পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর চলাকালীন ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়ল প্রাক্তন সাংসদের নাম। জানা গিয়েছে, এসইউসিআই(সি)-র প্রাক্তন সাংসদ ডঃ তরুণ মণ্ডলের নাম বাদ পড়ল ভোটার তালিকা থেকে। এর আগে তাঁর নাম ছিল বিচারাধীন। তারপরে সাপ্লিমেন্টারি তালিকায় তার নাম কেটে দেওয়া হয় বলে দাবি করা হয়েছে। এদিকে রাজনীতিতে আসার আগে এই চিকিৎসক কেন্দ্রীয় সরকারের গ্রুপ এ অফিসারও ছিলেন। এই আবহে নাম বাদ পড়ার বিষয়টি নিয়ে জানাতে রাজ্য নির্বাচনী আধিকারিকের অফিসে গিয়েছিলেন তরুণ মণ্ডল। সেখানে তাঁকে জানানো হয়েছে ট্রাইব্যুনালে আবেদন করা ছাড়া আর কোনও উপায় নেই।

এই আবহে তিনি চিঠি পাঠিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের কাছে। সেই চিঠির কপি পাঠিয়েছেন লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লা ও রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছেও। চিঠিতে তিনি লিখেছেন, 'আমি সাংসদ ছিলাম। আমার এই অবস্থা হলে রাজ্যের সাধারণ মানুষ এখন কোন অবস্থায় রয়েছেন।' উল্লেখ্য, ২০০৯ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত দক্ষিণ ২৪ পরগনার জয়নগরের সাংসদ ছিলেন তরুণ মণ্ডল। হাওড়ার বি গার্ডেনে তিনি থাকেন। দক্ষিণ হাওড়া বিধানসভার ভোটার তিনি। এসআইআরে তাঁকে হিয়ারিংয়ে ডাকা হয়েছিল। সেই মতো যাবতীয় নথি জমা দিয়েছিলেন তিনি। তবে সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশের পর দেখা যায় তাঁর নামের পাশে ‘ডিলিটেড’ লেখা।
উল্লেখ্য, বাংলায় এসআইআরের 'চূড়ান্ত তালিকায়' ৬৩ লাখ লোকের নাম বাদ পড়েছিল। এসআইআর প্রক্রিয়ার প্রাথমিক পর্বে গোটা রাজ্যে বাদ পড়ে প্রায় ৫৮ লাখ ভোটারের নাম। এই সব ভোটারের নামে এনুমারেশন ফর্মই জমা পড়েনি। তাই খসড়া তালিকা থেকেই বাদ পড়েছিল তাদের নাম। এর মধ্য়ে মৃত ভোটার ২৪ লক্ষ ১৬ হাজার ৮৫২, নিখোঁজ ১২ লক্ষ ২০ হাজার ৩৮ জন, স্থানান্তরিত রয়েছেন ১৯ লক্ষ ৮৮ হাজার ৭৬ জন, ভুয়ো ভোটার ১ লক্ষ ৮৩ হাজার ৩২৮ জন এবং অন্যান্য ৫৭ হাজার জন। তারপর 'চূড়ান্ত তালিকায়' আরও প্রায় ৫ লাখ ভোটারের নাম বাদ পড়ে। এছাড়া আরও প্রায় ৬০ লাখ ভোটারের নাম ছিল বিচারাধীন। এই আবহে বিচারাধীন ভোটারদের যোগ্যতা বিচার করতে বিচারপতিদের নিয়োগ করা হয়েছিল সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে। সেই মতো বিচারাধীন থাকা ভোটারদের নথি যাচাই বাছাই করে তা নিষ্পত্তি করা হচ্ছে। আর একেক করে সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ হতেই রাজ্য জুড়ে লাখ লাখ ভোটারের নাম বাদ পড়ছে।
এদিকে একের পর এক সাপ্লিমেন্টারি তালিকা নির্বাচন কমিশন বের করে চলেছে। এই আবহে নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে গিয়েই নিজের নাম খুঁজতে পারেন ভোটাররা। এই লিঙ্কে ক্লিক করে সরাসরি তালিকা ডাউনলোডের পেজে চলে যেতে পারেন - https://voters.eci.gov.in/download-eroll?stateCode=S25। উল্লেখিত লিঙ্কে গেলে রাজ্যের নাম, ভোটার তালিকা সংশোধনের বছর, রোলের ধরন (অ্যাডজুডিকেশন সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট নম্বর), জেলা, বিধানসভা কেন্দ্র, ভাষা বেছে নিয়ে ক্যাপচা দেবেন। এরপর নীচে তালিকা আসবে। সেখান থেকে নিজের বুথের পাশে ক্লিক করে বেছে নিতে হবে এবং তা ডাউনলোড বোতামে টিপতে হবে। তারপরই সংশ্লিষ্ট পিডিএফ ডাউনলোড হয়ে যাবে। আর যদি অ্যাডজুডিকেশন সাপ্লিমেন্টারি তালিকায় আপনার নাম না থাকে, তাহলে রোলের ধরন থেকে অ্যাডজুডিকেশন ডিলিটেড লিস্টে গিয়ে নাম খুঁজতে পারেন। নাম বাদ দেওয়া হলে আপিল করা যাবে অবসরপ্রাপ্ত বিচারক-বিচারপতিদের নিয়ে গঠিত ট্রাইব্যুনালে। এই ধরনের নিষ্পত্তির জন্যে মোট ১৯টি ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছে। অনলাইন ও অফলাইন, দুই মাধ্যমেই আবেদন করা যাবে সেখানে। অনলাইনে হলে ইসিআই নেট অ্যাপ বা নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট থেকে যথাযোগ্য নথিপত্র দিয়ে আপিল করা যাবে বলে জানা গিয়েছে। আর নয়ত জেলাশাসক, অতিরিক্ত জেলাশাসক বা মহকুমাশাসকের দফতরে আবেদন করা যাবে।
{{/usCountry}}এদিকে একের পর এক সাপ্লিমেন্টারি তালিকা নির্বাচন কমিশন বের করে চলেছে। এই আবহে নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে গিয়েই নিজের নাম খুঁজতে পারেন ভোটাররা। এই লিঙ্কে ক্লিক করে সরাসরি তালিকা ডাউনলোডের পেজে চলে যেতে পারেন - https://voters.eci.gov.in/download-eroll?stateCode=S25। উল্লেখিত লিঙ্কে গেলে রাজ্যের নাম, ভোটার তালিকা সংশোধনের বছর, রোলের ধরন (অ্যাডজুডিকেশন সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট নম্বর), জেলা, বিধানসভা কেন্দ্র, ভাষা বেছে নিয়ে ক্যাপচা দেবেন। এরপর নীচে তালিকা আসবে। সেখান থেকে নিজের বুথের পাশে ক্লিক করে বেছে নিতে হবে এবং তা ডাউনলোড বোতামে টিপতে হবে। তারপরই সংশ্লিষ্ট পিডিএফ ডাউনলোড হয়ে যাবে। আর যদি অ্যাডজুডিকেশন সাপ্লিমেন্টারি তালিকায় আপনার নাম না থাকে, তাহলে রোলের ধরন থেকে অ্যাডজুডিকেশন ডিলিটেড লিস্টে গিয়ে নাম খুঁজতে পারেন। নাম বাদ দেওয়া হলে আপিল করা যাবে অবসরপ্রাপ্ত বিচারক-বিচারপতিদের নিয়ে গঠিত ট্রাইব্যুনালে। এই ধরনের নিষ্পত্তির জন্যে মোট ১৯টি ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছে। অনলাইন ও অফলাইন, দুই মাধ্যমেই আবেদন করা যাবে সেখানে। অনলাইনে হলে ইসিআই নেট অ্যাপ বা নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট থেকে যথাযোগ্য নথিপত্র দিয়ে আপিল করা যাবে বলে জানা গিয়েছে। আর নয়ত জেলাশাসক, অতিরিক্ত জেলাশাসক বা মহকুমাশাসকের দফতরে আবেদন করা যাবে।
{{/usCountry}}