প্রথম দফার ভোটে তুলনামূলক শান্তি বজায় ছিল রাজ্যে। তবে দ্বিতীয় দফার ভোটে সকাল থেকেই উত্তপ্ত দক্ষিণবঙ্গ। এই আবহে তৃণমূলকে কটাক্ষ করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা শান্তনু ঠাকুর। তিনি বলেন, 'ঝামেলা অশান্তি করা তৃণমূলের গণতান্ত্রিক অধিকার। যেখানে ঝামেলা হবে সেখানে যেটা করার, কেন্দ্র বাহিনী সেটাই করবে।' উল্লেখ্য, বিপুল সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস সরব হয়েছে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে।

এই আবহে বিজেপি নেতা বলেন, 'তোমার ক্যাডাররা ভোট দিতে আসতে দেবে না, সেখানে কেন্দ্রীয় বাহিনী যাবে না এটা তো হয় না। ভারতীয় জনতা পার্টি ব্যাপক আসন নিয়ে জয়লাভ করবে। বনগাঁ সাতটি আসনের মধ্যে সাতটি আমরা জিতব।' এদিকে ফলতায় তৃণমূল প্রার্থী বনাম উত্তরপ্রদেশের আইপিএস নিয়ে শান্তনু বললেন, 'যিনি এসেছেন তিনি একজন সুপার দায়িত্বশীল ব্যক্তি। যারা দায়িত্বে আছেন, তাঁরা তাদের ডিউটি করছে। এই সমস্ত নাটকের কথা বলে কোন লাভ নেই।'
এদিকে শুধু কেন্দ্রীয় বাহিনী নয়, কলকাতা-সহ বিভিন্ন জেলায় নেমে পড়েছে এনআইএ-র দল। বর্তমানে এনআইএ-র সাতটি দল রাজ্যে কাজ করছে। এক-একটি দলে দু’-তিনজন করে অফিসার আছেন। হুগলি, নদিয়া, বর্ধমান, ব্যারাকপুর কমিশনারেট, ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলায় এনআইএ-র দল যায়। এদিকে ভোটের আগের থেকেই জেলায় জেলায় পুলিশি ধরপাকড় চলছে। হাজারের বেশি দুষ্কৃতীদের ভোটের আগেই জেলে ভরা হয়েছে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে। তবে এরই মাঝে তৃণমূল আবার অভিযোগ করেছে, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে পুলিশ নাকি বেছে বেছে তৃণমূল কর্মীদের 'তুলছে'।
উল্লেখ্য, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে দ্বিতীয় দফার ২৩২১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে দক্ষিণবঙ্গে। এর মধ্যে কলকাতাকে মোট ৩৫১টি সেক্টরে ভাগ করে ২২ হাজার কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানকে মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া টহলদারিতে থাকবেন অন্তত ১২ হাজার পুলিশ। অপরদিকে রাজ্যের দ্বিতীয় দফার ভোট হচ্ছে এমন জেলাগুলির হাইরাইজ ও গেটেড কমপ্লেক্সের প্রবেশপথে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে নির্দেশ দেওয়া হয় রাজ্যের ডিজি এবং কলকাতা পুলিশ কমিশনারকে।
{{/usCountry}}উল্লেখ্য, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে দ্বিতীয় দফার ২৩২১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে দক্ষিণবঙ্গে। এর মধ্যে কলকাতাকে মোট ৩৫১টি সেক্টরে ভাগ করে ২২ হাজার কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানকে মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া টহলদারিতে থাকবেন অন্তত ১২ হাজার পুলিশ। অপরদিকে রাজ্যের দ্বিতীয় দফার ভোট হচ্ছে এমন জেলাগুলির হাইরাইজ ও গেটেড কমপ্লেক্সের প্রবেশপথে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে নির্দেশ দেওয়া হয় রাজ্যের ডিজি এবং কলকাতা পুলিশ কমিশনারকে।
{{/usCountry}}