JEE Advanced Topper Bhavesh Patra Tips: সোশ্যাল মিডিয়া 'ব্যান', কীভাবে নিজেই পড়ে JEE Advanced-তে 'টপার' হলেন ভবেশ?
JEE Advanced Topper Bhavesh Patra Tips: সোশ্যাল মিডিয়া বর্জন ও ১০ ঘণ্টার সেলফ স্টাডি। ২০২৬ সালের জেইই অ্যাডভান্সড পরীক্ষায় সর্বভারতীয় স্তরে ২৯ তম স্থান অধিকার করেছেন ভবেশ পাত্র। কীভাবে পড়াশোনা করেছিলেন?
JEE Advanced Topper Bhavesh Patra Tips: জেইই অ্যাডভান্সড পরীক্ষায় সর্বভারতীয় স্তরে ২৯ তম স্থান অধিকার করেছেন ভবেশ পাত্র। তিনি ওড়িশার মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করেছেন। একইসঙ্গে আইআইটি ভুবনেশ্বর জোনেরও টপার হিসেবে উঠে এসেছে তাঁর নাম। তাঁর এই অভাবনীয় সাফল্যে পরিবার থেকে শুরু করে পুরো রাজ্য আজ গর্বিত। ভবেশের মোট ৩৬০ নম্বরের মধ্যে প্রাপ্ত নম্বর ২৯৩। তবে এই প্রথম নয়, জাতীয় স্তরের প্রবেশিকা পরীক্ষায় ভবেশের পারফরম্যান্স বরাবরই অসাধারণ।

JEE-Mains পরীক্ষায় ভবেশের ছিল ১০০ পার্সেন্টাইল
এর আগে ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (এনটিএ) আয়োজিত 'জেইই মেইন' (JEE Main 2026)-এর দুটি সেশনেই ১০০ পার্সেন্টাইল স্কোর ছিল ভবেশের। ওড়িশা থেকে তিনিই একমাত্র প্রার্থী ছিলেন, যিনি দুটি সেশনেই এই অভাবনীয় কৃতিত্ব অর্জন করেছিলেন। ভবেশের এই ধারাবাহিক সাফল্য প্রমাণ করে যে তাঁর প্রস্তুতি কতটা নিখুঁত ছিল। ভবেশের মা জয়শ্রী বেহেরা একজন সরকারি ইঞ্জিনিয়ার এবং বাবা বিশ্বজিৎ পাত্র একজন চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট। মা-বাবা ভবেশের এই সাফল্যের পিছনে অন্যতম বড় অনুঘটক হিসেবে কাজ করেছে।
সাফল্যের মূল চাবিকাঠি: সোশ্যাল মিডিয়া থেকে সম্পূর্ণ দূরত্ব
আজকের ডিজিটাল যুগে যেখানে ছাত্রছাত্রীদের একটা বড় অংশ সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যস্ত, সেখানে ভবেশের সাফল্যের মূলমন্ত্র ছিল সম্পূর্ণ বিপরীত। নিজের পড়াশোনার স্ট্র্যাটেজি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে ভবেশ জানান, বিগত দুই বছরের কঠোর শৃঙ্খলা এবং একনিষ্ঠ ধারাবাহিকতাই তাঁকে এই জায়গায় পৌঁছে দিয়েছে।
অন্যান্য পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে এক বিশেষ পরামর্শ দিয়ে ভবেশ বলেন, ‘যে কোনও বড় পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য ধারাবাহিকতা সবচেয়ে বেশি জরুরি। আমি আমার প্রস্তুতির পুরো সফরে সোশ্যাল মিডিয়া থেকে নিজেকে সম্পূর্ণ দূরে রেখেছিলাম। এটি আমার মনোযোগ ধরে রাখতে ভীষণভাবে সাহায্য করেছিল। আমি শুধু শিক্ষক ও মেন্টরদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার জন্য হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করতাম, তাও অত্যন্ত সীমিত সময়ের জন্য।’
আরও পড়ুন:
রোজ ১০ ঘণ্টার সেলফ স্টাডি ও ভবিষ্যৎ লক্ষ্য
কোচিং বা স্কুলের ক্লাস করার বাইরেও ভবেশ প্রতিদিন নিয়ম করে কমপক্ষে ১০ ঘণ্টা নিজের পড়াশোনা বা সেলফ স্টাডির জন্য বরাদ্দ রাখতেন। কোনও ফাঁকিবাজি না করে প্রতিদিনের লক্ষ্য প্রতিদিন পূরণ করাই ছিল তাঁর স্বভাব। ভবেশের পরবর্তী লক্ষ্য এখন দেশের সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আইআইটি বম্বে। সেখান থেকে কম্পিউটার সায়েন্স ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে ডিগ্রি অর্জন করতে চান তিনি।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


