ভোটার তালিকায় 'নেই' কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি শহিদুল্লাহ মুন্সীর নাম। তিনি দু'বার তাঁর নথি জমা দিয়েছিলেন। তবে নির্বাচন কমিশনের যাচাই প্রক্রিয়ার পরেও তাঁর নাম ওঠেনি তালিকায়। প্রাক্তন বিচারপতি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে তিনি কার সাথে যোগাযোগ করবেন, তা বুঝতে পারছেন না। তিনি জানান, বিএলও-র কাছে প্রথমে একবার সব প্রয়োজনীয় নথি দিলেও খসড়া তালিকায় তাঁর নাম ওঠেনি। সেখানে উল্লেখ করা ছিল, প্রাক্তন বিচারপতিকে নাকি 'পাওয়া যায়নি'। আর এখন চূড়ান্ত তালিকাতেও তাঁর নাম নেই।

বিচারপতি মুন্সী বার অ্যান্ড বেঞ্চকে জানিয়েছেন, এসআইআর বিজ্ঞপ্তি জারি হওয়ার পরেই তিনি তাঁর স্ত্রী এবং ছেলেকে নিয়ে বুথ লেভেল অফিসারের (বিএলও) কাছে প্রয়োজনীয় সমস্ত নথি জমা দিয়েছিলেন। এরপরও খসড়ায় তাদের নাম না থাকায় তাঁরা উদ্বিগ্ন ছিলেন। এরপরে রাজ্য নির্বাচন কমিশনে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানে কর্মকর্তারা তাঁর নথিগুলি নতুন করে যাচাই করেন। মুন্সী জানান, সেখানে তিনি আবার সমস্ত নথি দিয়েছিলেন এবং কর্মকর্তারা তাঁকে আশ্বস্ত করেছিলেন যে বিষয়টির সমাধান করা হবে। তবে এখনও তাঁর নাম ওঠেনি ভোটার তালিকায়।
জাস্টিস মুন্সী বলেন, ভোটার তালিকায় নিজের নাম তোলার জন্য শিগগিরই আপিল ট্রাইব্যুনালে আবেদন করবেন তিনি। তিনি বলেন, 'আগামীতে যদি তারা বলে যে কাগজপত্র সঠিক ছিল না, তাহলে আমি জানি না আমি কী করব। কারণ আমি যে নথি জমা দিয়েছিলাম, তার প্রাপ্তি স্বীকার করে কোনও রসিদ দেওয়া হয়নি। একজন সাধারণ নাগরিকের মতো আচরণ করতে চেয়েছিলাম আমি। প্রাক্তন বিচারপতি হিসেবে প্রভাব খাটাইনি। আমি এমন কোনও নথি জমা দিতে চাইনি যাতে বোঝা যায় যে আমি হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি। আমি একজন সাধারণ নাগরিকের মতো আচরণ করতে চেয়েছিলাম, তাই আমি আমার পাসপোর্টসহ সমস্ত সঠিক কাগজপত্র জমা দিয়েছিলাম।'
এদিকে নির্বাচন কমিশনের গঠিত আপিল ট্রাইব্যুনালের কাজকর্ম নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন মুন্সী। তিনি বলেছেন, যে ১৯টি ট্রাইব্যুনাল তৈরি করা হয়েছে তা কেবল কাগজে-কলমে রয়েছে। তাদের কার্যকারিতার জন্য কোনও স্পষ্ট নির্দেশিকা নেই। তিনি বলেছিলেন যে প্রাকৃতিক ন্যায়বিচার লঙ্ঘনের ভিত্তিতেই আপিল করা যাবে ট্রাইব্যুনালে। এই আবহে যদি ট্রাইব্যুনালে তিনি স্বস্তি না পান, তাহলে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হবেন বলে জানিয়েছে বিচারপতি মুন্সী।
{{/usCountry}}এদিকে নির্বাচন কমিশনের গঠিত আপিল ট্রাইব্যুনালের কাজকর্ম নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন মুন্সী। তিনি বলেছেন, যে ১৯টি ট্রাইব্যুনাল তৈরি করা হয়েছে তা কেবল কাগজে-কলমে রয়েছে। তাদের কার্যকারিতার জন্য কোনও স্পষ্ট নির্দেশিকা নেই। তিনি বলেছিলেন যে প্রাকৃতিক ন্যায়বিচার লঙ্ঘনের ভিত্তিতেই আপিল করা যাবে ট্রাইব্যুনালে। এই আবহে যদি ট্রাইব্যুনালে তিনি স্বস্তি না পান, তাহলে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হবেন বলে জানিয়েছে বিচারপতি মুন্সী।
{{/usCountry}}