WB Special Trains to Puri: রথযাত্রাকে কেন্দ্র করে পুরীতে ভক্ত ও পর্যটকদের ভিড় সামাল দিতে বিশেষ উদ্যোগ নিল পূর্ব রেল। জগন্নাথদেবের দর্শনে প্রতিবছরই পশ্চিমবঙ্গ থেকে হাজার হাজার মানুষ পুরীতে যান। সেই সময় নিয়মিত ট্রেনের টিকিটের ব্যাপক চাহিদার কারণে বহু যাত্রী টিকিট পান না। এই পরিস্থিতিতে যাত্রীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে কলকাতা-খুরদা রোড এবং মালদা টাউন-পুরী রুটে একাধিক স্পেশাল ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে পূর্ব রেল।

রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, ০৩১০১ কলকাতা-খুরদা রোড স্পেশাল ট্রেনটি আগামী ১৩, ১৪, ১৫, ২১, ২২ ও ২৩ জুলাই রাত ১১টা ৫০ মিনিটে কলকাতা থেকে ছাড়বে। ট্রেনটি পরদিন সকাল ৯টা ৩৫ মিনিটে খুরদা রোডে পৌঁছবে। একইভাবে **খুরদা রোড-কলকাতা স্পেশাল ট্রেনটি ১৪, ১৭, ১৮, ২২, ২৫ ও ২৬ জুলাই বিকেল ৩টা ৪০ মিনিটে খুরদা রোড থেকে ছেড়ে পরদিন দুপুর ২টোয় কলকাতায় পৌঁছবে।
এই স্পেশাল ট্রেনটি যাত্রাপথে আন্দুল, খড়্গপুর, বালাসোর, ভদ্রক, জাজপুর-কেওনঝর রোড, কটক এবং ভুবনেশ্বর স্টেশনে দাঁড়াবে। যাত্রীদের সুবিধার জন্য ট্রেনে জেনারেল সেকেন্ড ক্লাস, স্লিপার ক্লাস এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (এসি) কোচ রাখা হয়েছে। অন্যদিকে উত্তরবঙ্গের যাত্রীদের জন্যও বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছে। মালদা টাউন-পুরী স্পেশাল ট্রেনটি ১৪ ও ২২ জুলাই দুপুর ১টা ১০ মিনিটে মালদা টাউন থেকে ছেড়ে পরদিন ভোর ৫টা ৩০ মিনিটে পুরীতে পৌঁছবে।
ফেরার পথে পুরী-মালদা টাউন স্পেশাল ট্রেনটি ১৭ ও ২৫ জুলাই সন্ধ্যা ৬টায় পুরী থেকে ছেড়ে পরদিন সকাল ৯টা ২০ মিনিটে মালদা টাউনে পৌঁছবে। এই ট্রেনটি ফরাক্কা, পাকুড়, রামপুরহাট, সাঁইথিয়া, বোলপুর-শান্তিনিকেতন, বর্ধমান, ডানকুনি, আন্দুল, খড়্গপুর, বালাসোর, ভদ্রক, জাজপুর-কেওনঝর রোড, কটক, ভুবনেশ্বর এবং খুরদা রোড স্টেশনে থামবে।
{{/usCountry}}ফেরার পথে পুরী-মালদা টাউন স্পেশাল ট্রেনটি ১৭ ও ২৫ জুলাই সন্ধ্যা ৬টায় পুরী থেকে ছেড়ে পরদিন সকাল ৯টা ২০ মিনিটে মালদা টাউনে পৌঁছবে। এই ট্রেনটি ফরাক্কা, পাকুড়, রামপুরহাট, সাঁইথিয়া, বোলপুর-শান্তিনিকেতন, বর্ধমান, ডানকুনি, আন্দুল, খড়্গপুর, বালাসোর, ভদ্রক, জাজপুর-কেওনঝর রোড, কটক, ভুবনেশ্বর এবং খুরদা রোড স্টেশনে থামবে।
{{/usCountry}}প্রতি বছর রথযাত্রা উপলক্ষে পুরীতে বিপুল ভিড় হয়। তাই অনেকেই কয়েক মাস আগেই ট্রেনের টিকিট কেটে রাখেন। ফলে শেষ মুহূর্তে টিকিট পাওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। পূর্ব রেলের এই বিশেষ ট্রেন পরিষেবা সেই সমস্যার অনেকটাই সমাধান করবে বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে যাঁরা এখনও যাত্রার পরিকল্পনা করলেও টিকিট পাননি, তাঁদের জন্য এই স্পেশাল ট্রেন বড় স্বস্তির খবর। রেল কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের দ্রুত সংরক্ষণ সম্পন্ন করার পরামর্শ দিয়েছে, কারণ স্পেশাল ট্রেনগুলির টিকিটের চাহিদাও যথেষ্ট বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।