আজ, ৭ ফেব্রুয়ারি এসআইআরের শুনানি পর্বের শেষ দিন। তবে এখনও বেশ কিছু জেলায় সম্পন্ন হয়নি শুনানি। এই আবহে উত্তর কলকাতা, মালদা এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় এসআইআর যাচাই পর্বের সময়সীমা বৃদ্ধির আবেদন জমা পড়েছে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের অফিসে। এই আবহে ভারতের নির্বাচন কমিশনকে বিষয়টি জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। নয়াদিল্লিতে চিঠি পাঠাচ্ছেন মনোজ আগরওয়াল। যদিও এছাড়া রাজ্যের অন্য কোনও জেলার শুনানির সময়সীমা বৃদ্ধি করার জন্য দিল্লিতে চিঠি লিখবেন না মনোজ আগরওয়াল।

এর আগে উত্তরপ্রদেশেও শুনানির সময়সীমা বৃদ্ধি করা হয়েছে এসআইআরের বিভিন্ন পর্বে। এই আবহে বাংলার তিন জায়গায় এসআইআর শুনানির জন্য সময়সীমা বৃদ্ধি করতে হতে পারে নির্বাচন কমিশন। এদিকে রিপোর্ট অনুযায়ী, ১ কোটি ৫১ লক্ষ ভোটারের কাছে শুনানির নোটিস পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু গত ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এখনও পাঁচ লক্ষ ভোটার শুনানি কেন্দ্রে পৌঁছতে পারেননি। যদি শুনানির শেষ দিনেও এই ভোটাররা শুনানি কেন্দ্রে না যান, তাহলে তাঁদের নাম বাদ দেওয়া হবে ভোটার তালিকা থেকে।
এদিকে আসন্ন বিধানসভা ভোটে একদফাতেই হবে নাকি, তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল জানিয়েছেন, দিল্লির নির্বাচন কমিশন পরামর্শ চাইলে বাংলার বিধানসভা ভোট এক দফায় করার কথা বলতে তিনি রাজি। বিগত বছরগুলিতে একাধিক দফায় ভোট হলেও হিংসা জারি থেকেছে রাজ্যে। এই আবহে একদফায় ভোট হলে কম হিংসা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এর আগে তৃণমূল কংগ্রেস বারবার একাধিক দফায় ভোট নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল। এদিকে বিজেপিও রাজ্যে একদফায় ভোট চাইছে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি সম্প্রতি বলেছিলেন, 'আমরা চাই না ২০২১ বা ২০২৪ সালের মতো নির্বাচন হোক। ক্যামেরা বন্ধ করে ভোট হবে, ভূতেরা ভোট দেবে, এ সব চলতে পারে না। সকালে কোচবিহারে গিয়ে, পরের দিন মালদহে মারধর, তার পর মুর্শিদাবাদ ঘুরে শেষে ভবানীপুরে ঝেড়ে দিয়ে চলে যাওয়া, এই ব্যবস্থার অবসান চাই।'
{{/usCountry}}এর আগে তৃণমূল কংগ্রেস বারবার একাধিক দফায় ভোট নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল। এদিকে বিজেপিও রাজ্যে একদফায় ভোট চাইছে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি সম্প্রতি বলেছিলেন, 'আমরা চাই না ২০২১ বা ২০২৪ সালের মতো নির্বাচন হোক। ক্যামেরা বন্ধ করে ভোট হবে, ভূতেরা ভোট দেবে, এ সব চলতে পারে না। সকালে কোচবিহারে গিয়ে, পরের দিন মালদহে মারধর, তার পর মুর্শিদাবাদ ঘুরে শেষে ভবানীপুরে ঝেড়ে দিয়ে চলে যাওয়া, এই ব্যবস্থার অবসান চাই।'
{{/usCountry}}