মগরাহাটে নির্বাচন কমিশনের বিশেষ পর্যবেক্ষক সি মুরুগানের গাড়িতে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল। অভিযোগ উঠেছে, ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সমীক্ষার (এসআইআর) শুনানি পর্বের কাজ সরেজমিনে দেখতে যাওয়ার সময় তাঁর গাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়েছে। এমনকী বিশেষ পর্যবেক্ষক যে গাড়িতে ছিলেন, সেই গাড়ির চালককে দরজা খুলে বের করে আনার চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে আপাতত কমিশনের তরফে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। তবে বিশেষ পর্যবেক্ষক জানিয়েছেন যে পুরো ঘটনা নিয়ে কমিশনের কাছে রিপোর্ট জমা দেবেন। ইতিমধ্যে পুরো ঘটনা নিয়ে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়ালের সঙ্গে কথা হয়েছে। শুনানি পর্ব কেমন হয়েছে, সেটা সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে এসেছিলেন। নির্দিষ্ট দায়িত্ব দিয়েছে কমিশন। কাজ করেই ছাড়বেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

এমনিতে এসআইআরের শুনানি নিয়ে গত কয়েকদিন ধরেই রাজনৈতক তরজা চলছে। পরপর দু'দিন এসআইআর নিয়ে কমিশনকে আক্রমণ শানান তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, রবিবার তৃণমূল নেতা-কর্মীদের সঙ্গে যে বৈঠক করেন অভিষেক, সেখান থেকে তৃণমূলের বিএলএদের জোড়া নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন যে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সমীক্ষার (এসআইআর) শুনানি পর্বের সময় তৃণমূলের বিএলএদের বাধ্যতামূলকভাবে হাজির থাকতে হবে। সেইসঙ্গে যেখানে শুনানি হচ্ছে, তার বাইরে সহায়তা শিবির খুলতে হবে, যাতে সাধারণ মানুষের কোনওরকম সমস্যা না হয়।
সূত্রের খবর, রবিবারের ভার্চুয়াল বৈঠকে অভিষেক অভিযোগ করেছেন যে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে পর্যাপ্ত পরিকাঠামোর ব্যবস্থা না করেই একসঙ্গে প্রচুর মানুষকে শুনানি পর্বে ডেকে পাঠানো হয়েছে। নির্বাচন কমিশন এমন একটা পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করছে যে সাধারণ মানুষ শুনানি কেন্দ্রে এসে বিরক্ত বা হতাশ হয়ে যান। আর অপেক্ষা না করেই ফিরে যান শুনানি কেন্দ্র থেকে। তার ফলে ভোটার তালিকা থেকে তাঁদের নাম বাদ দেওয়া যাবে বলে দাবি করেন অভিষেক।
সেইসঙ্গে বিএএলদের 'পেপটক' দিয়ে অভিষেক বলেন যে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলকে জিতিয়ে ফের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মুখ্যমন্ত্রী করার দায়িত্ব আছে তাঁদের কাঁধে। পশ্চিমবঙ্গের খসড়া তালিকা থেকে যে সবথেকে কম ভোটারের নাম বাদ পড়েছে, সেটার পুরো কৃতিত্ব বিএলএদের। তাঁদের জন্য বাংলাদেশি বা রোহিঙ্গা নিয়ে বিজেপি হইচই করতে পারছে না বলে পেপটক দেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক।
{{/usCountry}}সেইসঙ্গে বিএএলদের 'পেপটক' দিয়ে অভিষেক বলেন যে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলকে জিতিয়ে ফের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মুখ্যমন্ত্রী করার দায়িত্ব আছে তাঁদের কাঁধে। পশ্চিমবঙ্গের খসড়া তালিকা থেকে যে সবথেকে কম ভোটারের নাম বাদ পড়েছে, সেটার পুরো কৃতিত্ব বিএলএদের। তাঁদের জন্য বাংলাদেশি বা রোহিঙ্গা নিয়ে বিজেপি হইচই করতে পারছে না বলে পেপটক দেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক।
{{/usCountry}}