কয়েকদিন আগেই একযোগ ৭৩ জন রিটার্নিং অফিসারকে সরিয়ে দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। তাঁদের বদলে এবার নয়া আধিকারিক নিয়োগ শুরু করেছে কমিশন। এই আবহে দেখা গিয়েছে, ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে যে সুরজিৎ রায়কে রিটার্নিং অফিসার করা হয়েছে, তাঁকে নিয়ে আপত্তি আছে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের। ঘাসফুল শিবিরের অভিযোগ, ওই অফিসার রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ। এই আবহে নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ দায়ের করল তৃণমূল কংগ্রেস।

দিন কয়েক আগে নির্বাচন কমিশন নির্দেশিকা জারি করে রাজ্যের ৭৩ জন রিটার্নিং অফিসারকে সরিয়ে দেয়। তাঁদের বদলে যাঁদের রিটার্নিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, তাঁদের বেশিরভাগই মহকুমাশাসক বা এসডিও। এর আগে বিগত নির্বাচনগুলিতে রাজ্যের অনুরোধ মেনে জেলাশাসকদেরই রিটার্নিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ করে আসছিল কমিশন। উল্লেখ্য, অন্যান্য রাজ্যে মহকুমা শাসক বা সমমর্যাদার আধিকারিকদেরই রিটার্নিং অফিসার করা হয়ে থাকে।
প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গে ভোট নির্ঘণ্টের পরপরই একাধিক পুলিশ আধিকারিক এবং আমলাকে বদলি করে নির্বাচন কমিশন। উল্লেখ্য, গত ১৫ মার্চ মধ্যরাত থেকেই পুলিশ প্রশাসনে রদবদল শুরু করেছিল নির্বাচন কমিশন। প্রথমে রাজ্যের মুখ্যসচিব এবং স্বরাষ্ট্রসচিব পদে রদবলদ করা হয় রবিবার রাতেই। পরে রাজ্যের ডিজিপি এবং কলকাতা পুলিশের কমিশনার পদে রদবদল করে কমিশন। পীযুষ পাণ্ডের জায়গায় নতুন ডিজি করা হয় সিদ্ধিনাথ গুপ্তকে। এবং সুপ্রতিম সরকারের বদলে কলকাতা পুলিশের নয়া কমিশনার হন অজয় নন্দ।
এরপর কলকাতার ডিসি (সেন্ট্রাল) পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়কে। এরই সঙ্গে রাজ্যের ১২ জায়গায় পুলিশ সুপারকেও পাল্টে দেয় নির্বাচন কমিশন। বীরভূম, ডায়মন্ড হারবার, পূর্ব মেদিনীপুর, কোচবিহার, মালদার পুলিশ সুপাররা এই তালিকায় রয়েছেন। এরপর ১৮ মার্চ নয়া নির্দেশিকা জারি করে পাঁচ ডিআইজি, দুই পুলিশ কমিশনার এবং একঝাঁক জেলাশাসককে সরিয়ে দেওয়া হয়। রায়গঞ্জ, মুর্শিদাবাদ, বর্ধমান, জলপাইগুড়ি এবং প্রেসিডেন্সি রেঞ্জের ডিআইজিদের সরিয়ে দেওয়া হয়। ১১ জেলার জেলাশাসকদের সরানো হয়েছিল। বিধাননগর এবং শিলিগুড়ির পুলিশ কমিশনারকেও সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তারপর মুরলীধর শর্মা, আকাশ মাঘারিয়া, ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়ের মতো একাধিক আইপিএসকে অন্যত্র বহাল করেছিল রাজ্য সরকার। তবে সেই নিয়োগ বাতিল করে ভিনরাজ্যের ভোটে অবজার্ভার করে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন।
{{/usCountry}}এরপর কলকাতার ডিসি (সেন্ট্রাল) পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়কে। এরই সঙ্গে রাজ্যের ১২ জায়গায় পুলিশ সুপারকেও পাল্টে দেয় নির্বাচন কমিশন। বীরভূম, ডায়মন্ড হারবার, পূর্ব মেদিনীপুর, কোচবিহার, মালদার পুলিশ সুপাররা এই তালিকায় রয়েছেন। এরপর ১৮ মার্চ নয়া নির্দেশিকা জারি করে পাঁচ ডিআইজি, দুই পুলিশ কমিশনার এবং একঝাঁক জেলাশাসককে সরিয়ে দেওয়া হয়। রায়গঞ্জ, মুর্শিদাবাদ, বর্ধমান, জলপাইগুড়ি এবং প্রেসিডেন্সি রেঞ্জের ডিআইজিদের সরিয়ে দেওয়া হয়। ১১ জেলার জেলাশাসকদের সরানো হয়েছিল। বিধাননগর এবং শিলিগুড়ির পুলিশ কমিশনারকেও সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তারপর মুরলীধর শর্মা, আকাশ মাঘারিয়া, ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়ের মতো একাধিক আইপিএসকে অন্যত্র বহাল করেছিল রাজ্য সরকার। তবে সেই নিয়োগ বাতিল করে ভিনরাজ্যের ভোটে অবজার্ভার করে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন।
{{/usCountry}}