...
...
Next Story

WB SIR Allegation: গরমিল সত্ত্বেও এসআইআরে ভোটারদের নাম জুড়তে চাপ ২ আইএএস অফিসারের, বিস্ফোরক বিজেপি

গেরুয়া শিবিরের নেতার অভিযোগ, সীমান্তবর্তী জেলা নদিয়ায় লজিক্যাল ডিসক্রেপেন্সি থাকা সত্ত্বেও বহু ভোটারকে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার জন্য চাপ দিচ্ছেন ডিইও অনীশ দাশগুপ্ত এবং অতিরিক্ত জেলাশাসক নৃপেন্দ্র সিং।

Published on: Feb 25, 2026, 12:12:20 IST
By
Prefer HTon Google
Advertisement

গরমিল থাকা সত্ত্বেও নাকি ভোটারদের নাম তালিকায় রাখার জন্য ইআরও এবং এইআরও-কে চাপ দেওয়ার অভিযোগ উঠল দুই আইএএস অফিসারের বিরুদ্ধে। এই সংক্রান্ত একটি অডিয়ো রেকর্ডিং প্রকাশ করে এই অভিযোগ করেছেন বিজেপির অমিত মালব্য। গেরুয়া শিবিরের নেতার অভিযোগ, সীমান্তবর্তী জেলা নদিয়ায় লজিক্যাল ডিসক্রেপেন্সি থাকা সত্ত্বেও বহু ভোটারকে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার জন্য চাপ দিচ্ছেন ডিইও অনীশ দাশগুপ্ত এবং অতিরিক্ত জেলাশাসক নৃপেন্দ্র সিং।

বিজেপির অভিযোগ, অবৈধ বহু ভোটারকে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার জন্য চাপ দিচ্ছেন ডিইও অনীশ দাশগুপ্ত এবং অতিরিক্ত জেলাশাসক নৃপেন্দ্র সিং। (Nitin Sharma)
বিজেপির অভিযোগ, অবৈধ বহু ভোটারকে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার জন্য চাপ দিচ্ছেন ডিইও অনীশ দাশগুপ্ত এবং অতিরিক্ত জেলাশাসক নৃপেন্দ্র সিং। (Nitin Sharma)

সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে অমিত মালব্য দাবি করেন, বিজেপি নাকি নির্দিষ্ট তথ্য পেয়েছে যে নদিয়ায় এসআইআরে কারচুপি করা হচ্ছে আইএএস অফিসারদের নির্দেশে। বিজেপি নেতার কথায়, ২০ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা ৭টার সময় নকাশিপাড়া ব্লকে উপস্থিত হন ডিইও অনীশ দাশগুপ্ত এবং অতিরিক্ত জেলাশাসক নৃপেন্দ্র সিং। তাঁরা দু'জনেই আইএএস অফিসার। এই দুই আধিকারিক নাকি ইআরও এবং এইআরও-র ওপর চাপ সৃষ্টি করেন যাতে এসআইআর প্রক্রিয়ায় কারচুপি করা হয়। লজিক্যাল ডিসক্রেপেন্সি এবং ভুয়ো নথি থাকা সত্ত্বেও বহু মানুষকে ভোটার তালিকায় রেখে দিতে বলা হয়েছে। এই বৈঠকের সময় উপস্থিত আধিকারিকদের ফোন বন্ধ রাখতে বলা হয়েছিল।

এই আবহে নির্বাচন কমিশনকে ট্যাগ করে অমিত মালব্য আশঙ্কা প্রকাশ করেন, অন্যান্য ব্লকেও সরকারি আধিকারিকরা এই ধরনের চাপ সৃষ্টি করে এসআইআর প্রক্রিয়ায় কারচুপি করে থাকতে পারেন। এই আবহে অমিত মালব্য প্রশ্ন তোলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশাসন এসআইআর প্রক্রিয়ায় কারচুপি কেন করছেন? ভুয়ো, বেআইনি ভোটারদের রক্ষা করার জন্যে এই মরিয়া চেষ্টা কেন? এরই সঙ্গে অমিত মালব্য অভিযোগ করেন, জেলা শাসকরা বিচারকদের বিভ্রান্ত করছেন। এই সব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন বিজেপি নেতা।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe