রাজ্যে পালাবদলের পরই বিজেপির তরফ থেকে 'ডবল ইঞ্জিন' সরকারের বার্তা দেওয়া হয়েছিল। এই আবহে সরকার গঠনের কয়েকদিন যেতে না যেতেই পশ্চিমবঙ্গের ৩টি গুরুত্বপূর্ণ রেল প্রকল্পে ছাড়পত্র দিল কেন্দ্রীয় সরকার। এই মর্মে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে চিঠিও দিয়েছে রেল মন্ত্রক। জানা গিয়েছে, নিউ জলপাইগুড়ি থেকে শিলিগুড়ি পর্যন্ত ৭.১৫ কিলোমিটার নতুন রেললাইন প্রকল্পের ডবল লাইন, সাঁতরাগাছি থেকে খড়্গপুর হয়ে ঝাড়গ্রামের জয়পুর পর্যন্ত নতুন ট্রেন, শালবনি থেকে আঁড়া পর্যন্ত প্রায় ১০৭ কিলোমিটার দীর্ঘ নতুন রেললাইন প্রকল্প।

জানা গিয়েছে, এই প্রকল্পগুলি নিয়ে আগেই রেলমন্ত্রীর সঙ্গে কথা হয়েছিল মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। সেই অনুযায়ী এই তিনটি প্রল্প নিয়ে তিনটি পৃথক চিঠি মুখ্যমন্ত্রীকে পাঠান কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী। তাতে বলা হয়েছে, নিউ জলপাইগুড়ি থেকে শিলিগুড়ি পর্যন্ত নতুন রেললাইন প্রকল্পের ডবল লাইনের কাজের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই লাইনটি ৭.১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ হবে। এর ফলে উত্তরবঙ্গ এবং উত্তর-পূর্ব ভারতে রেল পরিষেবা আরও মসৃণ হবে।
এদিকে ১৮০৬১/১৮০৬২ সাঁতরাগাছি-খড়্গপুর এক্সপ্রেসকে এবার জয়পুর পর্যন্ত সম্প্রসারণের অনুমোদন দিয়েছে রেলমন্ত্রক। পশ্চিম মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রামের বাসিন্দারা এর ফলে উপকৃত হবেন। এদিকে শালবনি থেকে আঁড়া পর্যন্ত প্রায় ১০৭ কিলোমিটার দীর্ঘ নতুন রেললাইন প্রকল্পের কাজের প্রথম ধাপ শুরু হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে ছিল এই প্রকল্পটি। এই রেললাইনের ডিটেলড প্রোজেক্ট রিপোর্ট তৈরি করার লক্ষ্যে ‘ফাইনাল লোকেশন সার্ভে’র অনুমোদন দিয়েছেন রেলমন্ত্রী। এই লাইনটি চালু হলে পশ্চিমাঞ্চলের শিল্প ও পণ্য পরিবহণে সহজ হবে।
এদিকে শুক্রবার থেকে শুরু হচ্ছে চিংড়িহাটা মেট্রোর কাজ। আজ রাত ৮টা থেকে শুরু হবে এই কাজ। সব ঠিকঠাক থাকলে পুজো কিংবা বড়দিনের আগেই এই রুটে মেট্রো পরিষেবা চালু হয়ে যেতে পারে। এর আগে ৩১৬ বর্গমিটার অংশের কাজ নিয়ে জটিলতা দেখা দিয়েছিল। এখানে সম্প্রসারণের কাজের জন্য বাইপাসে যান চলাচল বন্ধ রাখতে হবে বলে দাবি ছিল মেট্রোর। তবে পূর্বতন রাজ্য সরকার সেই অনুমতি না দেওয়ায় এতদিন কাজ থমকে ছিল।
{{/usCountry}}এদিকে শুক্রবার থেকে শুরু হচ্ছে চিংড়িহাটা মেট্রোর কাজ। আজ রাত ৮টা থেকে শুরু হবে এই কাজ। সব ঠিকঠাক থাকলে পুজো কিংবা বড়দিনের আগেই এই রুটে মেট্রো পরিষেবা চালু হয়ে যেতে পারে। এর আগে ৩১৬ বর্গমিটার অংশের কাজ নিয়ে জটিলতা দেখা দিয়েছিল। এখানে সম্প্রসারণের কাজের জন্য বাইপাসে যান চলাচল বন্ধ রাখতে হবে বলে দাবি ছিল মেট্রোর। তবে পূর্বতন রাজ্য সরকার সেই অনুমতি না দেওয়ায় এতদিন কাজ থমকে ছিল।
{{/usCountry}}