১১ এপ্রিলের মধ্যে আবেদন করতে পারবেন।