WB Govt Contractual Staffs Update: আদৌও দরকার আছে? এই চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের 'অডিট' শুরু রাজ্যের, তারপর?
WB Govt Contractual Staffs Update: আদৌও দরকার আছে? বেকার বেতন দিতে হচ্ছে? রাজ্যের চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের একাংশের অডিট শুরু করল নবান্ন। আর সেই অডিটের পরে কি কাউকে কাউকে ছাঁটাই করা হবে? সেই আশঙ্কাই ঘুরছে।
WB Govt Contractual Staffs Update: পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারি দফতরে আউটসোর্সিং বা থার্ড পার্টি এজেন্সির মাধ্যমে নিযুক্ত চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের নিয়ে এবার বড়সড় পদক্ষেপ করল প্রশাসন। বিভিন্ন সরকারি দফতরে কর্মরত এই ধরনের চুক্তিভিত্তিক কর্মচারীদের প্রকৃত প্রয়োজনীয়তা খতিয়ে দেখতে এবং নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনও আর্থিক অসঙ্গতি বা দুর্নীতি হয়েছে কিনা, তা চিহ্নিত করতে একটি ব্যাপক ‘ম্যানপাওয়ার অডিট’ শুরু করেছে রাজ্য সরকার। নবান্নের সূত্র উদধৃত করে সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, বিভিন্ন সরকারি অফিসে ঠিক কত সংখ্যক চুক্তিভিত্তিক কর্মী বহিরাগত এজেন্সির মাধ্যমে কাজ করছেন, তাঁদের কাজের ধরণ ঠিক কী, কতদিন ধরে তাঁরা কর্মরত রয়েছেন এবং আউটসোর্সড এজেন্সিগুলির মাধ্যমে তাঁদের বেতন বাবদ রাজ্য কোষাগার থেকে প্রতি মাসে ঠিক কত টাকা খরচ হচ্ছে, তার একটি নিখুঁত ও স্বচ্ছ খতিয়ান তৈরি করার লক্ষ্যেই সেই বিশেষ অডিট করা হচ্ছে।

কেন এই আকস্মিক অডিট? আর্থিক তছরুপের আশঙ্কা
দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন বেসরকারি ভেন্ডর বা থার্ড পার্টি এজেন্সির মাধ্যমে কয়েক হাজার চুক্তিভিত্তিক কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতার অভাব এবং সরকারি তহবিলের অপব্যবহার নিয়ে নানা মহল থেকে অভিযোগ উঠছিল।
সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, নবান্নের এক শীর্ষ আধিকারিক জানিয়েছেন আগে ওয়েবেল বিভিন্ন ভেন্ডর বা বেসরকারি এজেন্সির কাছ থেকে কর্মী সংগ্রহ করে সরকারি দফতরে পাঠাত। কিন্তু ২০২৩ সালের পর থেকে ওয়েবেল সেরকম কর্মী পাঠানোর টেন্ডারে অংশগ্রহণ করা বন্ধ করে দেয়। পরিবর্তে বর্তমানে কর্মিবর্গ বিভাগেপ অধীনে থাকা ‘ওয়েবেল টেকনোলজি লিমিটেড’ বিভিন্ন সরকারি দফতরে কর্মী সরবরাহের দায়িত্ব সামলাচ্ছে। এই হাতবদলের পর এবং সামগ্রিক নিয়োগের কাঠামোয় কোনও গলদ রয়েছে কিনা, তা পরিষ্কার করতেই এই অডিটের সিদ্ধান্ত।
স্ক্যানারে বাংলা সহায়তা কেন্দ্র
রাজ্য সরকারের এই অডিট প্রক্রিয়ায় সবচেয়ে বেশি নজরে রয়েছে ‘বাংলা সহায়তা কেন্দ্র’ বা বিএসকে। সাধারণ মানুষকে বিনামূল্যে সরকারি পরিষেবা এবং বিভিন্ন সামাজিক কল্যাণমূলক প্রকল্পের সুবিধা পৌঁছে দিতে পশ্চিমবঙ্গের ২৩টি জেলা জুড়ে প্রায় ৪,০০০ বাংলা সহায়তা কেন্দ্র চালানো হয়। প্রশাসনিক তথ্য অনুযায়ী, প্রতিটি বিএসকেতে তিনজন চুক্তিভিত্তিক কর্মী নিযুক্ত থাকেন এবং এই সমস্ত কর্মীই থার্ড পার্টি ভেন্ডরের মাধ্যমে নিয়োগ করা হয়েছে।
আদৌও দরকার আছে? সন্দিহান শীর্ষ আধিকারিক
ওই রিপোর্ট অনুযায়ী, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সরকারি আধিকারিক দাবি করেছেন যে সাধারণ মানুষকে ডিজিটাল পরিষেবা দেওয়ার জন্য যেখানে ইতিমধ্যেই ‘কমন সার্ভিস সেন্টার’ -এর মতো ব্যবস্থা চালু ছিল, সেখানে নতুন করে বিএসকে খোলার কোনও জরুরি প্রয়োজন ছিল না। বর্তমানে বহু বিএসকেতে কাজ অত্যন্ত কম বা প্রায় নেই বললেই চলে। ফলস্বরূপ, কাজ ছাড়া এই বিপুল সংখ্যক (প্রায় ১২,০০০) কর্মীকে প্রতি মাসে বেতন দেওয়ার কারণে রাজ্য সরকারের কোষাগার থেকে প্রতি বছর একটি বড় অঙ্কের অর্থের অপচয় হচ্ছে।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


