...
...
Next Story

WB SIR BLO Death: SIR-এ দেগঙ্গার বুথে বাদ ৯৪ ভোটারের নাম, তারপরই মৃত্যু বছর ৪৭-র বিএলও-র, আজ হওয়ার কথা ছিল ভোট প্রশিক্ষণ

মৃতের নাম মণিরুল ইসলাম তরফদার, বয়স ৪৭ বছর। মৃতের পরিবারের দাবি, এসআইআরের মানসিক চাপের জেরে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মণিরুলের মৃত্যু হয়েছে। জানা গিয়েছে, ২৯ মার্চ সকাল দশটায় নির্বাচন কমিশনের থার্ড পোলিং অফিসার হিসেবে তাঁর প্রশিক্ষণ নেওয়ার কথা ছিল।

Published on: Mar 29, 2026, 07:42:54 IST
Advertisement

পশ্চিমবঙ্গে স্পেশাল ইন্টেনসিভ রিভিশনের শেষ পর্ব চলছে। আদালত নিযুক্ত বিচারপতিরা এখন 'বিচারাধীন ভোটারদের' নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। সেই মতো সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ করছে নির্বাচন কমিশন। আর এই সব তালিকায় বাদ পড়ছে বহু নাম। এই পরিস্থিতিতে এবার ফের এক বিএলও-র মৃত্যু নিয়ে শুরু হল চর্চা। জনা গিয়েছে, উত্তর ২৪ পরগনার দেগঙ্গার আমুলিয়ায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ওই বিএলও-র মৃত্যু হয়েছে। মৃতের নাম মণিরুল ইসলাম তরফদার, বয়স ৪৭ বছর। মৃতের পরিবারের দাবি, এসআইআরের মানসিক চাপের জেরে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মণিরুলের মৃত্যু হয়েছে। জানা গিয়েছে, ২৯ মার্চ সকাল দশটায় নির্বাচন কমিশনের থার্ড পোলিং অফিসার হিসেবে তাঁর প্রশিক্ষণ নেওয়ার কথা ছিল।

মৃতের নাম মণিরুল ইসলাম তরফদার, বয়স ৪৭ বছর। (ছবিটি প্রতীকী) (Diptendu Dutta)
মৃতের নাম মণিরুল ইসলাম তরফদার, বয়স ৪৭ বছর। (ছবিটি প্রতীকী) (Diptendu Dutta)

রিপোর্ট অনুযায়ী, দেগঙ্গার আমুলিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৯৪ নম্বর বুথের বিএলও ছিলেন মণিরুল ইসলাম তরফদার। সেই বুথে মোট ভোটার ছিলেন ১১৯১ জন। তার মধ্যে নথি যাচাই বাছাইয়ের জন্য ১২৯ জন ভোটারের নাম বিচারাধীন ছিল। পরে সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশিত হতে দেখা যায়, মণিরুলের বুথের ৯৪ জন ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। এই আবহে নাম বাদ পড়া ভোটাররা নাকি মণিরুলকে এসে বলতেন, তাঁরা সব নথি জমা দিলেও কেন তাঁদের নাম বাদ পড়ল।

এদিকে এই ঘটনা ঘটতেই সরব হয়েছে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। তারা নির্বাচন কমিশনকেই কাঠগড়ায় তুলেছে। ভোটারদের নাম বাদ পড়া এবং বিএলও-র মৃত্যু প্রসঙ্গে তৃণমূল পরিচালিত আমুলিয়া গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান মহম্মদ ইমদাদুল হক বলেন, '৯৪ জনের নাম অনৈতিকভাবে বাদ দেওয়া হয়েছিল। এতে উনি ভেঙে পড়েন। আমরা তাঁকে চিন্তা করতে বারণ করেছিলাম। বিজেপি সরকারের স্বৈরাচারী চিন্তাভাবনার জন্য মানুষের জীবন নিয়ে টানাটানি শুরু হয়েছে। মানুষের এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা দরকার।'

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe