EVM BJP Button Tape: ফলতায় ইভিএমে বিজেপির বোতামের ওপর টেপ লাগানো ছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। এই সংক্রান্ত একটি ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। ফলতার ইভিএমে টেপ লাগানোর ঘটনা নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে শুভেন্দু অধিকারীর কথা হয় বলে জানা গিয়েছে। এদিকে ফলতায় বুথ জ্যামের চেষ্টা করা মানুষজনের ওপর লাঠিচার্জ করে কেন্দ্রীয় বাহিনী। এদিকে পানিহাটির ২০৯ নম্বর বুথে বিজেপির বোতামে কালি দেওয়া আছে বলে অভিযোগ ওঠে।

ফলতার ঘটনায় সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ছবি পোস্ট করে বিজেপি অভিযোগ করে, ফলতায় বেশ কিছু বুথে তিন এবং চার নম্বর বোতামে টেপ লাগানো হয়েছে। উল্লেখ্য, ফলতায় তিন নম্বরে রয়েছে বিজেপি প্রার্থী আর চারে সিপিএম। বিজেপির অভিযোগ, ভোটারেরা যাতে তাদের প্রার্থীকে ভোট দিতে না-পারেন, সেই কারণে ইচ্ছাকৃত ভাবে এই কাজ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, উত্তরপ্রদেশের ‘এনকাউন্টার স্পেশ্যালিস্ট’আইপিএস অফিসার অজয় পাল শর্মাকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার পুলিশ পর্যবেক্ষক করেছে নির্বাচন কমিশন। ইতিমধ্যে ফলতার তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থীর বাড়িতে গিয়ে তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছিল, 'সবাই কান খুলে শুনে রাখুন, কোনও ঝামেলা করলে এমন চিকিৎসা করব না…এখানে জাহাঙ্গিরের পরিবারের লোকজন আছে। তাদের বলছি, ওর লোকজন নাকি হুমকি দিয়ে বেড়াচ্ছে শুনছি। ওকে বলে দেবেন এসব করলে আমি কিন্তু সব খবর নেব। পরে এমন করব তখন কেঁদেকেটেও লাভ হবে না।' সেই ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই পুলিশ পর্যবেক্ষকের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলে শাসকদল তৃণমূল। অভিযোগ ওঠে, তিনি তাঁর এক্তিয়ারের বাইরে গিয়ে আচরণ করছেন।
এই আবহে আজ তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, 'আপনারা জানেন, হাইকোর্টের অর্ডার থাকা সত্ত্বেও সাধারণ মানুষদের ভয় দেখাতে এক্তিয়ার বিরুদ্ধ কাজ করা হচ্ছে। এমনিতেই গায়ের জোরে ৩০ লক্ষের নাম বাদ দিয়েছে। এতে কোনও লাভ হবে না। প্রথম দফায় বিজেপি কুপোকাত হয়ে গিয়েছে। এই দফায় দফারফা হবে। এক্তিয়ার বিরুদ্ধ কাজ করছে। সিআরপিসি-র কোথাও কোনও প্রভিশন নেই। বিএনএসের প্রভিশন নেই। নির্বাচন কমিশনের কোনও গাইডলাইন নেই। কোনও অবজার্ভারকে অধিকার দেওয়া নেই বাড়ি বাড়ি গিয়ে হানা দেওয়ার। অবজার্ভাররা নির্বাচন কমিশনের চোখ ও কান হিসাবে কাজ করবে এবং রিপোর্ট দেবে এসপি-কে। রিপোর্ট দেবে নির্বাচন কমিশনকে। তারপর নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে কীভাবে কী করা উচিত। কিন্তু তারা বিভিন্নভাবে ধমকানো-চমকাচ্ছেন। বিশেষ করে যাদের বিরুদ্ধে কোনও কেস নেই, সেই সব তৃণমূল কর্মীদের শাসাচ্ছে-চমকাচ্ছে। এইসব করে কোনও লাভ হবে না।'
{{/usCountry}}এই আবহে আজ তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, 'আপনারা জানেন, হাইকোর্টের অর্ডার থাকা সত্ত্বেও সাধারণ মানুষদের ভয় দেখাতে এক্তিয়ার বিরুদ্ধ কাজ করা হচ্ছে। এমনিতেই গায়ের জোরে ৩০ লক্ষের নাম বাদ দিয়েছে। এতে কোনও লাভ হবে না। প্রথম দফায় বিজেপি কুপোকাত হয়ে গিয়েছে। এই দফায় দফারফা হবে। এক্তিয়ার বিরুদ্ধ কাজ করছে। সিআরপিসি-র কোথাও কোনও প্রভিশন নেই। বিএনএসের প্রভিশন নেই। নির্বাচন কমিশনের কোনও গাইডলাইন নেই। কোনও অবজার্ভারকে অধিকার দেওয়া নেই বাড়ি বাড়ি গিয়ে হানা দেওয়ার। অবজার্ভাররা নির্বাচন কমিশনের চোখ ও কান হিসাবে কাজ করবে এবং রিপোর্ট দেবে এসপি-কে। রিপোর্ট দেবে নির্বাচন কমিশনকে। তারপর নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে কীভাবে কী করা উচিত। কিন্তু তারা বিভিন্নভাবে ধমকানো-চমকাচ্ছেন। বিশেষ করে যাদের বিরুদ্ধে কোনও কেস নেই, সেই সব তৃণমূল কর্মীদের শাসাচ্ছে-চমকাচ্ছে। এইসব করে কোনও লাভ হবে না।'
{{/usCountry}}