WB Schools Timing Change: সকালে স্কুল নিতে পারেন, গরমের জেরে অনুমতি রাজ্যের, মমতার মতো ছুটি বাড়ানো হল না
WB Schools Timing Change: গরম বাড়লেই রাজ্যজুড়ে স্কুলে ছুটি দিয়ে দিত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। তবে সেই পথে হাঁটল না শুভেন্দু অধিকারীর সরকার। গরমের জন্য প্রাথমিক বা মাধ্যমিক স্তরের স্কুলগুলিকে সকালে ক্লাস নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হল।
WB Schools Timing Change: গরমের ছুটি কাটিয়ে অবশেষে ১ জুন থেকে রাজ্যের সরকারি ও সরকার-পোষিত স্কুলগুলির দরজা খুলেছে। কিন্তু স্কুল খুললেও কমেনি প্রকৃতির রোষ। জুনের শুরুতেই দক্ষিণবঙ্গজুড়ে চলছে অস্বস্তিকর এবং ভ্যাপসা গরম। এই পরিস্থিতিতে ছাত্রছাত্রীদের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে এক বড়সড় এবং তাৎপর্যপূর্ণ পদক্ষেপ করল পশ্চিমবঙ্গ সরকারের স্কুল শিক্ষা দফতর। আগামী দুই সপ্তাহের জন্য প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের স্কুলগুলিতে ‘মর্নিং শিফট’ চালু করার ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। বিকাশ ভবন সূত্রের খবর, তীব্র গরমের কারণে যাতে পড়ুয়ারা অসুস্থ হয়ে না পড়েন, সেজন্যই সেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। স্কুল শিক্ষা দফতরের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যেই এই সংক্রান্ত একটি জরুরি নির্দেশিকা রাজ্যের সমস্ত জেলার বিদ্যালয় পরিদর্শকদের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

সকালে ক্লাস নেওয়ার অনুমতি
পাহাড়ি এলাকা বাদে রাজ্যের সমস্ত জেলায় পাঠানো স্কুল শিক্ষা দফতরের নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, যেখানে যেখানে তীব্র গরম থাকবে, সেখানে স্কুল সকালে করে নেওয়া যেতে পারে। আপাতত দু'সপ্তাহের জন্য সকালে ক্লাস নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। পরবর্তীতে পরিস্থিতি বিচার করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে সূত্রের খবর।
তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রি, কিন্তু মনে হচ্ছে ৪৭ ডিগ্রির মতো
এমনিতে এখন প্রবল গরম চলছে দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায়। তাপমাত্রা খাতায়কলমে বেশি না হলেও আপেক্ষিক আর্দ্রতা বেশি থাকায় গরম হচ্ছে। বেলা বাড়তেই কষ্ট হচ্ছে মানুষের। এখন কলকাতার তাপমাত্রা যেমন বলা হচ্ছে ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কিন্তু সেটাই ৪৭ ডিগ্রির মতো অনুভূত হচ্ছে। একইভাবে কৃষ্ণনগরের আসল তাপমাত্রা এখন ৩৬ ডিগ্রি হলেও গরমটা লাগছে ৪৬ ডিগ্রির মতো। সেই পরিস্থিতিতে পড়াশোনায় ক্ষতি যাতে না হয়, সেটার উপরে জোর দিয়েছে পড়ুয়াদের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্য এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে বলে বিকাশ ভবন সূত্রে খবর।
গরম কি কমবে আগামিদিনে?
তারইমধ্যে আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, আরও গরম বাড়বে দক্ষিণবঙ্গে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা দুই-তিন ডিগ্রি বাড়তে পারে। পরবর্তী কয়েকদিন সর্বোচ্চ তাপমাত্রার তেমন হেরফের হবে না। শুধু তাই নয়, সেরকম বৃষ্টিরও পূর্বাভাস নেই আগামী ৮ জুন পর্যন্ত। একেবারে অল্পবিস্তর বৃষ্টি হবে। ফলে গরম থেকে রেহাই মেলার এখনই কোনও আশা দেখা যাচ্ছে না।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


