...
...
Next Story

Dilip Ghosh on Restaurants: বাংলার হোটেল-রেস্তরাঁয় কি নিয়মের বালাই নেই? দিলীপের বিস্ফোরক দাবি, ‘বেশিরভাগই বেআইনি’

দিলীপ ঘোষের বক্তব্য, শুধু লাইসেন্সের সমস্যাই নয়। রেস্তরাঁয় কী ধরনের খাবার পরিবেশন করা হচ্ছে, তা নিয়েও নিয়মিত অভিযোগ আসে। প্রশাসন এবার বিষয়টি কঠোরভাবে দেখবে। ইতিমধ্যেই পুলিশ অভিযান শুরু করেছে। ধীরে ধীরে সবকিছু ঠিক করা হবে বলেও দাবি করেছেন তিনি।

Published on: Sep 2, 2026, 09:07:46 IST
Advertisement

পশ্চিমবঙ্গের হোটেল এবং রেস্তরাঁ নিয়ে বিস্ফোরক দাবি করলেন রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। তাঁর অভিযোগ, রাজ্যের অধিকাংশ হোটেল ও রেস্তরাঁই নিয়ম মেনে চলছে না। অনেক প্রতিষ্ঠান যে জমিতে তৈরি, সেই জমিই সরকারি। অথচ প্রয়োজনীয় লাইসেন্স নেই। এমনই দাবি মন্ত্রীর।

দিলীপ ঘোষের বক্তব্য, শুধু লাইসেন্সের সমস্যাই নয়। রেস্তরাঁয় কী ধরনের খাবার পরিবেশন করা হচ্ছে, তা নিয়েও নিয়মিত অভিযোগ আসে। (Shyamal Maitra)
দিলীপ ঘোষের বক্তব্য, শুধু লাইসেন্সের সমস্যাই নয়। রেস্তরাঁয় কী ধরনের খাবার পরিবেশন করা হচ্ছে, তা নিয়েও নিয়মিত অভিযোগ আসে। (Shyamal Maitra)

দিলীপ ঘোষের বক্তব্য, শুধু লাইসেন্সের সমস্যাই নয়। রেস্তরাঁয় কী ধরনের খাবার পরিবেশন করা হচ্ছে, তা নিয়েও নিয়মিত অভিযোগ আসে। প্রশাসন এবার বিষয়টি কঠোরভাবে দেখবে। ইতিমধ্যেই পুলিশ অভিযান শুরু করেছে। ধীরে ধীরে সবকিছু ঠিক করা হবে বলেও দাবি করেছেন তিনি।

দিলীপের এই মন্তব্যের মধ্যেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় খাবারের মান নিয়ে অভিযান চলছে। উত্তর ২৪ পরগনার বাদুড়িয়া এবং মধ্যমগ্রামে সম্প্রতি বড়সড় অনিয়ম ধরা পড়েছে। বাদুড়িয়ার একটি রেস্তরাঁয় অভিযান চালিয়ে প্রায় ৪০ কিলোগ্রাম পচা মুরগি এবং ছাগলের মাংস উদ্ধার করা হয়েছে বলে হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। পুলিশ, পুরসভা এবং খাদ্য দফতরের যৌথ অভিযানে এই মাংস উদ্ধার হয়।

রেস্তরাঁর কর্মীদের দাবি ছিল, ওই মাংস ফেলে দেওয়ার জন্য আলাদা করে রাখা হয়েছিল। কিন্তু সেই ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট হয়নি খাদ্য দফতর। মাংস বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। রেস্তরাঁ কর্তৃপক্ষকে নোটিসও দেওয়া হয়েছে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে। সন্তোষজনক উত্তর না মিললে রেস্তরাঁ বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে।

এই ঘটনাগুলির পর ফের সামনে এসেছে বহু বছর আগের ভাগাড়-কাণ্ডের স্মৃতি। ২০১৮ সালে বাদুড়িয়াকে কেন্দ্র করে পচা ও মৃত পশুর মাংসের বেআইনি কারবারের অভিযোগে রাজ্যজুড়ে তোলপাড় হয়েছিল। এবার ফের একই এলাকায় পচা মাংস উদ্ধারের ঘটনায় আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। এই আবহে দিলীপ ঘোষের বক্তব্য নতুন করে গুরুত্ব পাচ্ছে। তাঁর অভিযোগ যদি সত্যি হয়, তাহলে রাজ্যের হোটেল-রেস্তরাঁ ব্যবসায় বড়সড় পরিসরে নজরদারি প্রয়োজন। শুধু খাবারের মান নয়। দেখতে হবে লাইসেন্স, জমির বৈধতা এবং অগ্নি ও স্বাস্থ্য সুরক্ষার নিয়মও। দিলীপের কথায়, পুলিশ ইতিমধ্যেই অভিযান শুরু করেছে। এবার সেই অভিযান কতটা বিস্তৃত হয়, সেটাই দেখার। সাধারণ মানুষের প্রশ্নও একটাই—রেস্তরাঁয় খাবার খেতে গিয়ে তারা আদৌ কতটা নিরাপদ?

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe