...
...
Next Story

WB Governor RN Ravi: শপথ অনুষ্ঠানে মমতার বার্তার পর কালীঘাটে রাজ্যপাল, কী বললেন বাংলাকে?

নেতাজি, রামকৃষ্ণ দেব, চৈতদন্যদেব, বিবেকানন্দ, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় থেকে শুরু করে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কথা স্মরণ করেন তিনি। এদিকে স্ত্রীকে নিয়ে কালীঘাটে গিয়ে পুজো দেন নয়া রাজ্যপাল আরএন রবি।

Published on: Mar 13, 2026, 09:32:43 IST
By
Prefer HTon Google
Advertisement

দুর্গানাম স্মরণ করে বিদায় নিয়েছিলেন আনন্দ কুমার বোস। তাঁর উত্তরসূরি আরএন রবি শুরু করলেন সেই দুর্গানাম দিয়েই। পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল হিসেবে নিজের প্রথম বার্তায় আরএন রবি লিখলেন, 'আমি মা দুর্গার কাছে প্রার্থনা করি তিনি যেন আমাকে জ্ঞান ও শক্তি দেন, যাতে আমি এই মহান বাংলার মানুষের সেবা সর্বান্তকরণে ও নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করতে পারি।' এরই সঙ্গে নেতাজি, রামকৃষ্ণ দেব, চৈতদন্যদেব, বিবেকানন্দ, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় থেকে শুরু করে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কথা স্মরণ করেন তিনি। এদিকে স্ত্রীকে নিয়ে কালীঘাটে গিয়ে পুজো দেন নয়া রাজ্যপাল আরএন রবি।

পশ্চিমবঙ্গের ২২তম রাজ্যপাল আরএন রবি (PTI)
পশ্চিমবঙ্গের ২২তম রাজ্যপাল আরএন রবি (PTI)

বাংলায় বার্তা দিয়ে লোকভবনের সরকারি এক্স অ্যাকাউন্টে আরএন রবি লেখেন, 'পশ্চিমবঙ্গের মানুষের সেবা করার সুযোগ লাভ করা আমার কাছে এক মহান দায়িত্ব ও গৌরবের বিষয়। সহস্রাব্দ ধরে এই মহান ভূমি ভারতের আধ্যাত্মিক, বৌদ্ধিক ও সাংস্কৃতিক জাগরণের এক উজ্জ্বল কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। এই সেই পবিত্র ভূমি, যেখানে হাজার হাজার বছর আগে বেদের চিরন্তন জ্ঞান বিকশিত হয়েছে। এই ভূমিতেই গৌতম বুদ্ধের শিক্ষা নতুনভাবে প্রকাশ পেয়েছে। এখানেই ভক্তি আন্দোলনের মহান ধারা বিকশিত হয়েছে এবং এখান থেকেই ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলন শক্তি ও প্রেরণা পেয়েছে। বিদেশি আক্রমণ ও শাসনের এক কঠিন সময়ে, যখন আমাদের সংস্কৃতি ও পরিচয় ধ্বংস করার চেষ্টা চলছিল, তখন এই বাংলার মাটিই জন্ম দিয়েছে অসংখ্য মহান ব্যক্তি ও মহাপুরুষকে। তাঁদের মধ্যে আছেন শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু, ভগবান শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংস, স্বামী বিবেকানন্দ, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়- যাঁর রচিত 'বন্দে মাতরম্' আমাদের স্বাধীনতা আন্দোলনের যুদ্ধধ্বনি হয়ে উঠেছিল। আছেন বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, বিপ্লবী আধ্যাত্মিক নেতা শ্রী অরবিন্দ এবং মহান বিপ্লবী স্বাধীনতা সংগ্রামী নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু এবং ডঃ শ্যামা প্রসাদ মুখার্জি। আমি মা দুর্গার কাছে প্রার্থনা করি—তিনি যেন আমাকে জ্ঞান ও শক্তি দেন, যাতে আমি এই মহান বাংলার মানুষের সেবা সর্বান্তকরণে ও নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করতে পারি।'

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe