মালদার কালিয়াচকে বিচারকদের আটকে রাখা হয়েছিল এসআইআর বিক্ষোভের নামে। পরে বিচারকদের উদ্ধার করার চেষ্টা করা হলে গাড়িতে হামলা চালায় দুষ্কৃতীরা। এরই সঙ্গে জাতীয় সড়ক অবরোধ করে রেখেছে এক শ্রেণির মানুষ। এই সবের মাঝেও এসআইআর প্রক্রিয়া জারি রয়েছে। বিবেচনাধীন ভোটারদের নামের নিষ্পত্তির কাজ চলছে। এই পরিস্থিতিতে ২ এপ্রিল পর্যন্ত ৫২ লাখ ভোটারের নামের নিষ্পত্তি হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আর আট লাখ বিবেচনাধীন ভোটারের নামের নিষ্পত্তি বাকি। অষ্টম অতিরিক্ত তালিকায় নতুন করে ৩ লাখ নামের নিষ্পত্তি করা হয়েছে।

এখন প্রতিদিনই নিয়ম করে বিচারাধীন ভোটারদের নামের নিষ্পত্তি করে সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ করে চলেছে নির্বাচন কমিশন। আগামী ৭ এপ্রিলের মধ্যে সব বিচারাধীন ভোটারের নামের নিষ্পত্তি হয়ে যাবে বলে সুপ্রিম কোর্টকে জানানো হয়েছে। তবে আশা করা হচ্ছে, ৬ এপ্রিলের মধ্যেই এই বাকি নামগুলির নিষ্পত্তি হয়ে যাবে। সেদিনই প্রথম দফার ভোটের মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ।
উল্লেখ্য, রাজ্যে মোট বিবেচনাধীন ভোটারের সংখ্যা ছিল ৬০ লাখ ৬ হাজার ৬৭৫। প্রসঙ্গত, গত বছরের ৪ নভেম্বর থেকে বাংলায় এসআইআর প্রক্রিয়ায় এনুমারেশন ফর্ম বিলি শুরু হয়েছিল। এরপর গত বছরের ১৬ ডিসেম্বর খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছিল কমিশন। সেইসময় ৫৮ লক্ষের নাম বাদ যায়। এই সব ভোটারের নামে এনুমারেশন ফর্মই জমা পড়েনি। তাই খসড়া তালিকা থেকেই বাদ পড়েছিল তাদের নাম। এর মধ্য়ে মৃত ভোটার ২৪ লাখ ১৬ হাজার ৮৫২, নিখোঁজ ১২ লাখ ২০ হাজার ৩৮ জন, স্থানান্তরিত রয়েছেন ১৯ লাখ ৮৮ হাজার ৭৬ জন, ভুয়ো ভোটার ১ লাখ ৮৩ হাজার ৩২৮ জন এবং অন্যান্য ৫৭ হাজার জন।
এরপর গত ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয়। সেখানে আরও সাড়ে ৫ লাখের মতো নাম বাদ যায়। সব মিলিয়ে সেই পর্যন্ত এসআইআরের 'চূড়ান্ত তালিকায়' ৬৩ লাখ লোকের নাম বাদ পড়েছিল। এছাড়া আরও প্রায় ৬০ লাখ ভোটারের নাম ছিল বিচারাধীন। এই আবহে গত ২৩ মার্চ প্রথম সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ হয়। তারপর ২৭ মার্চ থেকে রোজ একটি করে সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ করতে শুরু করে নির্বাচন কমিশন।
{{/usCountry}}এরপর গত ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয়। সেখানে আরও সাড়ে ৫ লাখের মতো নাম বাদ যায়। সব মিলিয়ে সেই পর্যন্ত এসআইআরের 'চূড়ান্ত তালিকায়' ৬৩ লাখ লোকের নাম বাদ পড়েছিল। এছাড়া আরও প্রায় ৬০ লাখ ভোটারের নাম ছিল বিচারাধীন। এই আবহে গত ২৩ মার্চ প্রথম সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ হয়। তারপর ২৭ মার্চ থেকে রোজ একটি করে সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ করতে শুরু করে নির্বাচন কমিশন।
{{/usCountry}}