...
...
Next Story

WB Teacher Recruitment Update: ২৬ হাজার চাকরিহারার ফের অনিশ্চয়তা, স্থগিত একাদশ-দ্বাদশের নথি যাচাই

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী নতুন করে নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করার সময়সীমা ৩১ অগস্ট। তার আগেই একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষক পদপ্রার্থীদের নথি যাচাইয়ের প্রক্রিয়া আচমকা স্থগিত হওয়ায় নতুন করে তৈরি হয়েছে জটিলতা। ফলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করা সম্ভব হবে কি না, তা নিয়েই প্রশ্ন উঠছে।

Published on: Aug 11, 2026, 12:42:27 IST
Advertisement

ফের অনিশ্চয়তার মুখে পড়লেন নিয়োগ দুর্নীতির জেরে চাকরি হারানো প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী নতুন করে নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করার সময়সীমা ৩১ অগস্ট। তার আগেই একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষক পদপ্রার্থীদের নথি যাচাইয়ের প্রক্রিয়া আচমকা স্থগিত হওয়ায় নতুন করে তৈরি হয়েছে জটিলতা। ফলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করা সম্ভব হবে কি না, তা নিয়েই প্রশ্ন উঠছে।

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী নতুন করে নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করার সময়সীমা ৩১ অগস্ট।  (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে এএনআই)
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী নতুন করে নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করার সময়সীমা ৩১ অগস্ট। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে এএনআই)

সোমবার পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদের তরফে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানানো হয়, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষক পদপ্রার্থীদের নথি যাচাই আপাতত স্থগিত রাখা হচ্ছে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ১২, ১৩ এবং ১৭ অগস্ট নথি যাচাইয়ের যে কর্মসূচি ছিল, তা আপাতত হচ্ছে না। অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ দফতরের ৭ অগস্টের নির্দেশিকার ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

এই সিদ্ধান্তের জেরে নতুন করে উদ্বেগে পড়েছেন চাকরিপ্রার্থীরা। কারণ সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হওয়ার আগে পর্যন্ত শিক্ষকরা বেতন পাওয়ার সুযোগ পাবেন। কিন্তু সেই মেয়াদও ৩১ অগস্ট পর্যন্ত। ফলে তার মধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ না হলে পরবর্তী সময়ে তাঁদের বেতন কীভাবে চলবে, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে বড় প্রশ্ন।

অন্যদিকে, বাতিল হওয়া শিক্ষাকর্মীদের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি আরও জটিল। তাঁদের অনেকেই এখনও বেতন পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ। ফলে শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী—দুই পক্ষেরই ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। নিয়োগ প্রক্রিয়া আটকে যাওয়ার পিছনে রয়েছে ওবিসি তালিকা সংক্রান্ত নতুন জটিলতা। ২০১০ সালের পর পশ্চিমবঙ্গের ওবিসি তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা ৭৭টি সম্প্রদায়ের স্বীকৃতি বাতিল করার নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাই কোর্ট। ওই ৭৭টি সম্প্রদায়ের মধ্যে ৭৫টি মুসলিম সম্প্রদায় ছিল বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ২০২৪ সালের মে মাসে দেওয়া সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে তৎকালীন রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিল।

আন্দোলনকারী শিক্ষক চিন্ময় মণ্ডলও এই পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, ৩১ অগস্টের পর তাঁদের কী হবে, তাঁরা কেউ জানেন না। নবম-দশমের নথি যাচাই চলছিল এবং একাদশ-দ্বাদশের কাউন্সেলিং প্রক্রিয়াও প্রায় শেষের পথে ছিল। কিন্তু এখনও কেউ নিয়োগপত্র পাননি বলে তাঁর দাবি। চাকরিহারা শিক্ষকদের বক্তব্য, তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন। এবার নথি যাচাই স্থগিত হওয়ায় সেই অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে। তাঁরা মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি কথা বলতে চাইলেও এখনও কোনও সদুত্তর পাননি বলে অভিযোগ। এখন সামনে মূলত দুটি সম্ভাবনা- নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিয়োগ শেষ করা, অথবা সময়সীমা বাড়ানোর জন্য সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হওয়া। ৩১ অগস্টের ডেডলাইন যত এগিয়ে আসছে, ততই ২৬ হাজার চাকরিহারার ভবিষ্যৎ নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe