গরমিল থাকা সত্ত্বেও নাকি ভোটারদের নাম তালিকায় রাখার জন্য ইআরও এবং এইআরও-কে চাপ দেওয়ার অভিযোগ উঠল দুই আইএএস অফিসারের বিরুদ্ধে। এই সংক্রান্ত একটি অডিয়ো রেকর্ডিং প্রকাশ করে এই অভিযোগ করেছেন বিজেপির অমিত মালব্য। গেরুয়া শিবিরের নেতার অভিযোগ, সীমান্তবর্তী জেলা নদিয়ায় লজিক্যাল ডিসক্রেপেন্সি থাকা সত্ত্বেও বহু ভোটারকে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার জন্য চাপ দিচ্ছেন ডিইও অনীশ দাশগুপ্ত এবং অতিরিক্ত জেলাশাসক নৃপেন্দ্র সিং।

সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে অমিত মালব্য দাবি করেন, বিজেপি নাকি নির্দিষ্ট তথ্য পেয়েছে যে নদিয়ায় এসআইআরে কারচুপি করা হচ্ছে আইএএস অফিসারদের নির্দেশে। বিজেপি নেতার কথায়, ২০ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা ৭টার সময় নকাশিপাড়া ব্লকে উপস্থিত হন ডিইও অনীশ দাশগুপ্ত এবং অতিরিক্ত জেলাশাসক নৃপেন্দ্র সিং। তাঁরা দু'জনেই আইএএস অফিসার। এই দুই আধিকারিক নাকি ইআরও এবং এইআরও-র ওপর চাপ সৃষ্টি করেন যাতে এসআইআর প্রক্রিয়ায় কারচুপি করা হয়। লজিক্যাল ডিসক্রেপেন্সি এবং ভুয়ো নথি থাকা সত্ত্বেও বহু মানুষকে ভোটার তালিকায় রেখে দিতে বলা হয়েছে। এই বৈঠকের সময় উপস্থিত আধিকারিকদের ফোন বন্ধ রাখতে বলা হয়েছিল।
এই আবহে নির্বাচন কমিশনকে ট্যাগ করে অমিত মালব্য আশঙ্কা প্রকাশ করেন, অন্যান্য ব্লকেও সরকারি আধিকারিকরা এই ধরনের চাপ সৃষ্টি করে এসআইআর প্রক্রিয়ায় কারচুপি করে থাকতে পারেন। এই আবহে অমিত মালব্য প্রশ্ন তোলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশাসন এসআইআর প্রক্রিয়ায় কারচুপি কেন করছেন? ভুয়ো, বেআইনি ভোটারদের রক্ষা করার জন্যে এই মরিয়া চেষ্টা কেন? এরই সঙ্গে অমিত মালব্য অভিযোগ করেন, জেলা শাসকরা বিচারকদের বিভ্রান্ত করছেন। এই সব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন বিজেপি নেতা।
এর আগে এসআইআর প্রক্রিয়া চলাকালীন মাইক্রো অবজার্ভার, ইআরও, বিএলওদের একাংশের কাজ নিয়ে গাফিলতির অভিযোগ উঠেছিল। তা নিয়ে আগেই আধিকারিকদের সতর্ক করে কমিশন। স্পষ্ট বলা হয়, দায়িত্ব পালনে কোনও গাফিলতি বরদাস্ত করা হবে না। এমনকী কাজের কোথাও অবহেলা প্রমাণিত হলে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও কার্যত হুঁশিয়ারি দেয় কমিশন। এর আগে সাত এইআরও-কে সাসপেন্ড করে কমিশন। এই সাসপেনশন ইস্যু ঘিরে রাজনৈতিক এবং প্রশাসনিক মহলে উত্তাপ বেড়েছিল। এবার আইএএসদের বিরুদ্ধে এসআইআর প্রক্রিয়ায় কারচুপির অভিযোগ উঠল।
{{/usCountry}}এর আগে এসআইআর প্রক্রিয়া চলাকালীন মাইক্রো অবজার্ভার, ইআরও, বিএলওদের একাংশের কাজ নিয়ে গাফিলতির অভিযোগ উঠেছিল। তা নিয়ে আগেই আধিকারিকদের সতর্ক করে কমিশন। স্পষ্ট বলা হয়, দায়িত্ব পালনে কোনও গাফিলতি বরদাস্ত করা হবে না। এমনকী কাজের কোথাও অবহেলা প্রমাণিত হলে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও কার্যত হুঁশিয়ারি দেয় কমিশন। এর আগে সাত এইআরও-কে সাসপেন্ড করে কমিশন। এই সাসপেনশন ইস্যু ঘিরে রাজনৈতিক এবং প্রশাসনিক মহলে উত্তাপ বেড়েছিল। এবার আইএএসদের বিরুদ্ধে এসআইআর প্রক্রিয়ায় কারচুপির অভিযোগ উঠল।
{{/usCountry}}