রাজ্যের সরকারি চাকরিপ্রার্থীদের জন্য বড় সিদ্ধান্ত নিল নতুন সরকার। দীর্ঘদিন ধরে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় জট এবং অনিয়মের অভিযোগের কারণে বহু চাকরিপ্রার্থী নির্ধারিত বয়সসীমা পেরিয়ে গিয়েছিলেন। সেই পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে সরকারি চাকরিতে আবেদনের সর্বোচ্চ বয়সসীমা পাঁচ বছর বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এই নিয়ে আগেই ঘোষণা দিয়েছিলেন। এবার প্রশাসনিকভাবে এই নিয়ে নির্দেশিকা জারি করল রাজ্যের অর্থ দফতর।

প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেন, ২০১৫ সালের পর থেকে রাজ্যে কার্যত বড় কোনও নিয়োগ হয়নি। ফলে বহু শিক্ষিত যুবক-যুবতী চাকরির সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। তাঁদের জন্যই এই বিশেষ ছাড় দেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, দীর্ঘদিন ধরে নিয়োগ প্রক্রিয়া থমকে থাকায় অসংখ্য প্রার্থী বয়সের কারণে অযোগ্য হয়ে পড়েছিলেন। নতুন সিদ্ধান্ত তাঁদের কাছে নতুন সুযোগ এনে দেবে।
নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, গ্রুপ ‘এ’ পদে সর্বোচ্চ বয়সসীমা করা হয়েছে ৪১ বছর। গ্রুপ ‘বি’ পদে সর্বোচ্চ বয়সসীমা করা হয়েছে ৪৪ বছর। গ্রুপ ‘সি’ ও গ্রুপ ‘ডি’ পদে সর্বোচ্চ বয়সসীমা করা হয়েছে ৪৫ বছর। যেসব পদে আগে থেকেই এর চেয়ে বেশি বয়সসীমা ছিল, তা অপরিবর্তিত থাকবে। পাবলিক সার্ভিস কমিশনের বাইরে অন্যান্য নিয়োগ ক্ষেত্রেও সর্বোচ্চ বয়সসীমা হবে ৪৫ বছর।
নিয়োগ দুর্নীতি এবং আদালতে মামলা চলার কারণে বহু পরীক্ষার্থী বছরের পর বছর ধরে আন্দোলন করেছেন। চাকরির পরীক্ষায় বসার সুযোগ না পেয়ে অনেকেই হতাশ হয়ে পড়েছিলেন। বিজেপি নির্বাচনী প্রচারের সময়ই জানিয়েছিল, ক্ষমতায় এলে চাকরিপ্রার্থীদের জন্য বয়সে পাঁচ বছরের ছাড় দেওয়া হবে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও প্রচারে এসে একই প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। সরকার গঠনের পর প্রথম ক্যাবিনেট বৈঠকেই সেই প্রতিশ্রুতি কার্যকর করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
সরকারের এই ঘোষণায় চাকরিপ্রার্থীদের মধ্যে স্বস্তির পরিবেশ তৈরি হয়েছে। আন্দোলনকারী পরীক্ষার্থীদের একাংশের মতে, দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তার পর এই সিদ্ধান্ত অনেকের জন্য নতুন আশার দরজা খুলে দিল। তাঁদের বক্তব্য, নিয়োগে বিলম্বের কারণে যে ক্ষতি হয়েছে, বয়সসীমা বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত তা কিছুটা হলেও পূরণ করতে সাহায্য করবে।
{{/usCountry}}সরকারের এই ঘোষণায় চাকরিপ্রার্থীদের মধ্যে স্বস্তির পরিবেশ তৈরি হয়েছে। আন্দোলনকারী পরীক্ষার্থীদের একাংশের মতে, দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তার পর এই সিদ্ধান্ত অনেকের জন্য নতুন আশার দরজা খুলে দিল। তাঁদের বক্তব্য, নিয়োগে বিলম্বের কারণে যে ক্ষতি হয়েছে, বয়সসীমা বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত তা কিছুটা হলেও পূরণ করতে সাহায্য করবে।
{{/usCountry}}