...
...
Next Story

WB SIR Update: বাবা-ছেলের বয়সের ফারাক ৫০ বছর, তাই SIR-এ কাটা পড়েছিল কংগ্রেস প্রার্থীর নাম, শেষে ট্রাইব্যুনাল বলল…

কংগ্রেস প্রার্থী মোত্তাকিনের আবেদন শুনে ট্রাইব্যুনাল জানিয়ে দিল, বাবার সঙ্গে বয়সের ফারাক বিচার করা যায় না। পর্যবেক্ষণে বলা হয়, ভোটারের বাবা-মাকে নিয়ে প্রশ্ন তোলার বা বিচার করার কোনও এক্তিয়ার নেই তাদের এবং এই কারণে ভোটার তালিকা থেকে কারও নাম বাদ যেতে পারে না।

Published on: Apr 7, 2026, 07:31:57 IST
Advertisement

যুক্তিগত অসঙ্গতির কারণে পশ্চিমবঙ্গে বহু ভোটারের নাম বাদ পড়েছে এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকা থেকে। অনেক রাজনৈতিক দলের প্রার্থীদেরও নাম এসআইআরে বাদ পড়েছিল। তাঁদেরই মধ্যে অন্যতম ছিলেন কংগ্রেস প্রার্থী মহম্মদ মোত্তাকিন আলম। এই আবহে কংগ্রেস প্রার্থী ট্রাইব্যুনালে আবেদন করেন যাতে ভোটার তালিকায় তাঁর নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়। সেই মতো সুপ্রিম কোর্টও ট্রাইব্যুনালকে নির্দেশ দেয় অবিলম্বে কংগ্রেস প্রার্থীর আবেদনের নিষ্পত্তি করতে। মোত্তাকিনের সেই আবেদন শুনে ট্রাইব্যুনাল জানিয়ে দিল, বাবার সঙ্গে বয়সের ফারাক বিচার করা যায় না।

কংগ্রেস প্রার্থী মোত্তাকিনের আবেদন শুনে ট্রাইব্যুনাল জানিয়ে দিল, বাবার সঙ্গে বয়সের ফারাক বিচার করা যায় না। (Saikat Paul)
কংগ্রেস প্রার্থী মোত্তাকিনের আবেদন শুনে ট্রাইব্যুনাল জানিয়ে দিল, বাবার সঙ্গে বয়সের ফারাক বিচার করা যায় না। (Saikat Paul)

বাবা-ছেলের বয়সের ফারাকের অসঙ্গতির কারণে বাংলায় বহু নাম বাদ পড়েছে এসআইআর থেকে। উল্লেখ্য, অভিযোগ উঠেছে, ওপার বাংলা থেকে এসে অনেকেই অন্য কোনও ব্যক্তিকে 'বাবা সাজিয়ে' ভারতের পরিচয়পত্র করিয়ে নেয় এবং এখানে বসবাস করে। এই পরিস্থিতিতে ভুয়ো ভোটার চিহ্নিত করতে যুক্তিগত অসঙ্গতির বিষয়টির ওপর বেশ জোর দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। এই পরিস্থিতিতে মোত্তাকিনের বাবার নাম ২০০২ সালের ভোটার তালিকাতে থাকলেও এবারের এসআইআরে নাম কাটা পড়ে কংগ্রেস প্রার্থীর।

উল্লেখ্য, মোত্তাকিনের সঙ্গে তাঁর বাবার বয়সের ফারাক ৫০ বছর। ১৯৭১ সালে মালদার ইংরেজবাজারে ভোটার হিসেবে নাম নথিভুক্ত হয়েছিল মোত্তাকিনের বাবার। ২০০২ সালের এসআইআর তালিকাতেও ছিল তাঁর বাবার নাম। এদিকে মোত্তাকিন নিজে যদুপুর পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন। ২০১৬ সালে মানিকচক বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়কও হয়েছিলেন তিনি। তবে মোত্তাকিন এবং তাঁর বাবার নামে কিছুটা ফারাক দেখা যায় কয়েকটি নথিতে। মোত্তাকিনের বাবার ভোটার কার্ডে নাম রয়েছে আলি ওলি, এনুমারেশন ফর্মেও ওই নামই দেওয়া হয়েছে। পাসপোর্টে মোত্তাকিনের বাবার নাম ওলি মহম্মদ। ২০১৫ সালের ভোটার কার্ডে তাঁর নাম আলি মহম্মদ। মোত্তাকিনের প্যান কার্ডে তাঁর বাবার নাম আলি মহম্মদ। আর ১৯৭১-এর ভোটার তালিকাতেও বাবার নাম আলি মহম্মদ। সব খতিয়ে দেখে নির্বাচন কমিশন বলে, সব নথিতে ভোটার কার্ডের নম্বর একই রয়েছে, তাই এই ক্ষেত্রে অসঙ্গতি নেই। আর বাবা-ছেলের বয়সের ফারাক প্রসঙ্গে ট্রাইব্যুনালের বক্তব্য, ভোটারের বাবা-মাকে নিয়ে প্রশ্ন তোলার বা বিচার করার কোনও এক্তিয়ার নেই তাদের এবং এই কারণে ভোটার তালিকা থেকে কারও নাম বাদ যেতে পারে না।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe